এম রহমান :
( তিন পর্বের ধারাবাহিকের - ১ম পর্ব )
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) মো. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।
২০১১ সালে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) হিসেবে বিআরটিএতে যোগদানের পর তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সার্কেল ও মেট্রো অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) পদে পদোন্নতি পান।
তাঁর কর্মজীবন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৩ বছরের মেয়াদ পূর্ণ না করেই তিনি বদলি নিয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, তিনি বিশেষ ক্ষমতার মাধ্যমে নিজের পছন্দমতো সার্কেল বদল করেছেন, যা নিয়মের বিরুদ্ধে।
রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অবৈধভাবে সিএনজির লাইসেন্স ইস্যু এবং বড় পরিমাণে সম্পদ সঞ্চয়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঘুষের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বদলিতেও প্রভাব রেখেছেন।
উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলাম পরিচয় দিতেন সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী ইঞ্জি. মোশারফ হোসেন তার চাচা, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের শশুর ছিলেন। এছাড়াও সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরী তার অত্যান্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাদের প্রভাবের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলাম নিজস্ব ক্ষমতার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ইঞ্জি. মোশারফ হোসাইনকে কোনোদিন চোখে দেখেননি এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কখনো ছিলোনা।
কর্মজীবনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
সদর কার্যালয়: সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) – ৩ মাস ১৩ দিন
পাবনা সার্কেল অফিস – ১ বছর ৫ মাস ২৫ দিন
চট্টগ্রাম সার্কেল – ১ বছর ৫ দিন
সদর কার্যালয়: সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) – ৪ মাস ১৭ দিন
বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়: উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) – ৯ মাস ১৪ দিন
সদর কার্যালয়: উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) – চলমান
( তিন পর্বের ধারাবাহিকের - ১ম পর্ব )
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) মো. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।
২০১১ সালে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) হিসেবে বিআরটিএতে যোগদানের পর তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সার্কেল ও মেট্রো অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) পদে পদোন্নতি পান।
তাঁর কর্মজীবন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৩ বছরের মেয়াদ পূর্ণ না করেই তিনি বদলি নিয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, তিনি বিশেষ ক্ষমতার মাধ্যমে নিজের পছন্দমতো সার্কেল বদল করেছেন, যা নিয়মের বিরুদ্ধে।
রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অবৈধভাবে সিএনজির লাইসেন্স ইস্যু এবং বড় পরিমাণে সম্পদ সঞ্চয়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঘুষের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বদলিতেও প্রভাব রেখেছেন।
উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলাম পরিচয় দিতেন সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী ইঞ্জি. মোশারফ হোসেন তার চাচা, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের শশুর ছিলেন। এছাড়াও সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরী তার অত্যান্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাদের প্রভাবের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলাম নিজস্ব ক্ষমতার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ইঞ্জি. মোশারফ হোসাইনকে কোনোদিন চোখে দেখেননি এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কখনো ছিলোনা।
কর্মজীবনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
সদর কার্যালয়: সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) – ৩ মাস ১৩ দিন
পাবনা সার্কেল অফিস – ১ বছর ৫ মাস ২৫ দিন
চট্টগ্রাম সার্কেল – ১ বছর ৫ দিন
সদর কার্যালয়: সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) – ৪ মাস ১৭ দিন
বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়: উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) – ৯ মাস ১৪ দিন
সদর কার্যালয়: উপ-পরিচালক (ইঞ্জি) – চলমান