মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):
ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের জহির উদ্দিনের ছেলে আমিনুর হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় কাশিপুর আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে প্রায় ২ হাজার মানুষ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।
এসময় নিহত আমিনুরের চাচা মহর উদ্দিন বলেন আমার ভাতিজার সাথে কুল্লা ইউনিয়নের কফিলউদ্দিনের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া উর্মির সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। যে রাতে আমার ভাতিজা আমিনুর কে হত্যা করা হয়, সেদিন রাত ০৯ টার দিকে উর্মি ফোন করে নিয়ে যায় নেওয়ার পর তার পিতা মাতা মিলে আমিনুরের হাত, পা বেধে তারপর তাকে হত্যা করে তারা ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। পরে উর্মি আমাদেরকে ফোন করে বলে যে আমিনুর মারা গেছে আমরা গিয়ে ভাতিজার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখি, আমরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মেয়ের বাবা কফিল উদ্দিন ও মেয়ে উর্মি জিজ্ঞাসা বাদের জন্য পুলিশ নিয়ে যায়।
ঘটনার তিন দিন পার হয়ে গেলেও এখনোও থানার পুলিশ কোন মামলা নিচ্ছে না। আমারা গরীব বলে কি বিচার পাবো না দেশবাসীর কাছে জানতে চাই?
এসময় নিহতের মা আমেনা বলেন আমার ছেলেকে যারা এভাবে হত্যা করলো আমি তাদের ফাঁশি চাই। এসময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। আরও বক্তব্য দেন প্রতিবেশী চাচা বাবুল হোসেন,ফায়ারসার্ভিস কর্মকর্তা বাসেদ এবং ফুফু সাহেদা বেগম সহ উপস্থিত ছিলেন এলাকার হাজার ও লোকজন।
ধামরাইয়ে আমিনুর হত্যার প্রতিবাদে এলাকা বাসীর মানববন্ধন
ধামরাইয়ে আমিনুর হত্যার প্রতিবাদে এলাকা বাসীর মানববন্ধন
মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের জহির উদ্দিনের ছেলে আমিনুর হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় কাশিপুর আঞ্চলিক সড়কের দুপাশে প্রায় ২ হাজার মানুষ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। এসময় নিহত আমিনুরের চাচা মহর উদ্দিন বলেন আমার ভাতিজার সাথে কুল্লা ইউনিয়নের কফিলউদ্দিনের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া উর্মির সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। যে রাতে আমার ভাতিজা আমিনুর কে হত্যা করা হয়, সেদিন
রাত ০৯ টার দিকে উর্মি ফোন করে নিয়ে যায় নেওয়ার পর তার পিতা মাতা মিলে আমিনুরের হাত, পা বেধে তারপর তাকে হত্যা করে তারা ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। পরে উর্মি আমাদেরকে ফোন করে বলে যে আমিনুর মারা গেছে আমরা গিয়ে ভাতিজার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখি, আমরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মেয়ের বাবা কফিল উদ্দিন ও মেয়ে উর্মি জিজ্ঞাসা বাদের জন্য পুলিশ নিয়ে যায়।ঘটনার
তিন দিন পার হয়ে গেলেও এখনোও থানার পুলিশ কোন মামলা নিচ্ছে না। আমারা গরীব বলে কি বিচার পাবো না দেশবাসীর কাছে জানতে চাই? এসময় নিহতের মা আমেনা বলেন আমার ছেলেকে যারা এভাবে হত্যা করলো আমি তাদের ফাঁশি চাই। এসময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। আরও বক্তব্য দেন প্রতিবেশী চাচা বাবুল হোসেন,ফায়ারসার্ভিস কর্মকর্তা বাসেদ এবং ফুফু সাহেদা বেগম সহ উপস্থিত ছিলেন এলাকার হাজার ও লোকজন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত