ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার কথা তার চেয়ে অনেক সময় পরে দেশে দেখা দিচ্ছে এই রোগ। বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরে যে লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তা সচরাচর লক্ষণের মত নয় অর্থাৎ এর উপসর্গে পরিবর্তন এসে গেছে। আর এই বিষয়গুলোই ভাবিয়ে তুলেছে চিকিৎসকদের। ডেঙ্গুর যথাযথ চিকিৎসা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তারা।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত তিন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ডায়রিয়া ও কাশির মত উপসর্গও দেখা গেছে। ফলে রোগী ডেঙ্গু জ্বরে নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তা বুঝে উঠতে দুই ধরনের পরীক্ষাই করাতে হচ্ছে। এতে রোগীদের ব্যয় বাড়ছে, যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে সময় নিতে হচ্ছে এবং রোগী কষ্ট পাচ্ছেন।
চিকিৎসকরা আরও জানান, আগের বছরগুলোতে সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর- এই চার মাস ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপ বেশি থাকত। অক্টোবর মাসে রোগী কমতে শুরু করত। কিন্তু এ বছর এ চিত্র পাল্টে গেছে। এ বছর অক্টোবরে নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেপ্টেম্বরের তুলনায় তিনগুণ।
এ বছর অসময়ে বৃষ্টি এই রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টির পাশাপাশি শুকনো মৌসুমের শুরুতে বাড়তি আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা অনুকূলে থাকা এবং প্রাণীদেহের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর উপযুক্ত ক্ষেত্র থাকার কারণে এই অসময়েও সংক্রমণ বেড়ে গেছে বলে তাদের ধারণা।
ডেঙ্গু নিয়ে চিন্তিত ডাক্তাররা
ডেঙ্গু নিয়ে চিন্তিত ডাক্তাররা
ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার কথা তার চেয়ে অনেক সময় পরে দেশে দেখা দিচ্ছে এই রোগ। বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরে যে লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তা সচরাচর লক্ষণের মত নয় অর্থাৎ এর উপসর্গে পরিবর্তন এসে গেছে। আর এই বিষয়গুলোই ভাবিয়ে তুলেছে চিকিৎসকদের। ডেঙ্গুর যথাযথ চিকিৎসা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তারা।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত তিন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ডায়রিয়া ও কাশির মত উপসর্গও
দেখা গেছে। ফলে রোগী ডেঙ্গু জ্বরে নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তা বুঝে উঠতে দুই ধরনের পরীক্ষাই করাতে হচ্ছে। এতে রোগীদের ব্যয় বাড়ছে, যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে সময় নিতে হচ্ছে এবং রোগী কষ্ট পাচ্ছেন।চিকিৎসকরা আরও জানান, আগের বছরগুলোতে সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর- এই চার মাস ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপ বেশি থাকত। অক্টোবর মাসে রোগী কমতে শুরু করত। কিন্তু
এ বছর এ চিত্র পাল্টে গেছে। এ বছর অক্টোবরে নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেপ্টেম্বরের তুলনায় তিনগুণ।এ বছর অসময়ে বৃষ্টি এই রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টির পাশাপাশি শুকনো মৌসুমের শুরুতে বাড়তি আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা অনুকূলে থাকা এবং প্রাণীদেহের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর উপযুক্ত ক্ষেত্র থাকার কারণে এই অসময়েও সংক্রমণ বেড়ে গেছে বলে তাদের ধারণা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত