অবৈধপথে লিবিয়ায় গিয়ে জেল খাটা ১৬০ বাংলাদেশি শূন্য হাতে দেশে ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের দেশে পাঠানো হচ্ছে।
বুধবার (২৫ মে) রাতে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, আইওএমের ভাড়া করা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইট (ইউজেড২২২) ওই বাংলাদেশিদের নিয়ে ত্রিপোলির মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বুধবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে উড্ডয়ন করে। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই ফ্লাইটের ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।
লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এস এম শামিম উজ জামান মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রত্যাবর্তনকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ও তাদের বিদায় জানান।
এ সময় ফ্লাইটটি যথাসময়ে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার অভিবাসন অধিদপ্তর ও মেতিগা বিমানবন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ ও আইওএমকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দূতাবাসের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের পর লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
একইসঙ্গে দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য আইওএমের নিকট পর্যায়ক্রমে তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৬০ বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হলো। অবশিষ্টদেরও দ্রুত দেশে প্রত্যাবাসন করার করার জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ বাংলাদেশি
দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ বাংলাদেশি
অবৈধপথে লিবিয়ায় গিয়ে জেল খাটা ১৬০ বাংলাদেশি শূন্য হাতে দেশে ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের দেশে পাঠানো হচ্ছে।বুধবার (২৫ মে) রাতে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।বার্তায় বলা হয়, আইওএমের ভাড়া করা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইট (ইউজেড২২২) ওই বাংলাদেশিদের নিয়ে ত্রিপোলির মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বুধবার বিকেল ৩টা ৪৫
মিনিটে উড্ডয়ন করে। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই ফ্লাইটের ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এস এম শামিম উজ জামান মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রত্যাবর্তনকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ও তাদের বিদায় জানান।এ সময় ফ্লাইটটি যথাসময়ে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার অভিবাসন অধিদপ্তর ও মেতিগা বিমানবন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ ও আইওএমকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান
তিনি।সংশ্লিষ্টরা জানান, দূতাবাসের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের পর লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।একইসঙ্গে দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য আইওএমের নিকট পর্যায়ক্রমে তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৬০ বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হলো। অবশিষ্টদেরও দ্রুত দেশে প্রত্যাবাসন করার করার জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত