মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশে প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছে তারা সুরক্ষিত হয়েছে। এখন বোস্টার ডোজ টিকা নিলে তাদের আরও বেশী সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে, করোনার মৃত্যুঝুঁকি কমে যাবে। এবং বোস্টার ডোজ টিকা দেয়ায় বাংলাদেশের কোথাও কোন ধরনের সমস্যা হয়নি। বোস্টার ডোজ টিকা নেয়ার পর মৃত্যুঝুঁকি নেই বললেই চলে।
মন্ত্রী আজ শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে বুস্টার ডোজ টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ রুল মডেল হয়েছে। কোভিড নিয়ন্ত্রনে ও টিকা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সাউথ ইস্ট এশিয়ার মধ্যে প্রথম হয়েছে এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান লাভ করেছে।
কোভিড নিয়ন্ত্রনের কারনে দেশের সব কিছুই স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে।
দেশের এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ ১২ কোটি ৮৭ লক্ষ, দ্বিতীয় ডোজ ১১ কোটি ৭৭ লক্ষ এবং বোস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে প্রায় দেড় কোটির মত মানুষকে। প্রায় ১৬ হাজার ৫০টি কেন্দ্রে আজ বোস্টার ডোজ টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, টিকার কোন অভাব নেই। পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। লাইন ধরে সকলেই টিকা দিতে পারবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিচালক প্রশাসন অধ্যাপক ডাক্তার সামিউলহক, পরিচালক এমএসমসি এন্ড এইচ ডাক্তার শামছুল হক, পরিচালক স্বাস্থ্য ঢাকা বিভাগ ডাক্তার ফরিদ হোসেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, সিভিল সার্জন ডাক্তার মোয়াজ্জেম হোসেন খান চৌ্ধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র রমজান আলী, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার জাকির হোসেন , কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাক্তার বজলুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালম প্রমূখ।
বোস্টার ডোজ টিকা দেয়ায় বাংলাদেশের কোথাও কোন ধরনের সমস্যা হয়নি
বোস্টার ডোজ টিকা দেয়ায় বাংলাদেশের কোথাও কোন ধরনের সমস্যা হয়নি
মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিস্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশে প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছে তারা সুরক্ষিত হয়েছে। এখন বোস্টার ডোজ টিকা নিলে তাদের আরও বেশী সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে, করোনার মৃত্যুঝুঁকি কমে যাবে। এবং বোস্টার ডোজ টিকা দেয়ায় বাংলাদেশের কোথাও কোন ধরনের সমস্যা হয়নি। বোস্টার ডোজ টিকা নেয়ার পর মৃত্যুঝুঁকি নেই বললেই চলে। মন্ত্রী আজ শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে বুস্টার ডোজ টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশ রুল মডেল হয়েছে। কোভিড নিয়ন্ত্রনে ও টিকা
কার্যক্রমে বাংলাদেশ সাউথ ইস্ট এশিয়ার মধ্যে প্রথম হয়েছে এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান লাভ করেছে।কোভিড নিয়ন্ত্রনের কারনে দেশের সব কিছুই স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। দেশের এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ ১২ কোটি ৮৭ লক্ষ, দ্বিতীয় ডোজ ১১ কোটি ৭৭ লক্ষ এবং বোস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে প্রায় দেড় কোটির মত মানুষকে। প্রায় ১৬ হাজার ৫০টি কেন্দ্রে আজ বোস্টার ডোজ টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, টিকার কোন অভাব নেই। পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। লাইন ধরে সকলেই টিকা দিতে
পারবেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিচালক প্রশাসন অধ্যাপক ডাক্তার সামিউলহক, পরিচালক এমএসমসি এন্ড এইচ ডাক্তার শামছুল হক, পরিচালক স্বাস্থ্য ঢাকা বিভাগ ডাক্তার ফরিদ হোসেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, সিভিল সার্জন ডাক্তার মোয়াজ্জেম হোসেন খান চৌ্ধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র রমজান আলী, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার জাকির হোসেন , কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাক্তার বজলুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালম প্রমূখ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত