শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দেশে কম বয়সি হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ছে

দেশে কম বয়সি হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ছে

আজ বিশ্ব হার্ট দিবস। প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর এ দিবসটি পালন করা হয় হার্টের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ইউজ হার্ট, নোউ হার্ট, বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায়—‘ভালোবাসা দিয়ে প্রতিটি হৃদয়ের যত্ন নিন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশ সংঘটিত হয় অসংক্রামক রোগের কারণে। হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, শ্বাস রোগের মতো এসব অসংক্রামক রোগে প্রতিবছর দেড় কোটি মানুষ মারা যায়, যাদের বয়স ৩০ থেকে ৬৯-এর মধ্যে। এই মৃত্যুর ৮৫ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ঘটে। বাংলাদেশও এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা অনুযায়ী, দেশে কম বয়সি হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ছে। উন্নত বিশ্বের তুলনায় এই হার ১৭ গুণ বেশি। বাড়ছে অল্প বয়সে মৃত্যুও। অল্প বয়সে ধূমপান, মদ্যপান, কোলেস্টেরল ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া এর অন্যতম কারণ বলে মনে করেন গবেষকরা।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের আরেক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অত্যধিক লবণযুক্ত প্যাকেটজাত খাবারে হৃদরোগী বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের রিজলভ টু সেভ লাইভসের সহায়তায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন পরিচালিত অ্যাসেসমেন্ট অব সল্ট কনটেন্ট অ্যান্ড লেবেল, কমপ্লায়েন্স অব কমনলি কনজিউমড প্রোসেসড প্যাকেজড ফুডস অব বাংলাদেশ শীর্ষক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

সাধারণ নিয়মে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে আমরা লবণ গ্রহণ করি। চিকিৎসকদের মতে, দিনে খাবারের সঙ্গে এক চামচ পরিমাণ লবণ গ্রহণ করা যায়। তবে এর বেশি হলে ডেকে আনবে মারাত্মক বিপদ। বাসায় তৈরি খাবারের পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাবারেও ঝুঁকি বাড়ছে। কারণ, গবেষকরা এসব খাবারে নিরাপদ মাত্রার চেয়েও বেশি লবণ পেয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত লবণ খেলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায়, যা স্ট্রোক এবং হার্ট (হৃদপিণ্ড) অ্যাটাকের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই উচ্চ রক্তচাপ এবং হাইপারটেনশনে আক্রান্ত রোগীসহ সবাইকে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কমাতে হবে। রান্নায় পরিমিত লবণই যথেষ্ট, খাবারে আলাদা করে লবণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

খুঁজুন