লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে দাবি করা চাঁদার টাকা না পাওয়ায় অটোচালকের বসতঘরে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় সন্ত্রাসীদের বাধাদিতে গিয়ে নারী-পুরুষসহ ৬ জন আহত। স্থানীয় আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ৭ নম্বর ওয়াডে এ ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা ওই বাড়ী থেকে নগদ ৮ লাখ টাকাসহ ১২ লক্ষ টাকার মালামাল ছিনিয়ে নিয়েছে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের ।
জানা গেছে, ত্রাসের জনপথ সদর উপজেলার বশিকপুরে সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে নতুন করে পাকা ঘর তুলতে দিতে হয় চাঁদা। স্বৈরাচার সরকার পতনের পর এসব আওয়ামী পন্থী চাঁদাবাজ গা ঢাকা দিয়েছিল।এতোদিন অনেকেই ভয়ে বাড়ি-ঘর না তুলল্লেও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা নেই এমন বিশ্বাসে পাকা ঘর তৈরি কাজ ধরেন সদর উপজেলার বশিকপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিন ও তার সন্তান অটোচালক শাফায়াত। সন্ত্রাসীদের নজরে আসলে তারা এলাকায় ফিরে এসে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চাঁদা দাবী করে এমন দাবী ক্ষতিগ্রস্তসহ এলাকাবাসীর।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতে বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে বশিকপুর। তাই সন্ধ্যার মধ্যে ঘরে ফেরার তাড়া থাকে সবার। এখন সন্ধ্যার পর থেকে বের হতে পারেন না তারা। বাজার জমজমাট থাকত রাত ১টা পর্যন্ত। এখন সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। সবার মধ্যে চাপা আতঙ্ক কাজ করে, কখন কী হয়!

হামলায় আহত নাসির উদ্দিন জানান, অন্য বাহিনীর মতো কাজ করছে সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ বাহিনী । এতোদিন এ বাহিনীর লোকজন চাঁদা আদায় করতো । কিছু দিন তাদের সন্ন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ থাকলে ও কয়েকনি ধরে তারা নতুন করে এলাকায় এ বাহিনী ও সদস্যরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে দিয়েছে । নীজ জায়গায় পাকা ঘর তুলেতেই তাদের নজরে আসে তাদের। সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ বাহিনী দাবী করেন ৫০ হাজার টাকা চাঁদা । দিতে অস্বীকার করাতে ক্ষিপ্ত হয় এ বাহিনীসদস্যরা। তাদের হামলায় তিনিসহ তার বাবা শাহাবুদ্দিন ,ভাই শাফায়াত,মা শিরিন আক্তারসহ তাদের পরিবারের ৬ জন আহত হয়।
হামলাকারীরা ভাড়ি ঘর ভাংচুরসহ অটোরিকসাটিও ভাংচুর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় সন্ত্রাসীরা । জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ এলাকার এক নম্বর ত্রাস। তার রয়েছে ২০/২৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী। সন্ধ্যার পর বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ বাহিনী তাদের ঘরে থাকা নগদ টাকা১২ লাখ টাকার মালামালসহ মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। বাধাঁদিতে দিতে গিয়ে হামলা ও মাধরের শিকার হন তারা। এ ঘটনায় শুষ্টু বিচার দাবী করেছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তিন দশক ধরে ত্রাসের রাজত্ব চলছে বশিকপুরে। মানুষ দিনের পর দিন নৃশংস ঘটনা দেখে অনেকটাই বোবা হয়ে গেছে। তারা অনেক কিছু দেখেও দেখত না। শুনেও শুনত না। তবে সম্প্রতি জোড়া খুনের পর বশিকপুরের মানুষ মুখ খুলতে শুরু করেছে। অনেকে মুখ না খুললেও চাইছেন এই অরাজকতার অবসান।
লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সমাজকর্মী মাইন উদ্দিন পাঠান বলেন, ‘বিভিন্ন সময় ক্ষমতাধর রাজনীতিকেরা নিজেদের প্রয়োজনে বাহিনীগুলো তৈরি করেছেন। এই সমস্যা নিরসনের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার দরকার। রাজনৈতিক দলগুলো শুদ্ধ না হলে প্রশাসনের কিছু করার থাকে না।’
এদিকে হামলা ও মালামাল লুটের ঘটনায় অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গীর, শাহাদাত ও মাকসুদ।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি কায়সার হামিদ বলেন,ঘটনাটি তিনি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। পারিবারিক বিরোধে না সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দত্তপাড়া পুলিশের তদন্তটিম কাজ করছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাতে ও দিনে ওই এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মামলা হয়নি বলে জানান তিনি।
চাঁদা না পেয়ে অটোচালকের বসতঘরে হামলা, লুটপাট আহত ৬
চাঁদা না পেয়ে অটোচালকের বসতঘরে হামলা, লুটপাট আহত ৬
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে দাবি করা চাঁদার টাকা না পাওয়ায় অটোচালকের বসতঘরে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় সন্ত্রাসীদের বাধাদিতে গিয়ে নারী-পুরুষসহ ৬ জন আহত। স্থানীয় আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ৭ নম্বর ওয়াডে এ ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা ওই বাড়ী থেকে নগদ ৮ লাখ টাকাসহ ১২ লক্ষ টাকার মালামাল ছিনিয়ে নিয়েছে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের ।জানা গেছে, ত্রাসের জনপথ সদর উপজেলার বশিকপুরে সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে নতুন করে পাকা ঘর তুলতে দিতে হয় চাঁদা। স্বৈরাচার সরকার পতনের পর এসব আওয়ামী পন্থী চাঁদাবাজ গা ঢাকা দিয়েছিল।এতোদিন অনেকেই ভয়ে বাড়ি-ঘর না তুলল্লেও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা নেই এমন বিশ্বাসে পাকা ঘর তৈরি কাজ ধরেন সদর উপজেলার বশিকপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিন ও তার সন্তান অটোচালক শাফায়াত। সন্ত্রাসীদের নজরে আসলে তারা এলাকায় ফিরে এসে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চাঁদা দাবী করে এমন দাবী ক্ষতিগ্রস্তসহ এলাকাবাসীর।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতে বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে বশিকপুর। তাই সন্ধ্যার মধ্যে ঘরে ফেরার তাড়া থাকে সবার। এখন সন্ধ্যার পর থেকে বের হতে পারেন না তারা। বাজার জমজমাট থাকত রাত ১টা
পর্যন্ত। এখন সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। সবার মধ্যে চাপা আতঙ্ক কাজ করে, কখন কী হয়!হামলায় আহত নাসির উদ্দিন জানান, অন্য বাহিনীর মতো কাজ করছে সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ বাহিনী । এতোদিন এ বাহিনীর লোকজন চাঁদা আদায় করতো । কিছু দিন তাদের সন্ন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ থাকলে ও কয়েকনি ধরে তারা নতুন করে এলাকায় এ বাহিনী ও সদস্যরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে দিয়েছে । নীজ জায়গায় পাকা ঘর তুলেতেই তাদের নজরে আসে তাদের। সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ বাহিনী দাবী করেন ৫০ হাজার টাকা চাঁদা । দিতে অস্বীকার করাতে ক্ষিপ্ত হয় এ বাহিনীসদস্যরা। তাদের হামলায় তিনিসহ তার বাবা শাহাবুদ্দিন ,ভাই শাফায়াত,মা শিরিন আক্তারসহ তাদের পরিবারের ৬ জন আহত হয়। হামলাকারীরা ভাড়ি ঘর ভাংচুরসহ অটোরিকসাটিও ভাংচুর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় সন্ত্রাসীরা । জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ এলাকার এক নম্বর ত্রাস। তার রয়েছে ২০/২৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী। সন্ধ্যার পর বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর শাহাদাত মাকসুদ বাহিনী তাদের ঘরে থাকা নগদ টাকা১২ লাখ টাকার মালামালসহ মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। বাধাঁদিতে দিতে গিয়ে
হামলা ও মাধরের শিকার হন তারা। এ ঘটনায় শুষ্টু বিচার দাবী করেছেন তারা।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তিন দশক ধরে ত্রাসের রাজত্ব চলছে বশিকপুরে। মানুষ দিনের পর দিন নৃশংস ঘটনা দেখে অনেকটাই বোবা হয়ে গেছে। তারা অনেক কিছু দেখেও দেখত না। শুনেও শুনত না। তবে সম্প্রতি জোড়া খুনের পর বশিকপুরের মানুষ মুখ খুলতে শুরু করেছে। অনেকে মুখ না খুললেও চাইছেন এই অরাজকতার অবসান।লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সমাজকর্মী মাইন উদ্দিন পাঠান বলেন, ‘বিভিন্ন সময় ক্ষমতাধর রাজনীতিকেরা নিজেদের প্রয়োজনে বাহিনীগুলো তৈরি করেছেন। এই সমস্যা নিরসনের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার দরকার। রাজনৈতিক দলগুলো শুদ্ধ না হলে প্রশাসনের কিছু করার থাকে না।’ এদিকে হামলা ও মালামাল লুটের ঘটনায় অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গীর, শাহাদাত ও মাকসুদ। চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি কায়সার হামিদ বলেন,ঘটনাটি তিনি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। পারিবারিক বিরোধে না সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দত্তপাড়া পুলিশের তদন্তটিম কাজ করছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাতে ও দিনে ওই এলাকায় পুলিশ টহল জোরদার রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মামলা হয়নি বলে জানান তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত