ঋণ পরিশোধে শিথিলতা থাকার পরও বিদায়ী বছরে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আরো প্রায় ৫০ হাজার ৩২৫ কোটি টাকার ব্যাংকঋণ খেলাপি ঋণের ঘরে পৌঁছানোর আগের ধাপে (এসএমএ) অবস্থান করছে। আগামী জুনের মধ্যে আদায় না হলেই সংশ্লিষ্ট ঋণখেলাপি ঋণের নিম্নস্তর অর্থাৎ নিম্নমানের (এসএস) খেলাপি ঋণের ঘরে চলে যাবে। গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ২৭৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ঋণের কিস্তি পর পর ছয় মাস পরিশোধ না হলে ওই ঋণ খেলাপি ঋণে পরিণত। এই খেলাপি ঋণের আগের স্তর হলো এসএমএ অর্থাৎ মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ। এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ ছয় মাস অতিক্রম করলেই তা খেলাপি ঋণে পরিণত হবে। খেলাপি ঋণ আবার তিন ধরনের হয়। ঋণের কিস্তি ছয় মাস অতিক্রম হলেই সেটি খেলাপি ঋণের নিম্নস্তর বা নিম্নমানের খেলাপি ঋণ হয়। ৯ মাস অতিক্রম হলেই ওই ঋণ সন্দেহজনক খেলাপি ঋণে পরিণত হয়। আর এক বছর পার হলেই তা মন্দ বা কুঋণ হয়। এসব ঋণ ব্যাংকিং খাতে আদায় অযোগ্য খেলাপি ঋণ বলা হয়। এ ধরনের ঋণ আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিরুদ্ধে ব্যাংকগুলোর মামলা করার অনুমোদন রয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব থেকে ব্যবসায়ীদের কিছুটা রেহাই দেয়ার জন্য গত দুই বছর ধরে আদায়ের শিথিলতা দেয়া হয়েছিল। প্রথম বছর পুরোপুরিই ঋণশ্রেণীকরণ থেকে ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ কেউ তার ঋণের এক টাকাও পরিশোধ না করলে খেলাপি করা যাবে না। এ সুযোগ ২০২০ সালের পুরো বছরই ছিল। পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এ শিথিলতা আংশিক তুলে নেয়া হয়। সর্বশেষ বলা হয়, গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া কিস্তির কেউ শুধুমাত্র ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলেই ঋণ নিয়মিত হয়ে যাবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নীতিমালা শিথিলের মধ্যেও বিদায়ী বছরে খেলাপি ঋণ আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এক লাখ তিন হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯১ হাজার কোটি টাকাই মন্দ ঋণ বা আদায় অযোগ্য ঋণ, যা মোট খেলাপি ঋণের ৮৮.১৭ শতাংশ।
ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা
ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা
ঋণ পরিশোধে শিথিলতা থাকার পরও বিদায়ী বছরে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আরো প্রায় ৫০ হাজার ৩২৫ কোটি টাকার ব্যাংকঋণ খেলাপি ঋণের ঘরে পৌঁছানোর আগের ধাপে (এসএমএ) অবস্থান করছে। আগামী জুনের মধ্যে আদায় না হলেই সংশ্লিষ্ট ঋণখেলাপি ঋণের নিম্নস্তর অর্থাৎ নিম্নমানের (এসএস) খেলাপি ঋণের ঘরে চলে যাবে। গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ২৭৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ঋণের কিস্তি পর পর ছয় মাস পরিশোধ না হলে ওই ঋণ খেলাপি ঋণে পরিণত। এই খেলাপি ঋণের
আগের স্তর হলো এসএমএ অর্থাৎ মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ। এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ ছয় মাস অতিক্রম করলেই তা খেলাপি ঋণে পরিণত হবে। খেলাপি ঋণ আবার তিন ধরনের হয়। ঋণের কিস্তি ছয় মাস অতিক্রম হলেই সেটি খেলাপি ঋণের নিম্নস্তর বা নিম্নমানের খেলাপি ঋণ হয়। ৯ মাস অতিক্রম হলেই ওই ঋণ সন্দেহজনক খেলাপি ঋণে পরিণত হয়। আর এক বছর পার হলেই তা মন্দ বা কুঋণ হয়। এসব ঋণ ব্যাংকিং খাতে আদায় অযোগ্য খেলাপি ঋণ বলা হয়। এ ধরনের ঋণ আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিরুদ্ধে ব্যাংকগুলোর মামলা করার অনুমোদন রয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব থেকে ব্যবসায়ীদের কিছুটা রেহাই দেয়ার জন্য গত দুই বছর ধরে আদায়ের শিথিলতা দেয়া হয়েছিল। প্রথম বছর
পুরোপুরিই ঋণশ্রেণীকরণ থেকে ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ কেউ তার ঋণের এক টাকাও পরিশোধ না করলে খেলাপি করা যাবে না। এ সুযোগ ২০২০ সালের পুরো বছরই ছিল। পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এ শিথিলতা আংশিক তুলে নেয়া হয়। সর্বশেষ বলা হয়, গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া কিস্তির কেউ শুধুমাত্র ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলেই ঋণ নিয়মিত হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নীতিমালা শিথিলের মধ্যেও বিদায়ী বছরে খেলাপি ঋণ আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এক লাখ তিন হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯১ হাজার কোটি টাকাই মন্দ ঋণ বা আদায় অযোগ্য ঋণ, যা মোট খেলাপি ঋণের ৮৮.১৭ শতাংশ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত