মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ
যার দায়িত্ব সে দায়িত্ব পালন না করে অন্যকে দিয়ে সেই কাজ করানোর কারণে হ্যাঙ্গার ও পার্কিং বেতে বাংলাদেশ বিমানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বলে জানিয়েছেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বিমানকে পার্কিং বে তে নিয়ে আসার জন্য পুশাকটের নির্দেশনা একজন সুইপার করছিলেন। যারা দায়িত্ব পালন করেননি তাদের সবাইকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, তার লক্ষ্য বিমানের বার্ষিক আয় ৭০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নিত করা।
দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের গাফিলতিতেই একের পর এক এয়ারক্রাফটে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিমানবন্দরে। স্বীকার করলেন খোদ বিমান এমডি ই। বলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যে কটি ঘটনা ঘটেছে সবগুলোতেই দোষী সবাইকেই বরখাস্ত করা হয়েছে। এসময় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমানের লাভ করা উচিত ছিলো জানিয়ে বিমান এমডি বলেন, চলতি বছর স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি লাভের মুখ দেখবে সংস্থাটি।
কখনো হ্যাঙ্গারে, কখনো থেমে থাকা এয়ারক্রাফটে, শেষ ৫ মাসে ৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে শাহজালাল বিমানবন্দরে। সবশেষ গত ৩ জুলাই রাতে বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে সংঘর্ষ ঘটে দুটি বোয়িং বিমানের মধ্যে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বার বার এমন ঘটনা কি নিছক ই দুর্ঘটনা নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা, তা নিয়ে।
এবার এই ইস্যুতে বেশ খোলামেলা বিমানের নতুন এমডি। বলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরাসরি দায়ী করলেন, দুর্ঘটনার সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের। দোষী সবাইকেই বহিস্কার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষ জনবলের অভাবে ভুগছে বিমান।
সংবাদ সম্মেলনে বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সেবার নিম্ন মান, আর ধারাবাহিক লোকসানের অভিযোগ স্বীকার করেন বিমান এমডি। এসময় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাভের মুখ দেখতে না পারার ব্যর্থতা মেনে নিয়ে সংস্থাটির দাবি, চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ অর্থ উপার্জন করবে বিমান।
বিমানে যার যে কাজ করার কথা, এর আগে কেউ তা করেনি। পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা ছিলো বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানায় সংস্থাটি।
দায়িত্ব অবহেলায় বিমানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
দায়িত্ব অবহেলায় বিমানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
মইনুল ইসলাম মিতুল ঃযার দায়িত্ব সে দায়িত্ব পালন না করে অন্যকে দিয়ে সেই কাজ করানোর কারণে হ্যাঙ্গার ও পার্কিং বেতে বাংলাদেশ বিমানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বলে জানিয়েছেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বিমানকে পার্কিং বে তে নিয়ে আসার জন্য পুশাকটের নির্দেশনা একজন সুইপার করছিলেন। যারা দায়িত্ব পালন করেননি তাদের সবাইকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, তার লক্ষ্য বিমানের বার্ষিক আয় ৭০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নিত করা।দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের গাফিলতিতেই একের পর এক এয়ারক্রাফটে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিমানবন্দরে। স্বীকার
করলেন খোদ বিমান এমডি ই। বলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যে কটি ঘটনা ঘটেছে সবগুলোতেই দোষী সবাইকেই বরখাস্ত করা হয়েছে। এসময় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমানের লাভ করা উচিত ছিলো জানিয়ে বিমান এমডি বলেন, চলতি বছর স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি লাভের মুখ দেখবে সংস্থাটি।কখনো হ্যাঙ্গারে, কখনো থেমে থাকা এয়ারক্রাফটে, শেষ ৫ মাসে ৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে শাহজালাল বিমানবন্দরে। সবশেষ গত ৩ জুলাই রাতে বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে সংঘর্ষ ঘটে দুটি বোয়িং বিমানের মধ্যে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বার বার এমন ঘটনা কি নিছক ই দুর্ঘটনা নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা, তা নিয়ে।এবার এই ইস্যুতে
বেশ খোলামেলা বিমানের নতুন এমডি। বলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরাসরি দায়ী করলেন, দুর্ঘটনার সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের। দোষী সবাইকেই বহিস্কার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষ জনবলের অভাবে ভুগছে বিমান।সংবাদ সম্মেলনে বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সেবার নিম্ন মান, আর ধারাবাহিক লোকসানের অভিযোগ স্বীকার করেন বিমান এমডি। এসময় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাভের মুখ দেখতে না পারার ব্যর্থতা মেনে নিয়ে সংস্থাটির দাবি, চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ অর্থ উপার্জন করবে বিমান।বিমানে যার যে কাজ করার কথা, এর আগে কেউ তা করেনি। পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা ছিলো বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানায় সংস্থাটি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত