জলবায়ু
পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে মশার একাধিক বিপজ্জনক প্রজাতির বংশ বিস্তার এবং ডেঙ্গু
ও চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ব্যাপক হারে বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক করেছে
ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (ইসিডিসি)।
মার্কিন
বার্তাসংস্থা এপি’র এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
ইসিডিসির
সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ ও প্রলম্বিত গ্রীষ্মকাল এবং ঝড়-বৃষ্টি-বন্যার
কারণে এডিস অ্যালবোপিকটাস, এডিস এজিপ্টি প্রজাতির মশার বিস্তারের জন্য বিশেষভাবে
উপযোগী। যদি আবহাওয়ার এই অবস্থা সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকে সেক্ষেত্রে
বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু, পীতজ্বর, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের বিস্তার বাড়বে। ২০১৩ সালে ইউরোপের
আটটি দেশের ১১৪টি অঞ্চলে প্রথম এডিস মশার এই দুই প্রজাতি শনাক্ত হয়। আর চলতি বছরে
১৩টি দেশের ৩৩৭টি এলাকায় প্রজাতি দুটি শনাক্ত হয়।
ইসিডিসির
পরিচালক আন্দ্রেয়া অ্যামন বলেন, যদি এডিস মশার এই দুই প্রজাতির বিস্তার অব্যাহত
থাকে, সেক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পীতজ্বরে আক্রান্ত রোগী
এবং এসব রোগে মৃত্যু বাড়বে।
তিনি
বলেন, আমাদের এখনই উচিত মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। পানি
জমতে না দেওয়া, পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ব্যবহার করা, ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার,
শরীরের অধিকাংশ অংশ ঢেকে রাখে ও মশা নিরোধক মলম বা ক্রিম ব্যবহার করা। পাশাপাশি
এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির ঝুঁকি
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির ঝুঁকি
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে মশার একাধিক বিপজ্জনক প্রজাতির বংশ বিস্তার এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ব্যাপক হারে বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক করেছে ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (ইসিডিসি)।মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি’র এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।ইসিডিসির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ ও প্রলম্বিত গ্রীষ্মকাল এবং ঝড়-বৃষ্টি-বন্যার কারণে এডিস অ্যালবোপিকটাস, এডিস এজিপ্টি প্রজাতির মশার বিস্তারের
জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। যদি আবহাওয়ার এই অবস্থা সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকে সেক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু, পীতজ্বর, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের বিস্তার বাড়বে। ২০১৩ সালে ইউরোপের আটটি দেশের ১১৪টি অঞ্চলে প্রথম এডিস মশার এই দুই প্রজাতি শনাক্ত হয়। আর চলতি বছরে ১৩টি দেশের ৩৩৭টি এলাকায় প্রজাতি দুটি শনাক্ত হয়।ইসিডিসির পরিচালক আন্দ্রেয়া অ্যামন বলেন, যদি এডিস মশার এই দুই প্রজাতির বিস্তার অব্যাহত
থাকে, সেক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পীতজ্বরে আক্রান্ত রোগী এবং এসব রোগে মৃত্যু বাড়বে। তিনি বলেন, আমাদের এখনই উচিত মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। পানি জমতে না দেওয়া, পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ব্যবহার করা, ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার, শরীরের অধিকাংশ অংশ ঢেকে রাখে ও মশা নিরোধক মলম বা ক্রিম ব্যবহার করা। পাশাপাশি এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত