রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জাতীয় দেশে কোন খাদ্য সংকট নেই: খাদ্যমন্ত্রী

দেশে কোন খাদ্য সংকট নেই: খাদ্যমন্ত্রী

শহিদুল ইসলাম জিএম মিঠন :

দেশে কোন খাদ্য সংকট নেই, এজন্য আমাদের দেশে দূর্ভিক্ষ হবে না। তবে ব্যবসায়ীদের হতে হবে ভোক্তা বান্ধব উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। সোমবার ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে রাজধানী (ঢাকায়) বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা কাউন্সিল মিলনায়তনে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি আরো বলেন, আমাদের দেশ এখন পর্যন্ত খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ন। আর এজন্যই এ বছর বিদেশ থেকে চাল আমদানিও করতে হয়নি। এমনকি সামনের দিনগুলোতে আমরাই বিদেশে চাল রপ্তানি করা যায় কিনা সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখছি। তিনি আরো বলেন, আমাদের জীবনে পানির ব্যবহার সবর্ত্র, এজন্য পানির স্বদ-ব্যবহার করতে হবে। পানি আমাদের প্রয়োজন, পানি ছাড়া ফসল উৎপাদন যেমন হবে না, ফসল না হলে আমরাও বাঁচব না। অনেকেই বলেন, ১ কেজি  ধান উৎপাদনে ৪ হাজার লিটার পানি দরকার হয়। কৃষকরা অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি সেচ কাজে ব্যবহার করেন। এজন্য কৃষকদের মাঝে জনসেচতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পানির অপচয় ব্যবহার কমাতে হবে। খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মানুষ সরু ও চকচকে চাল পছন্দ করেন। অথচ বারবার ছাটাই করার মাধ্যমে সরু ও চকচকে চাল গুলোর পুষ্টিগুন নষ্ট হয়। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষরা এখনো লালচে ( ছাটাই বিহীন) চাল খান কারন, লাল চাল-এ পুষ্টি বেশি। ভোক্তারা লাল চাল খেলে মিল ব্যবসায়ী বা মিল মালিকরাও ব্যবসায়িক কারনে সরু বা লালচে ও চকচকে চাল তৈরিতে আগ্রহ হারাবেন। আমরা মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেই ভালো মানসন্মত চাল খাওয়ার পরামর্শ দেই। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে জমি কমছে কিন্তু জনসংখ্যা বাড়ছে। সরকার জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তর করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমরা চাল, মাছ, সবজি ও আম উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ন। অনেকে ফসল মৌসুমের সময় সংরক্ষণ এর অভাবে নষ্ট হয়। প্রক্রিয়াজাত করে আম ও সবজি বিদেশে রপ্তানি করতে পারলে লাভবান হবেন আমাদের কৃষকরা। মন্ত্রী আরো বলেন, বোরো ধানের আবাদ ভালো হয়েছিলো। বোরো মৌসুমের মতো আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশে কোনো খাদ্য কংকট নেই, তাই আমাদের দূর্ভিক্ষ হবে না। 

খুঁজুন