মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার :
ঢাকার ধামরাইয়ে চিরায়ত বাঙালির সংস্কৃতির অংশ হিসেবে বারে মাসে তের পার্বণের একটি পৌষ সংক্রান্তি।সংক্রান্তি বলতে মাসের শেষ দিনকে বুঝায়।এ'দিন পৌষ মাসের শেষের দিন পঞ্জিকা মতে সনাতনধর্মাবলম্বীরা পৌষ সংক্রান্তিতে বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পূজা-অর্চনা করে থাকে।পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে ধামরাই উপজেলায় নানা স্হানে বুড়া-বুড়ি পূজা ও পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলায় ১১টি স্হানে ঐতিহ্যময় পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয় তার মধ্যে ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের ঐতিহাসিক মাঠ,ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠ,ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন মহল্লায় বুড়া-বুড়ির মন্দির সংলগ্ন স্হানে,এছাড়াও ধামরাই উপজেলার কালামপুর, শ্রীরামপুর, সোমভাগ,সানোড়া, গোপালপুর, বাড়িগাঁও, সীতি পাল্লী সহ বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার (১৫ই জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হয়েছে পৌষ সংক্রান্তির পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা। ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের মাঠে ভোর থেকে শুরু হয়েছে এ'মেলা।
মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন প্রকার জিনিসপত্র, লোহার তৈরি দা,বটি সহ অন্যান্য উপকরন,শিশুরকিশোরদের বিভিন্ন ধরনের খেলনার দোকান,বাঁশ-বেতের তৈজসপত্র, গৃহস্হালীর বিভিন্ন জিনিসপত্র,
বিভিন্ন প্রকার খাবার সামগ্রী - খই,বিন্নি,মুড়ি,বাতাসা,কদমা,চিনির তৈরি বিভিন্ন প্রকার খেলনা,চটপটির দোকান সহ বিভিন্ন প্রকার স্টল।
এসব দোকানে বিভিন্ন বয়সী লোকদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মাটির তৈরি সরঞ্জাম ও গৃহস্হালির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানে সবধর্মের মানুষের ভীড় লক্ষ্যণীয়।
উৎসব বা মেলাটা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘিরে হলেও ধর্মীয় গন্ডীর সীমারেখা অতিক্রম করে সার্বজনীনতা ফুটে উঠেছে। পৌষ মেলা শিশু কিশোরদের জন্য খুবই আনন্দের।তারা বিভিন্ন খেলনা সহ বাহারি রকমের খাবার কিনে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের নিকট বায়না ধরে সেইসাথে তাদের বায়না অনুযায়ী মেলা থেকে বায়নাকৃত খেলনা ও খাবার সামগ্রী কিনে দিতে বাধ্য হয়।
সকাল থেকেই ধামরাইয়ের বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও মাঠ থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসে গান।গানে ছন্দে উচ্ছাসে ঘুড়ি-উৎসবে যোগ দেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।ঘুড়ি উৎসবে শুধু ঘুড়ি থাকে না,থাকে হরেক রকম পিঠা-পুলি।এটাকে পিঠা উৎসবও বলা যায়। বড় বাজার মহল্লার বাসিন্দ শিশির পাল বাড়ির ছাদে ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন শিশু কিশোরদের সঙ্গে। শিশির পাল বলেন সাকরাইন মানেই ঘুড়ি উৎসব।ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুড়ি উড়াতে এসেছি,প্রতিবছর ঘুড়ি উৎসবে ঘুড়ি উড়াই আনন্দের সহিত।
আজ রবিবার বিকেলে ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠে পৌষ মেলা বসবে চলবে রাত্রি পর্যন্ত। আগামীকাল সোমবার ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন এলাকায় বুড়া-বুড়ি মন্দির সংলাপ স্হানে পৌষ মেলা বসবে।হাজার-হাজার মানুষ সমবেত হবে ঐতিহাসিক পৌষ মেলায়।
পৌষ মেলা বা সাকরাইন মেলা অনুষ্ঠিত
পৌষ মেলা বা সাকরাইন মেলা অনুষ্ঠিত
মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার ধামরাইয়ে চিরায়ত বাঙালির সংস্কৃতির অংশ হিসেবে বারে মাসে তের পার্বণের একটি পৌষ সংক্রান্তি।সংক্রান্তি বলতে মাসের শেষ দিনকে বুঝায়।এ'দিন পৌষ মাসের শেষের দিন পঞ্জিকা মতে সনাতনধর্মাবলম্বীরা পৌষ সংক্রান্তিতে বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পূজা-অর্চনা করে থাকে।পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে ধামরাই উপজেলায় নানা স্হানে বুড়া-বুড়ি পূজা ও পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলায় ১১টি স্হানে ঐতিহ্যময় পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয় তার মধ্যে ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের ঐতিহাসিক মাঠ,ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠ,ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন মহল্লায় বুড়া-বুড়ির মন্দির সংলগ্ন স্হানে,এছাড়াও ধামরাই উপজেলার কালামপুর, শ্রীরামপুর, সোমভাগ,সানোড়া, গোপালপুর, বাড়িগাঁও, সীতি পাল্লী সহ বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (১৫ই জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হয়েছে পৌষ
সংক্রান্তির পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা। ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের মাঠে ভোর থেকে শুরু হয়েছে এ'মেলা। মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন প্রকার জিনিসপত্র, লোহার তৈরি দা,বটি সহ অন্যান্য উপকরন,শিশুরকিশোরদের বিভিন্ন ধরনের খেলনার দোকান,বাঁশ-বেতের তৈজসপত্র, গৃহস্হালীর বিভিন্ন জিনিসপত্র, বিভিন্ন প্রকার খাবার সামগ্রী - খই,বিন্নি,মুড়ি,বাতাসা,কদমা,চিনির তৈরি বিভিন্ন প্রকার খেলনা,চটপটির দোকান সহ বিভিন্ন প্রকার স্টল।এসব দোকানে বিভিন্ন বয়সী লোকদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মাটির তৈরি সরঞ্জাম ও গৃহস্হালির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানে সবধর্মের মানুষের ভীড় লক্ষ্যণীয়।উৎসব বা মেলাটা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘিরে হলেও ধর্মীয় গন্ডীর সীমারেখা অতিক্রম করে সার্বজনীনতা ফুটে উঠেছে। পৌষ মেলা শিশু কিশোরদের জন্য খুবই আনন্দের।তারা বিভিন্ন খেলনা সহ বাহারি রকমের খাবার কিনে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের নিকট বায়না ধরে সেইসাথে তাদের বায়না অনুযায়ী মেলা থেকে
বায়নাকৃত খেলনা ও খাবার সামগ্রী কিনে দিতে বাধ্য হয়।সকাল থেকেই ধামরাইয়ের বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও মাঠ থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসে গান।গানে ছন্দে উচ্ছাসে ঘুড়ি-উৎসবে যোগ দেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।ঘুড়ি উৎসবে শুধু ঘুড়ি থাকে না,থাকে হরেক রকম পিঠা-পুলি।এটাকে পিঠা উৎসবও বলা যায়। বড় বাজার মহল্লার বাসিন্দ শিশির পাল বাড়ির ছাদে ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন শিশু কিশোরদের সঙ্গে। শিশির পাল বলেন সাকরাইন মানেই ঘুড়ি উৎসব।ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুড়ি উড়াতে এসেছি,প্রতিবছর ঘুড়ি উৎসবে ঘুড়ি উড়াই আনন্দের সহিত।আজ রবিবার বিকেলে ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠে পৌষ মেলা বসবে চলবে রাত্রি পর্যন্ত। আগামীকাল সোমবার ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন এলাকায় বুড়া-বুড়ি মন্দির সংলাপ স্হানে পৌষ মেলা বসবে।হাজার-হাজার মানুষ সমবেত হবে ঐতিহাসিক পৌষ মেলায়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত