ভারী বৃষ্টিতে দেশের আট জেলার
কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন্যা পূর্বাভাস ও
সতর্কীকরণ কেন্দ্র। জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ
কেন্দ্রের পক্ষ থেকে মৌসুমি বন্যা এবং বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত সর্বশেষ বার্তায় এই
তথ্য জানানো হয়।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানিই
এখন বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সেখানে বলা হয়েছে, ‘চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, ফেনী ও গোমতী নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, অপরদিকে হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি
সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, দেশে এবং উজানে ভারী
বৃষ্টিপাতের প্রবণতার প্রেক্ষিতে, আগামী দুইদিন চট্টগ্রাম বিভাগের নদীসমূহের পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি
পেতে পারে। এর ফলে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর জেলার কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের
নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে।
আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্যানুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ সংলগ্ন উত্তর-পূর্ব
বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে এবং দুই দিন উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী
বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে এই সময়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের নদীসমূহের
পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, যা আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত
অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর
পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, যা আগামী তিন দিন পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তি দুই
দিন পানি সমতল হ্রাস পেতে পারে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার
উদয় রায়হান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে।
আগামী তিন দিন পর্যন্ত এসব নদীর পানি সমতল ধীর গতিতে হ্রাস পেতে পারে এবং
বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
সিলেট বিভাগের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে এবং
অন্যান্য প্রধান নদীসমূহ-মনু, খোয়াই, সারিগোয়াইন, ধলাইয়ের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী তিন দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং
বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।তবে অনেক জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার
শঙ্কার কথা জানানো হলেও জোরালো বন্যার সম্ভাবনা কম উল্লেখ করে সতর্কীকরণ কেন্দ্রের
উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া বলেন, বন্যা হলেও স্বল্পমেয়াদী হবে। অর্থাৎ, এর স্থায়িত্ব দুই তিনদিনের
বেশি হবে না।
তাছাড়া প্লাবনের শঙ্কা কক্সবাজার ও বান্দরবানের দিকে যতটা প্রকট
ফেনী-নোয়াখালী অঞ্চলে ততটা নয়।
ফেনী-নোয়াখালীর মানুষ এখনো কয়েকদিন আগের ভয়াবহ বন্যার পর পুনর্বাসন
পর্যায়ে রয়েছেন। এ কারণে আগে থেকেই সেখানকার মানুষকে সতর্কতার আওতায় রাখতে চায়
সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

দেশের আট জেলায় ফের বন্যার আশঙ্কা
দেশের আট জেলায় ফের বন্যার আশঙ্কা
ভারী বৃষ্টিতে দেশের আট জেলার কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর।বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে মৌসুমি বন্যা এবং বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত সর্বশেষ বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানিই এখন বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।সেখানে বলা হয়েছে, ‘চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, ফেনী ও গোমতী নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, অপরদিকে হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে।’আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, দেশে এবং উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতার প্রেক্ষিতে, আগামী দুইদিন চট্টগ্রাম বিভাগের নদীসমূহের পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর জেলার কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
হতে পারে।সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে।আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্যানুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ সংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে এবং দুই দিন উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে এই সময়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, যা আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, যা আগামী তিন দিন পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তি দুই দিন পানি সমতল হ্রাস পেতে পারে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে। আগামী তিন
দিন পর্যন্ত এসব নদীর পানি সমতল ধীর গতিতে হ্রাস পেতে পারে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।সিলেট বিভাগের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে এবং অন্যান্য প্রধান নদীসমূহ-মনু, খোয়াই, সারিগোয়াইন, ধলাইয়ের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী তিন দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।তবে অনেক জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কার কথা জানানো হলেও জোরালো বন্যার সম্ভাবনা কম উল্লেখ করে সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া বলেন, বন্যা হলেও স্বল্পমেয়াদী হবে। অর্থাৎ, এর স্থায়িত্ব দুই তিনদিনের বেশি হবে না।তাছাড়া প্লাবনের শঙ্কা কক্সবাজার ও বান্দরবানের দিকে যতটা প্রকট ফেনী-নোয়াখালী অঞ্চলে ততটা নয়। ফেনী-নোয়াখালীর মানুষ এখনো কয়েকদিন আগের ভয়াবহ বন্যার পর পুনর্বাসন পর্যায়ে রয়েছেন। এ কারণে আগে থেকেই সেখানকার মানুষকে সতর্কতার আওতায় রাখতে চায় সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত