তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, চলচ্চিত্র কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাধারা ও মনোজগৎ নির্মাণের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। তিনি বলেন, একটি সৃষ্টিশীল কাজ, হোক তা চলচ্চিত্র বা বই, মানুষের চিন্তায় গভীর পরিবর্তন বা প্যারাডাইম শিফট ঘটাতে সক্ষম।
সোমবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে সত্যজিৎ রায় উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস ঐতিহ্য পরিষদ ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনের যৌথ উদ্যোগে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, কমিউনিকেশন ও সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সমাজে মানুষের মনোজগৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের কাজের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের চিন্তার কাঠামো তৈরি হয় এবং সমাজে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম হয়।
তিনি আরো বলেন, উপমহাদেশের ইতিহাস, বিশেষ করে ১৯৪৭-এর ভারত ভাগ আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামগ্রিক চিন্তাজগতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তবে এই ঐতিহাসিক প্রভাব যেন চিন্তার স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ না করে, সে বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জহির উদ্দিন স্বপন ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং তরুণদের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
তথ্যমন্ত্রী সত্যজিৎ রায়ের মানবিকতা ও মুক্তচিন্তার দর্শন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে এই মূল্যবোধকে ধারণ ও চর্চা করার মাধ্যমে সমাজকে আরো এগিয়ে নিতে সৃষ্টিশীল ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বাড়ে, চলচ্চিত্র গবেষক অধ্যাপক মঈন উদ্দিন খালেদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভির মোকাম্মেল, অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকির আহমেদ ও চলচ্চিত্র বিশ্লেষক বিধান রিবেরু।
এর আগে তথ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে সত্যজিৎ রায়ের ওপর অঙ্কিত চিত্রকর্মের প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ চলচ্চিত্রপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
চলচ্চিত্র মানুষের মনোজগৎ গঠনের শক্তিশালী মাধ্যম
চলচ্চিত্র মানুষের মনোজগৎ গঠনের শক্তিশালী মাধ্যম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, চলচ্চিত্র কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাধারা ও মনোজগৎ নির্মাণের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। তিনি বলেন, একটি সৃষ্টিশীল কাজ, হোক তা চলচ্চিত্র বা বই, মানুষের চিন্তায় গভীর পরিবর্তন বা প্যারাডাইম শিফট ঘটাতে সক্ষম।সোমবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে সত্যজিৎ রায় উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস ঐতিহ্য পরিষদ ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনের যৌথ উদ্যোগে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।মন্ত্রী বলেন, কমিউনিকেশন ও সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সমাজে মানুষের মনোজগৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করেন। তাদের কাজের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের চিন্তার কাঠামো তৈরি হয় এবং সমাজে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম হয়।তিনি আরো বলেন, উপমহাদেশের ইতিহাস, বিশেষ করে ১৯৪৭-এর ভারত ভাগ আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামগ্রিক চিন্তাজগতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তবে এই ঐতিহাসিক প্রভাব যেন চিন্তার স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ না করে, সে বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।জহির উদ্দিন স্বপন ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং তরুণদের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।তথ্যমন্ত্রী সত্যজিৎ রায়ের মানবিকতা ও মুক্তচিন্তার দর্শন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে
সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে এই মূল্যবোধকে ধারণ ও চর্চা করার মাধ্যমে সমাজকে আরো এগিয়ে নিতে সৃষ্টিশীল ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বাড়ে, চলচ্চিত্র গবেষক অধ্যাপক মঈন উদ্দিন খালেদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভির মোকাম্মেল, অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকির আহমেদ ও চলচ্চিত্র বিশ্লেষক বিধান রিবেরু।এর আগে তথ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে সত্যজিৎ রায়ের ওপর অঙ্কিত চিত্রকর্মের প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ চলচ্চিত্রপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত