মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার):
ঢাকার ধামরাইয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁয় গাজীখালী খালের উপর সেতু নির্মাণ হলেও হয়নি সংযোগ সড়ক। সংযোগ সড়কটি না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের।
খালের পাড়ে নওগাঁ বাজারে রয়েছে নওগাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আশরাফ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে খালে পানি থাকায় সেতুটিতে উঠতে হয় বাশেঁর মই দিয়ে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি কোন কাজে আসছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,গাজীখালী খালের উপর নির্মিত সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও হয়নি দুই পাশের সংযোগ সড়ক। সেতু সংযোগ সড়ক থেকে প্রায় ২০-২৫ ফুট উচু থাকায় কোনো কাজেই আসছে সেতুটি। বাধ্য হয়েই মানুষ বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে মই ব্যবহার করে সেতুটিতে উঠছে। আবার খালে পানি যখন কমে যায় সে সময় পারাপারের জন্য বাঁশের সাকোঁ নির্মাণ করে যাতায়াত করে।
এতে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে- বয়স্ক মানুষসহ শিক্ষার্থীরা। বৃহত্তম ঢাকা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প -৩ এর আওতায় ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি গাজীখালী খালের উপর ৪৫ মিটার দির্ঘ্য পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান "মেসার্স জয়েন্ট ব্রিকস ট্রেডার্স। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সেতুটি নির্মাণ সমাপ্তির করার সময় নির্ধারণ করা হয়। এতে ব্যয় ধরা হয় ৪ কোটি ২১ লাখ ৫৪ হাজার ২৭১ টাকা।
সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান রোমা বিডিটুডেসকে জানান, আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সেতুটির কাজটি এনেছি। গত পাঁচ বছর আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এরই মধ্যে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। আমি আবার চেয়ারম্যান হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি, মানুষ যাতায়াত করতে পারে না- এরপর প্রশাসন সেতুটির সংযোগ সড়কে নির্মাণে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
স্থানীয় গ্রামবাসী জানান,খাল পারাপারের জন্য আগে নৌকা ব্যবহার করা হতো। নৌকায় করে ঘর বাড়ির মালামালসহ বাইসাইকেল মোটরসাইকেল পার করা যেতো। সেতু হওয়ার পর সে পারাপারও বন্ধ হয়েছে। এখন খালে পানি থাকলে সেতুটি উঠতে মই ব্যবহার করতে হয়। মালামাল আনতে কয়েক মাইল ঘুরে যাতায়াত করতে হয়।
ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রামানিক বিডিটুডেসকে জানান, নওগাঁ গাজীখালী খালের উপর সেতুটির অ্যাপ্রোচের কাজ (স্কুলের সাইটে) চলমান আছে। এটা এই মুহূর্তে লেয়ার বাই লেয়ার বালি কম্পেকশন করে কাজ হচ্ছে। অপর পাশের ডেন্ডার হয়ে ওয়ার্ক ওয়ার্ডার সম্পূর্ণ হয়েছে টিকাদারকে ফাইল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে টিকাদার মালামাল মজিল্যাইশন করে কাজ শুরু করে দিবে।
ধামরাইয়ে বাঁশের মই বেয়ে উঠতে হয় চার কোটি টাকার সেতুতে, নেই সংযোগ সড়ক !
ধামরাইয়ে বাঁশের মই বেয়ে উঠতে হয় চার কোটি টাকার সেতুতে, নেই সংযোগ সড়ক !
মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার):ঢাকার ধামরাইয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁয় গাজীখালী খালের উপর সেতু নির্মাণ হলেও হয়নি সংযোগ সড়ক। সংযোগ সড়কটি না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের। খালের পাড়ে নওগাঁ বাজারে রয়েছে নওগাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আশরাফ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে খালে পানি থাকায় সেতুটিতে উঠতে হয় বাশেঁর মই দিয়ে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি কোন কাজে আসছে না।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,গাজীখালী খালের উপর নির্মিত সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও হয়নি দুই পাশের সংযোগ সড়ক। সেতু সংযোগ সড়ক থেকে প্রায় ২০-২৫ ফুট উচু থাকায় কোনো কাজেই আসছে সেতুটি। বাধ্য হয়েই মানুষ বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে মই ব্যবহার করে সেতুটিতে উঠছে। আবার খালে পানি যখন কমে যায়
সে সময় পারাপারের জন্য বাঁশের সাকোঁ নির্মাণ করে যাতায়াত করে। এতে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে- বয়স্ক মানুষসহ শিক্ষার্থীরা। বৃহত্তম ঢাকা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প -৩ এর আওতায় ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি গাজীখালী খালের উপর ৪৫ মিটার দির্ঘ্য পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান "মেসার্স জয়েন্ট ব্রিকস ট্রেডার্স। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সেতুটি নির্মাণ সমাপ্তির করার সময় নির্ধারণ করা হয়। এতে ব্যয় ধরা হয় ৪ কোটি ২১ লাখ ৫৪ হাজার ২৭১ টাকা।সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান রোমা বিডিটুডেসকে জানান, আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সেতুটির কাজটি এনেছি। গত পাঁচ বছর আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এরই মধ্যে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। আমি আবার চেয়ারম্যান হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি, মানুষ যাতায়াত করতে পারে
না- এরপর প্রশাসন সেতুটির সংযোগ সড়কে নির্মাণে ব্যবস্থা নিচ্ছে।স্থানীয় গ্রামবাসী জানান,খাল পারাপারের জন্য আগে নৌকা ব্যবহার করা হতো। নৌকায় করে ঘর বাড়ির মালামালসহ বাইসাইকেল মোটরসাইকেল পার করা যেতো। সেতু হওয়ার পর সে পারাপারও বন্ধ হয়েছে। এখন খালে পানি থাকলে সেতুটি উঠতে মই ব্যবহার করতে হয়। মালামাল আনতে কয়েক মাইল ঘুরে যাতায়াত করতে হয়।ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রামানিক বিডিটুডেসকে জানান, নওগাঁ গাজীখালী খালের উপর সেতুটির অ্যাপ্রোচের কাজ (স্কুলের সাইটে) চলমান আছে। এটা এই মুহূর্তে লেয়ার বাই লেয়ার বালি কম্পেকশন করে কাজ হচ্ছে। অপর পাশের ডেন্ডার হয়ে ওয়ার্ক ওয়ার্ডার সম্পূর্ণ হয়েছে টিকাদারকে ফাইল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে টিকাদার মালামাল মজিল্যাইশন করে কাজ শুরু করে দিবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত