রংপুর প্রতিনিধি :
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় বর পছন্দ না হওয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তা বাবাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ফারজানা আখতার শাম্মি নামে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
আহত অবস্থায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও আহতের স্বজনরা জানান, নৌবাহিনীতে কর্মরত রংপুর নগরীর তামফাট এলাকার এক ছেলের সঙ্গে তিন মাস আগে ফারজানার বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের আয়োজন ছিল শুক্রবার। ওইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিয়েতে ফারজানার সম্মতি জানতে চান কাজি। এ সময় বাবার সঙ্গে কথা বলে সম্মতি দেবেন বলে জানান ওই তরুণী। পরে বাবাকে একাকী একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে বাবা-মেয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। এক পর্যায়ে ফারজানা তার হাতে থাকা অ্যান্টিকাটার দিয়ে বাবার গলায় আঘাত করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ কর্মকর্তার চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে আসেন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানাকে আটক করে। পরে তাকেও পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসার পর শনিবার দুপুরে তাকে থানায় আনা হয়।
এদিকে, বিয়ে না হওয়ায় বর ও তাদের স্বজনরা বাড়িতে ফিরে যান। এ বিষয়ে বরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও কথা বলতে রাজি হননি।
ওসি বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই বাদী হয়ে ফারজানাসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। ওই তরুণী জানিয়েছেন, যে ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল তাকে তার পছন্দ হয়নি। এরপরও জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, শনিবার বিকালে ফারজানাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বর পছন্দ না হওয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবাকে হত্যার চেষ্টা
বর পছন্দ না হওয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবাকে হত্যার চেষ্টা
রংপুর প্রতিনিধি :রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় বর পছন্দ না হওয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তা বাবাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ফারজানা আখতার শাম্মি নামে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম এ তথ্য জানিয়েছেন।আহত অবস্থায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ ও আহতের স্বজনরা জানান, নৌবাহিনীতে কর্মরত রংপুর নগরীর তামফাট এলাকার এক ছেলের সঙ্গে তিন মাস আগে ফারজানার বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের আয়োজন ছিল শুক্রবার। ওইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিয়েতে ফারজানার
সম্মতি জানতে চান কাজি। এ সময় বাবার সঙ্গে কথা বলে সম্মতি দেবেন বলে জানান ওই তরুণী। পরে বাবাকে একাকী একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে বাবা-মেয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। এক পর্যায়ে ফারজানা তার হাতে থাকা অ্যান্টিকাটার দিয়ে বাবার গলায় আঘাত করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ কর্মকর্তার চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে আসেন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানাকে আটক করে। পরে তাকেও পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসার পর শনিবার দুপুরে তাকে থানায় আনা হয়।এদিকে,
বিয়ে না হওয়ায় বর ও তাদের স্বজনরা বাড়িতে ফিরে যান। এ বিষয়ে বরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও কথা বলতে রাজি হননি।ওসি বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই বাদী হয়ে ফারজানাসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। ওই তরুণী জানিয়েছেন, যে ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল তাকে তার পছন্দ হয়নি। এরপরও জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।’তিনি আরও জানান, শনিবার বিকালে ফারজানাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত