মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ
ঈদুল আজহার ছুটি শেষে যখন এক এক করে মানুষ রাজধানীমুখী হতে শুরু করছে, তখনও অনেকটাই ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ে ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশনে।
মঙ্গলবার (১২ জুলাই) ঈদের তৃতীয় দিনেও ঘরমুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে কমলাপুর রেল স্টেশনে। ঘরমুখী এসব মানুষের অনেকেই আবার টিকিট সংকটে পড়েছেন বলে জানান।
ঈদের পরেও বাড়ি যেতে পরিবার নিয়ে মানুষ স্টেশনে আসছেন। যারা ঢাকা ছাড়ছেন, তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মমতা বেগম নামে এক যাত্রী বলেন, ঈদের পরে বাড়ি যাচ্ছি। কিন্তু এই সময়ও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।
বগুড়া যেতে ইচ্ছুক লীনা হোসেন বলেন, আমি ও আমার পরিবার ঈদ ঢাকায় করি। কিন্তু ঈদের পরে বাবার বাড়ি যাচ্ছি।
বাবা-মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে ৭ বছরের আপন। তার মা জানান, ছেলে, মেয়ে, স্বামীসহ পরিবারের চারজন গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন ঈদের পরে বেড়াতে।
আইনজীবী আমির হামজা পরিবার নিয়ে থাকেন নারায়ণগঞ্জে। যাবেন জামালপুর। কমলাপুর রেল স্টেশনে সকালে এসেছেন, কিন্তু পাচ্ছেন না সেই রুটের টিকিট। তিনি বলেন, ঝামেলার কারণে ঈদে বাড়িতে যেতে পারিনি। এখন যেতে চাচ্ছি কিন্তু টিকিট পাচ্ছি না।
এদিকে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় মঙ্গলবার তেমন দেখা যায়নি কমলাপুলে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ট্রেনগুলোতে মানুষজন খুব ফিরছেন।
কমলাপুর রেল স্টেশনে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য বলেন, এখনো মানুষ ঢাকায় ফিরতেছে না। মানুষ শুধু ঢাকা ছেড়েই যাচ্ছে। ঢাকায় আরও দুই-তিন দিন পরে ফিরবে মানুষ। তখন হবে অনেক ভিড়।
তবে এখন ট্রেনের কোনো শিডিউল বিপর্যয় নেই বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকায় ফিরছে কম যাচ্ছে বেশি
ঢাকায় ফিরছে কম যাচ্ছে বেশি
মইনুল ইসলাম মিতুল ঃঈদুল আজহার ছুটি শেষে যখন এক এক করে মানুষ রাজধানীমুখী হতে শুরু করছে, তখনও অনেকটাই ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ে ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশনে।মঙ্গলবার (১২ জুলাই) ঈদের তৃতীয় দিনেও ঘরমুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে কমলাপুর রেল স্টেশনে। ঘরমুখী এসব মানুষের অনেকেই আবার টিকিট সংকটে পড়েছেন বলে জানান।ঈদের পরেও বাড়ি যেতে পরিবার নিয়ে মানুষ স্টেশনে আসছেন। যারা ঢাকা ছাড়ছেন, তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মমতা বেগম নামে এক যাত্রী বলেন,
ঈদের পরে বাড়ি যাচ্ছি। কিন্তু এই সময়ও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।বগুড়া যেতে ইচ্ছুক লীনা হোসেন বলেন, আমি ও আমার পরিবার ঈদ ঢাকায় করি। কিন্তু ঈদের পরে বাবার বাড়ি যাচ্ছি।বাবা-মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে ৭ বছরের আপন। তার মা জানান, ছেলে, মেয়ে, স্বামীসহ পরিবারের চারজন গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন ঈদের পরে বেড়াতে।আইনজীবী আমির হামজা পরিবার নিয়ে থাকেন নারায়ণগঞ্জে। যাবেন জামালপুর। কমলাপুর রেল স্টেশনে সকালে এসেছেন, কিন্তু পাচ্ছেন না সেই রুটের টিকিট। তিনি
বলেন, ঝামেলার কারণে ঈদে বাড়িতে যেতে পারিনি। এখন যেতে চাচ্ছি কিন্তু টিকিট পাচ্ছি না।এদিকে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় মঙ্গলবার তেমন দেখা যায়নি কমলাপুলে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ট্রেনগুলোতে মানুষজন খুব ফিরছেন।কমলাপুর রেল স্টেশনে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য বলেন, এখনো মানুষ ঢাকায় ফিরতেছে না। মানুষ শুধু ঢাকা ছেড়েই যাচ্ছে। ঢাকায় আরও দুই-তিন দিন পরে ফিরবে মানুষ। তখন হবে অনেক ভিড়।তবে এখন ট্রেনের কোনো শিডিউল বিপর্যয় নেই বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত