মইনুল ইসলাম মিতুল : প্রশিক্ষিত ও মাদকমুক্ত একজন চালক নিরাপদ সড়ক ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পারেন উল্লেখ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেছেন, একজন চালকের হাতে ৪০-৫০ জন যাত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকে। তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর নির্ভর করে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা। ফলে চালকের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিতে মাদকমুক্ত থাকা জরুরি।
খিলক্ষেত জোয়ারসাহারা বাস ডিপো ও ট্রেনিং সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
চালকদের ‘চোখের সমস্যা’কে সড়ক দুর্ঘটনার বড় কারণ বলে মন্তব্য করে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, আমাদের দেশের চালকরা তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন নয়। তাদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে চালকদের চোখের সমস্যা নিয়ে তারা গাড়ি চালান। এটি সড়ক দুর্ঘটনার একটি অন্যতম কারণ।
তিনি বলেন, অনেক চালক অতিরিক্ত আয়ের আশায় ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেন। হয়তো পরিবারের জন্য এত পরিশ্রম করেন। তবে তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চালক যদি না বাঁচে। তাহলে এই টাকা দিয়ে কি হবে। তখন তার পরিবারকে কে দেখবে!
বিআরটিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, চালকদের মাদকমুক্ত ও স্বাস্থ্য সচেতন করতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহযোগিতায় আজকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম ও মাদক ব্যবহারের ক্ষতি বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে চালকরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে বলে আমি মনে করি।
চালকের হাতেই যাত্রীর নিরাপত্তা
চালকের হাতেই যাত্রীর নিরাপত্তা
মইনুল ইসলাম মিতুল : প্রশিক্ষিত ও মাদকমুক্ত একজন চালক নিরাপদ সড়ক ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পারেন উল্লেখ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেছেন, একজন চালকের হাতে ৪০-৫০ জন যাত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকে। তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর নির্ভর করে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা। ফলে চালকের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিতে মাদকমুক্ত থাকা জরুরি।খিলক্ষেত জোয়ারসাহারা বাস ডিপো ও ট্রেনিং সেন্টারে
এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।চালকদের ‘চোখের সমস্যা’কে সড়ক দুর্ঘটনার বড় কারণ বলে মন্তব্য করে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, আমাদের দেশের চালকরা তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন নয়। তাদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে চালকদের চোখের সমস্যা নিয়ে তারা গাড়ি চালান। এটি সড়ক দুর্ঘটনার একটি অন্যতম কারণ।তিনি বলেন, অনেক চালক অতিরিক্ত আয়ের আশায় ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেন। হয়তো
পরিবারের জন্য এত পরিশ্রম করেন। তবে তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চালক যদি না বাঁচে। তাহলে এই টাকা দিয়ে কি হবে। তখন তার পরিবারকে কে দেখবে!বিআরটিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, চালকদের মাদকমুক্ত ও স্বাস্থ্য সচেতন করতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহযোগিতায় আজকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম ও মাদক ব্যবহারের ক্ষতি বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে চালকরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে বলে আমি মনে করি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত