বরগুনার আমতলীতে একটি সিএনজি থেকে দেশীয় অস্ত্র বড় ছুরি চাপাতি উদ্ধার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলায়- আহত দুজন। বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও একটি সিএনজি আটক করে আমতলী থানা পুলিশ।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে বাধঘাট চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজি ও মাহিন্দ্রা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। একাধিকবার উপজেলা প্রশাসন (ইউএনও) ও আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য দুই পক্ষের সাথে বসে আলোচনা করে মিলেমিশে থাকার সিদ্ধান্ত দেয়।
শনিবার বাধঘাট চৌরাস্তা এলাকায় সিএনজি স্ট্যান্ডে নম্বর প্লেট বিহীন একটি গাড়ি থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সিএনজি গাড়িটি ধারনা করা হয় শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিপন মোল্লার।
এর কিছুক্ষণ পরে মাহিন্দ্রা ও সিএনজি সমার্থকদের মধ্যে হাতাহাতির (মারামারির) ঘটনা ঘটে। হাতাহাতির ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি ও পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মিল্টন হাওলাদার (৪২) এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য ও সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন (৩৮)।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি ও পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মিল্টন হাওলাদার জানায়, আমাদের ওপর হামলা করতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সিএনজিতে রেখেছিলো আমরা টের পেয়ে পুলিশকে জানাই এবং দেশীয় অস্ত্র গুলো পুলিশ উদ্ধার করে তারপরেই আমাদের উপর হামলা করে।
সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন বলেন, পুলিশ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করার ক্ষিপ্ত হয়ে মিল্টন হাওলাদার কে মারধর করার সময়ে আমি ছাড়িয়ে নিতে গেলে আমাকেও মারধোর করে।
শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাহাত ফকির বলেন, একটি পক্ষ পরিকল্পিত ভাবে একটি সিএনজিতে কিছু দেশীয় অস্ত্র রেখে সিএনজি চালকদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এবং তাদের ওপর কোনো হামলা করা হয়নি।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানায়, একটি সিএনজি থেকে দেশীয় অস্ত্র ও গাড়ি আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বরগুনায় দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে হামলা
বরগুনায় দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে হামলা
বরগুনার আমতলীতে একটি সিএনজি থেকে দেশীয় অস্ত্র বড় ছুরি চাপাতি উদ্ধার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলায়- আহত দুজন। বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও একটি সিএনজি আটক করে আমতলী থানা পুলিশ।শনিবার দুপুর ১টার দিকে বাধঘাট চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজি ও মাহিন্দ্রা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। একাধিকবার উপজেলা প্রশাসন (ইউএনও) ও আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য দুই পক্ষের সাথে বসে আলোচনা করে মিলেমিশে থাকার সিদ্ধান্ত দেয়।শনিবার বাধঘাট চৌরাস্তা এলাকায় সিএনজি স্ট্যান্ডে নম্বর প্লেট বিহীন একটি গাড়ি থেকে বেশ কিছু দেশীয়
অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সিএনজি গাড়িটি ধারনা করা হয় শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিপন মোল্লার।এর কিছুক্ষণ পরে মাহিন্দ্রা ও সিএনজি সমার্থকদের মধ্যে হাতাহাতির (মারামারির) ঘটনা ঘটে। হাতাহাতির ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি ও পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মিল্টন হাওলাদার (৪২) এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য ও সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন (৩৮)।আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি ও পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মিল্টন হাওলাদার জানায়, আমাদের ওপর হামলা করতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সিএনজিতে রেখেছিলো আমরা টের পেয়ে
পুলিশকে জানাই এবং দেশীয় অস্ত্র গুলো পুলিশ উদ্ধার করে তারপরেই আমাদের উপর হামলা করে।সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন বলেন, পুলিশ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করার ক্ষিপ্ত হয়ে মিল্টন হাওলাদার কে মারধর করার সময়ে আমি ছাড়িয়ে নিতে গেলে আমাকেও মারধোর করে।শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাহাত ফকির বলেন, একটি পক্ষ পরিকল্পিত ভাবে একটি সিএনজিতে কিছু দেশীয় অস্ত্র রেখে সিএনজি চালকদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এবং তাদের ওপর কোনো হামলা করা হয়নি।এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানায়, একটি সিএনজি থেকে দেশীয় অস্ত্র ও গাড়ি আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত