লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ঃ
লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতাল টি অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। রোগীদের অভিযোগ তাদের কে সঠিক সময় চিকিৎসা দিচ্ছেন না হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নার্স গান। তাছাড়া অভিযোগ উঠছে রোগীদের ওয়াশরুমের কোন সঠিক ব্যবস্থা নেই। মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীরা তারা টয়লেট ব্যবহার করতে পারছেন না। হাসপাতালটির ডক্টরস কোয়ার্টারে থাকেন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। এ বিষয়ে লালপুরের সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার রমজান আলীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ উঠছে একবারে নিম্নমানের খাবার পাচ্ছেন তারা হাসপাতাল থেকে। দীর্ঘদিন যাবৎ এই ১০০ শয্যার হাসপাতালে যে কমিটি রয়েছে প্রায় এক বছর যাবত কোন মিটিং হয়নি। এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তিনি এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছেন না । এছাড়াও উক্ত হাসপাতালে কেউ কেউ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা না দিয়ে শুধুমাত্র হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন তাও আবার কয়েকদিন বাদে এসে একদিন স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠছে। তবে হাসপাতাল সূত্রের অনেকেই জানিয়েছেন এই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ওকে সোনা গরম আছে তাও তারা সঠিক জানিনা। অপরদিকে হাসপাতালে কর্মরত প্রায় ৩৫ জন মাস্টাররোল কর্মচারী তাদের সম্মানী ভাতা প্রায় দুই বছর যাবৎ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এখানে অর্থোপেডিক ও সার্জারি বিভাগে র চিকিৎসকের সেবায় কিছুসংখ্যক রোগীরা মোটামুটি সেবা পাচ্ছেন মর্মে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী একথা নিশ্চিত করেন। তবে অন্যান্য গুরুতর রোগীরা এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে তাদেরকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ অথবা ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ প্রদানের অভিযোগ উঠছে। প্রায় ১৮ লাখ মানুষের বসবাস লালমনিরহাট জেলায় তাদের জেলা সদরে হাসপাতালটির অব্যবস্থাপনা দেখে হতাশ স্থানীয় সচেতন মহল।
চরম অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চলছে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল
চরম অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চলছে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ঃলালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতাল টি অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। রোগীদের অভিযোগ তাদের কে সঠিক সময় চিকিৎসা দিচ্ছেন না হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নার্স গান। তাছাড়া অভিযোগ উঠছে রোগীদের ওয়াশরুমের কোন সঠিক ব্যবস্থা নেই। মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীরা তারা টয়লেট ব্যবহার করতে পারছেন না। হাসপাতালটির ডক্টরস কোয়ার্টারে থাকেন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। এ বিষয়ে লালপুরের সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার রমজান আলীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ উঠছে একবারে নিম্নমানের খাবার
পাচ্ছেন তারা হাসপাতাল থেকে। দীর্ঘদিন যাবৎ এই ১০০ শয্যার হাসপাতালে যে কমিটি রয়েছে প্রায় এক বছর যাবত কোন মিটিং হয়নি। এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তিনি এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছেন না । এছাড়াও উক্ত হাসপাতালে কেউ কেউ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা না দিয়ে শুধুমাত্র হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন তাও আবার কয়েকদিন বাদে এসে একদিন স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠছে। তবে হাসপাতাল সূত্রের অনেকেই জানিয়েছেন এই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ওকে সোনা গরম আছে তাও তারা সঠিক জানিনা। অপরদিকে হাসপাতালে
কর্মরত প্রায় ৩৫ জন মাস্টাররোল কর্মচারী তাদের সম্মানী ভাতা প্রায় দুই বছর যাবৎ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।এখানে অর্থোপেডিক ও সার্জারি বিভাগে র চিকিৎসকের সেবায় কিছুসংখ্যক রোগীরা মোটামুটি সেবা পাচ্ছেন মর্মে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী একথা নিশ্চিত করেন। তবে অন্যান্য গুরুতর রোগীরা এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে তাদেরকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ অথবা ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ প্রদানের অভিযোগ উঠছে। প্রায় ১৮ লাখ মানুষের বসবাস লালমনিরহাট জেলায় তাদের জেলা সদরে হাসপাতালটির অব্যবস্থাপনা দেখে হতাশ স্থানীয় সচেতন মহল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত