স্টাফ রিপোর্টার :
নাজিমুদ্দিন লাভলু গজারিয়ায় একজন স্বীকৃত গ্যাস চোর হিসাবে পরিচিত । মাসে নুন্যতম তিন কোটি টাকা অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করেছে লাভলুর সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রাধীন অবৈধ চুনা কারখানাগুলো। তার অবৈধ গ্যাস চোারের বিষয়টি খুব ভালো করে জানেন গজারিয়া পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন, জানেন স্থানীয় মিডিয়া কর্মীরা । তবে সকলকে ম্যানেজ করে চলছে তার অবৈধ চুনা কারখানা। এদিকে তিতাস কার্যালয়েও আছে লাভলুর ব্যাপক ক্ষমতা।অবশ্য গত সপ্তাহে নামে মাত্র তিতাস অভিযান চালায় লাভলুর মালিকানাধীন কারখানা দুটো।থানায় মামলাও হয় এই লাভলুর বিরুদ্ধে৷ তবে যেউ লাউ সেই কদু । ফের মেরামত হয়ে গেছে লাভলুর কারখানা দুটো৷ শুরু হয়ে আগের মতোই । লাগামহীন ভাবে চলছেতো, চলছেই। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের কারনে বৈধ গ্রাহকেরা গ্যাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে তিতাসের প্রধান কার্যালয় এবং সোনারগাঁও জোনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রকাশ্যে লাভলুকে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে। । অভিযোগ উঠেছে সোনার গাও জোনের আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুরজিত কুমার সাহার সাথে রয়েছে লাভলুর ঘনিষ্ঠ লেনদেনের সম্পর্কে৷ এছাড়া লাভলুর স্ত্রীর বড় ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন সোনারগাও উপজেলা আওয়ামিলীগ সিনিয়র সহসভাপতি ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার মাসুমের বাড়ীতে ভাড়া থাকেন এই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুরজিত কুমার সাহা। এই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে শুধু লাভলুর কারখানা দুটো নিয়ে পুরো গজারিয়ায় চলছে অবৈধ গ্যাস চুরি মহা উৎসব ।
গ্যাস চুরি ছাড়াও লাভলুর বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের অভিযোগ । এক সময় দুবাই প্রবাসী ছিল এই লাভলু। সেখানে এখানেও রয়েছে তার মালিকানাধীন মদের বার। অবশ্য বর্তমানে তার দুবাই প্রবেশে রয়েছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা । বছর পনের আগের কথা দুবাই থেকে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো খাট নামক মাদকের অবৈধ আমদানিকারক ছিলেন এই লাভলু।প্রায় এক যুগ আগে এই মাদক সহ লাভলু একাধিক বার গ্রেফতারও হয়েছে। তার সম্বন্ধি মাসুমের মাধ্যমে ফ্যাসিষ্ট সরকারের আইনমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সহযোগিতায় দীর্ঘ ছয়মাস পর জামিনে জেলহাজত থেকে বের হয়ে আসে। সরকারী ভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায় তার দুবাই প্রবেশ৷ এরপর থেকেই সে শুরু করেছে এই অবৈধ চুনা কারখানার ব্যবসা৷ নিজে ফ্যাসিস্টের দোসর এবং তার স্ত্রীর বড় ভাই ছিলেন সোনারগাও উপজেলার অঘোষিত ডন। সম্বন্ধির সাথে মিলে বিগত এক যুগ ধরে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে অবৈধ চুনা কারখানা সিন্ডিকেট গ্রুপে। অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার মাসুমের হাজারো কোটি টাকার রয়েছে লাভলু এবং তার স্ত্রী তত্বাবধানে। অভিযোগ উঠেছে লাভলুর মাধ্যমে দুবাইয়েও শতশত কোটি পাচার করেছে এই আওয়ামিলীগ নেতা ইন্জিনিয়ার মাসুম।
স্থানীয় মিডিয়া কর্মীরা লাভলুর বিরুদ্ধে নিউজ করেনা। তবে মাঝে মধ্যে ঢাকা থেকে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে গ্যাস চোর লাভলুকে নিয়ে নিউজ করতে দেখা যায়। তবে সেসকল পত্রিকাগুলোকে ম্যানেজ করতে ঢাকাতেও রয়েছে লাভলুর একাধিক দালাল । একটা অখ্যাত পত্রিকার পরিচয়ে কথিত এক সাংবাদিক লাভলুর বিরুদ্ধে যেই পত্রিকায় নিউজ ছাপা হয়, সেই পত্রিকা অফিসে গিয়ে মুহূর্তেই হাজির হয়। চলে ম্যানেজ প্রক্রিয়া ।
ধরা ছোয়ার বাহিরে গজারিয়ার স্বীকৃত গ্যাস চোর লাভলু
ধরা ছোয়ার বাহিরে গজারিয়ার স্বীকৃত গ্যাস চোর লাভলু
স্টাফ রিপোর্টার :নাজিমুদ্দিন লাভলু গজারিয়ায় একজন স্বীকৃত গ্যাস চোর হিসাবে পরিচিত । মাসে নুন্যতম তিন কোটি টাকা অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করেছে লাভলুর সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রাধীন অবৈধ চুনা কারখানাগুলো। তার অবৈধ গ্যাস চোারের বিষয়টি খুব ভালো করে জানেন গজারিয়া পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন, জানেন স্থানীয় মিডিয়া কর্মীরা । তবে সকলকে ম্যানেজ করে চলছে তার অবৈধ চুনা কারখানা। এদিকে তিতাস কার্যালয়েও আছে লাভলুর ব্যাপক ক্ষমতা।অবশ্য গত সপ্তাহে নামে মাত্র তিতাস অভিযান চালায় লাভলুর মালিকানাধীন কারখানা দুটো।থানায় মামলাও হয় এই লাভলুর বিরুদ্ধে৷ তবে যেউ লাউ সেই কদু । ফের মেরামত হয়ে গেছে লাভলুর কারখানা দুটো৷ শুরু হয়ে আগের মতোই । লাগামহীন ভাবে চলছেতো, চলছেই। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের কারনে বৈধ গ্রাহকেরা গ্যাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । অনুসন্ধানে জানা গেছে তিতাসের প্রধান কার্যালয় এবং সোনারগাঁও জোনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রকাশ্যে লাভলুকে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে। । অভিযোগ উঠেছে সোনার গাও জোনের আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুরজিত কুমার
সাহার সাথে রয়েছে লাভলুর ঘনিষ্ঠ লেনদেনের সম্পর্কে৷ এছাড়া লাভলুর স্ত্রীর বড় ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন সোনারগাও উপজেলা আওয়ামিলীগ সিনিয়র সহসভাপতি ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার মাসুমের বাড়ীতে ভাড়া থাকেন এই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুরজিত কুমার সাহা। এই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে শুধু লাভলুর কারখানা দুটো নিয়ে পুরো গজারিয়ায় চলছে অবৈধ গ্যাস চুরি মহা উৎসব । গ্যাস চুরি ছাড়াও লাভলুর বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের অভিযোগ । এক সময় দুবাই প্রবাসী ছিল এই লাভলু। সেখানে এখানেও রয়েছে তার মালিকানাধীন মদের বার। অবশ্য বর্তমানে তার দুবাই প্রবেশে রয়েছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা । বছর পনের আগের কথা দুবাই থেকে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো খাট নামক মাদকের অবৈধ আমদানিকারক ছিলেন এই লাভলু।প্রায় এক যুগ আগে এই মাদক সহ লাভলু একাধিক বার গ্রেফতারও হয়েছে। তার সম্বন্ধি মাসুমের মাধ্যমে ফ্যাসিষ্ট সরকারের আইনমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সহযোগিতায় দীর্ঘ ছয়মাস পর জামিনে জেলহাজত থেকে বের হয়ে আসে। সরকারী ভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায় তার
দুবাই প্রবেশ৷ এরপর থেকেই সে শুরু করেছে এই অবৈধ চুনা কারখানার ব্যবসা৷ নিজে ফ্যাসিস্টের দোসর এবং তার স্ত্রীর বড় ভাই ছিলেন সোনারগাও উপজেলার অঘোষিত ডন। সম্বন্ধির সাথে মিলে বিগত এক যুগ ধরে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে অবৈধ চুনা কারখানা সিন্ডিকেট গ্রুপে। অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার মাসুমের হাজারো কোটি টাকার রয়েছে লাভলু এবং তার স্ত্রী তত্বাবধানে। অভিযোগ উঠেছে লাভলুর মাধ্যমে দুবাইয়েও শতশত কোটি পাচার করেছে এই আওয়ামিলীগ নেতা ইন্জিনিয়ার মাসুম।স্থানীয় মিডিয়া কর্মীরা লাভলুর বিরুদ্ধে নিউজ করেনা। তবে মাঝে মধ্যে ঢাকা থেকে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে গ্যাস চোর লাভলুকে নিয়ে নিউজ করতে দেখা যায়। তবে সেসকল পত্রিকাগুলোকে ম্যানেজ করতে ঢাকাতেও রয়েছে লাভলুর একাধিক দালাল । একটা অখ্যাত পত্রিকার পরিচয়ে কথিত এক সাংবাদিক লাভলুর বিরুদ্ধে যেই পত্রিকায় নিউজ ছাপা হয়, সেই পত্রিকা অফিসে গিয়ে মুহূর্তেই হাজির হয়। চলে ম্যানেজ প্রক্রিয়া ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত