দেশে বস্তি এলাকার মোট
জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
(ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অর্থনীতি
সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত।
তিনি
বলেছেন, দেশে বস্তি এলাকায় মোট জনগোষ্ঠীর ৮২ শতাংশ দরিদ্র। যা মোট জনগোষ্ঠীর
দারিদ্রের হিসাবে ৪১ শতাংশের কম নয়। যদিও সরকার বলছে- বস্তিবাসী ও বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীর ১৯ শতাংশ দরিদ্র। তারপরও অভিবাসন হচ্ছে। যাকে আমরা বলছি ‘গলাধাক্কা অভিবাসন’ হচ্ছে। এর কারণ
কাজ না পাওয়া, সঠিক সময়ে কৃষি ঋণ না পাওয়াসহ নানা কারণ
রয়েছে।
২৮
আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্যকালে এসব কথা
বলেন তিনি।
‘নগর দরিদ্র: বস্তিবাসী ও বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীর ভূমিতে অধিকার এবং নাগরিক সেবার অভিগম্যতা’
শীর্ষক ওই সেমিনারের যৌথ আয়োজন করে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম
অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (এএলআরডি) ও হিউম্যান ডেভলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (এইচডিআরসি)।
সেমিনারে
ড. আবুল বারকাত বলেন,
বস্তিতে থাকা মানুষের মাসিক আয় ১২ হাজার ৭৫০ টাকার বেশি নয়। যদিও
তাদের আয় নিয়ে সরকার অন্য কথা বলছেন। এসব বস্তিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের
নিজস্ব জমি নেই। কারও কারও গ্রামে সামান্য পরিমাণ আছে। এছাড়াও বস্তির মালিকদের
বস্তিবাসী হিসেবে দেখিয়ে তাদের আয় দেখানো হয়।
বস্তিবাসীর
জীবনের চিত্র তুলে ধরে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, খাদ্য ব্যয় এবং শিক্ষা ব্যয় কমাতে হচ্ছে, বস্তিবাসীর অন্য ব্যয় সংকুলান করতে। স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য,
শিক্ষাসহ অন্য বহু দরিদ্রতা বাড়ছে। নগর দরিদ্রদের ব্যাংক ঋণ নেই।
অন্যদিকে নগর দরিদ্রদের আমরা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলে আসছি। গ্রাম থেকে যে
অভিবাসন হচ্ছে তা নয়। গ্রাম থেকে ‘গলাধাক্কা অভিবাসন’
হচ্ছে। ৪৫ লাখ মানুষ এ অভিবাসনের শিকার।
বস্তি এলাকার ৮২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র
বস্তি এলাকার ৮২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র
দেশে বস্তি এলাকার মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত।তিনি বলেছেন, দেশে বস্তি এলাকায় মোট জনগোষ্ঠীর ৮২ শতাংশ দরিদ্র। যা মোট জনগোষ্ঠীর দারিদ্রের হিসাবে ৪১ শতাংশের কম নয়। যদিও সরকার বলছে- বস্তিবাসী ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ১৯ শতাংশ দরিদ্র। তারপরও অভিবাসন হচ্ছে। যাকে আমরা বলছি ‘গলাধাক্কা অভিবাসন’ হচ্ছে। এর কারণ কাজ না পাওয়া, সঠিক সময়ে কৃষি ঋণ না পাওয়াসহ নানা
কারণ রয়েছে।২৮ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন তিনি।‘নগর দরিদ্র: বস্তিবাসী ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ভূমিতে অধিকার এবং নাগরিক সেবার অভিগম্যতা’ শীর্ষক ওই সেমিনারের যৌথ আয়োজন করে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (এএলআরডি) ও হিউম্যান ডেভলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার (এইচডিআরসি)।সেমিনারে ড. আবুল বারকাত বলেন, বস্তিতে থাকা মানুষের মাসিক আয় ১২ হাজার ৭৫০ টাকার বেশি নয়। যদিও তাদের আয় নিয়ে সরকার অন্য কথা বলছেন। এসব বস্তিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের নিজস্ব জমি নেই। কারও
কারও গ্রামে সামান্য পরিমাণ আছে। এছাড়াও বস্তির মালিকদের বস্তিবাসী হিসেবে দেখিয়ে তাদের আয় দেখানো হয়। বস্তিবাসীর জীবনের চিত্র তুলে ধরে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, খাদ্য ব্যয় এবং শিক্ষা ব্যয় কমাতে হচ্ছে, বস্তিবাসীর অন্য ব্যয় সংকুলান করতে। স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য, শিক্ষাসহ অন্য বহু দরিদ্রতা বাড়ছে। নগর দরিদ্রদের ব্যাংক ঋণ নেই। অন্যদিকে নগর দরিদ্রদের আমরা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলে আসছি। গ্রাম থেকে যে অভিবাসন হচ্ছে তা নয়। গ্রাম থেকে ‘গলাধাক্কা অভিবাসন’ হচ্ছে। ৪৫ লাখ মানুষ এ অভিবাসনের শিকার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত