দেশে
মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটানো প্রধান জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের বেশিরভাগ
অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে গেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে,
এর প্রথম ও প্রধান কারণ অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে
তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার
ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়। গত দেড় বছরে (জানুয়ারি
২০২২-জুন ২০২৩) রাজধানীসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিতে আসা ৭২ হাজার ৬৭০ জন
রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এই গবেষণা করে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগ।
অনুষ্ঠানে
বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয়
পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। অযাচিত
অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানুষ এখন প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। দেশে প্রতি বছর ১ লাখ ৭০
হাজার মানুষ মারা যায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে। এ অবস্থা চলতে থাকলে
আগামী ২০৫০ সালে গিয়ে দেখা যাবে করোনার থেকেও বেশি রোগী মারা যাবে অ্যান্টিবায়োটিক
রেজিস্টেন্সের কারণে।
হাসপাতালে
দর্শনার্থীরা রোগীদের দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, অনেক সময়
দেখা যায় রোগীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে সাধারণ মানুষও রোগী হয়ে যায়। এটিকে ক্রস
ইনফেকশন বলে। এজন্য হাসপাতালে রোগী দেখতে গেলে একটু দূরে থেকে দেখতে হবে ও দ্রুত
হাসপাতাল থেকে চলে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে
গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক
ডা. মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন, বিশ্বে ২০১৯ সালে ব্যাকটেরিয়াজনিত
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্সে প্রায় ১৩ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় একই
কারণে বাংলাদেশে মারা গেছে প্রতি লাখে ১০০-২০০ মানুষ।
গবেষণায়
আরও বলা হয়, দেশে অন্তত ৭৫ শতাংশ সংক্রমণ হয় টাইফয়েড, ই-কোলাই, স্ট্যাফাউরিয়াস,
ক্লিবশিয়েলা ও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। এসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে
অ্যাকসেস ও ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে অকেজো হয়ে গেছে।
এ ছাড়া নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) রোগীদের যে অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা চলত, তা এখন ওয়ার্ডের রোগীদেরও
দিতে হচ্ছে। এতেই বোঝা যায় পরিস্থিতি কত খারাপের দিকে যাচ্ছে।
একইসঙ্গে
যেসব জীবাণু আগে শুধু আইসিইউতে মিলত, সেগুলো এখন কমিউনিটিতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে
বলেও গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।
গবেষণায়
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার জন্য কয়েকটি ব্যাকটেরিয়াকে ভবিষ্যতের শঙ্কার কারণ হিসেবে
দেখানো হয়। এগুলো হলো এমডিআর টিবি, কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী টাইফয়েড,
ইএসবিএল, ই-কোলাই ও ক্লেবসিয়েলা সংক্রমণ এবং কার্বাপেনাম প্রতিরোধী অ্যান্টিরোকোসি
সংক্রমণ।
গবেষণায়
বলা হয়, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়াজনিত অসুখ, সেপসিস এবং অ্যান্টিবায়োটিক
প্রতিরোধী প্রস্রাব সংক্রমণে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা পালন
করা উচিত। এ ছাড়াও হাসপাতালজনিত সংক্রমণের হার বাংলাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে
চলেছে।
ডা.
মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক আছে যেগুলোকে একেবারে শেষ ধাপ
হিসেবে রিজার্ভ করে রাখা হয়েছে। সে বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একান্ত
বিপদে না পড়লে এই রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকগুলো একেবারেই ব্যবহার করা উচিত
নয়। কিন্তু বর্তমানে এসব রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক অহরহ ব্যবহার করা হচ্ছে।
যেগুলো সাধারণত সর্বোচ্চ মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার
হওয়া উচিত, সেগুলো এখন হাসপাতালে সাধারণ ওয়ার্ডেই আমরা ব্যবহার করছি।
এই
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
বলেন, রিজার্ভ অ্যান্টিবায়োটিকগুলো এখনই ব্যবহার করা হলে পরে আর যাওয়ার কোনো জায়গা
পাওয়া যাবে না। তখন অনেক বড় বিপদে পড়তে হবে। এটা চলতে থাকলে একপর্যায়ে সর্দি-জ¦রেও
অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না। সামান্য অসুখ-বিসুখেই প্রাণ হারাতে হবে।
অনুষ্ঠানে
মাইক্রো বায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার একটি
গবেষণাপত্র তুলে ধরেন। এ ছাড়া মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগে ২০২২ থেকে ২০২৩
সালের জুলাই পর্যন্ত রোগীর নমুনায় সব ধরনের জীবাণুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল
সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স
অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স
মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সক্ষমতা ও
কার্যক্রম তুলে ধরেন বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায়।
অনুষ্ঠানে গবেষণায় অংশ নেওয়া রোগীদের নমুনার সব ধরনের জীবাণুর
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও
প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন
কুমার রায় রোগীদের নমুনায় জীবাণু শনাক্তকরণ ও জীবাণুসমূহের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল
সংবেদনশীলতা নির্ণয়ের বিএসএমএমইউতে থাকা প্রযুক্তিসমূহ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল
রেজিস্টেন্স মোকাবিলায় এ বিভাগের ভূমিকা তুলে ধরেন।
দেশে ৯০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর
দেশে ৯০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর
দেশে মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটানো প্রধান জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে গেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, এর প্রথম ও প্রধান কারণ অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও কার্যকারিতার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়। গত দেড় বছরে (জানুয়ারি ২০২২-জুন ২০২৩) রাজধানীসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিতে আসা ৭২ হাজার ৬৭০ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এই গবেষণা করে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগ।অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। অযাচিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানুষ এখন প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। দেশে প্রতি বছর ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ মারা যায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ২০৫০ সালে গিয়ে দেখা যাবে করোনার থেকেও বেশি রোগী মারা যাবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণে।হাসপাতালে দর্শনার্থীরা রোগীদের দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, অনেক সময় দেখা যায় রোগীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে সাধারণ মানুষও রোগী হয়ে যায়। এটিকে ক্রস ইনফেকশন বলে। এজন্য হাসপাতালে রোগী দেখতে গেলে একটু দূরে থেকে দেখতে হবে ও দ্রুত হাসপাতাল থেকে চলে যেতে হবে।অনুষ্ঠানে গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের
ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন, বিশ্বে ২০১৯ সালে ব্যাকটেরিয়াজনিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্সে প্রায় ১৩ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় একই কারণে বাংলাদেশে মারা গেছে প্রতি লাখে ১০০-২০০ মানুষ।গবেষণায় আরও বলা হয়, দেশে অন্তত ৭৫ শতাংশ সংক্রমণ হয় টাইফয়েড, ই-কোলাই, স্ট্যাফাউরিয়াস, ক্লিবশিয়েলা ও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। এসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকসেস ও ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে অকেজো হয়ে গেছে। এ ছাড়া নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) রোগীদের যে অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা চলত, তা এখন ওয়ার্ডের রোগীদেরও দিতে হচ্ছে। এতেই বোঝা যায় পরিস্থিতি কত খারাপের দিকে যাচ্ছে।একইসঙ্গে যেসব জীবাণু আগে শুধু আইসিইউতে মিলত, সেগুলো এখন কমিউনিটিতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে বলেও গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।গবেষণায় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার জন্য কয়েকটি ব্যাকটেরিয়াকে ভবিষ্যতের শঙ্কার কারণ হিসেবে দেখানো হয়। এগুলো হলো এমডিআর টিবি, কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী টাইফয়েড, ইএসবিএল, ই-কোলাই ও ক্লেবসিয়েলা সংক্রমণ এবং কার্বাপেনাম প্রতিরোধী অ্যান্টিরোকোসি সংক্রমণ।গবেষণায় বলা হয়, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়াজনিত অসুখ, সেপসিস এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী প্রস্রাব সংক্রমণে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা পালন করা উচিত। এ ছাড়াও হাসপাতালজনিত সংক্রমণের হার বাংলাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে।ডা. মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক আছে যেগুলোকে একেবারে শেষ ধাপ হিসেবে রিজার্ভ করে রাখা হয়েছে। সে বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একান্ত বিপদে না পড়লে এই রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকগুলো একেবারেই ব্যবহার করা উচিত নয়। কিন্তু বর্তমানে
এসব রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক অহরহ ব্যবহার করা হচ্ছে। যেগুলো সাধারণত সর্বোচ্চ মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়া উচিত, সেগুলো এখন হাসপাতালে সাধারণ ওয়ার্ডেই আমরা ব্যবহার করছি।এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, রিজার্ভ অ্যান্টিবায়োটিকগুলো এখনই ব্যবহার করা হলে পরে আর যাওয়ার কোনো জায়গা পাওয়া যাবে না। তখন অনেক বড় বিপদে পড়তে হবে। এটা চলতে থাকলে একপর্যায়ে সর্দি-জ¦রেও অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না। সামান্য অসুখ-বিসুখেই প্রাণ হারাতে হবে।অনুষ্ঠানে মাইক্রো বায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার একটি গবেষণাপত্র তুলে ধরেন। এ ছাড়া মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত রোগীর নমুনায় সব ধরনের জীবাণুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সক্ষমতা ও কার্যক্রম তুলে ধরেন বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায়।অনুষ্ঠানে গবেষণায় অংশ নেওয়া রোগীদের নমুনার সব ধরনের জীবাণুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতার রিপোর্ট প্রকাশ করেন বেসিক সায়েন্স ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায় রোগীদের নমুনায় জীবাণু শনাক্তকরণ ও জীবাণুসমূহের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা নির্ণয়ের বিএসএমএমইউতে থাকা প্রযুক্তিসমূহ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স মোকাবিলায় এ বিভাগের ভূমিকা তুলে ধরেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত