শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে প্রথমে অভিযুক্ত যুবক কে সনাক্ত। এরপর থানায় অভিযোগ করার পরই থানা পুলিশের একাধীক চৌকস টিম তদন্তে নেমে অভিযুক্ত যুবককে আটক পুলিশ। ঈদ সালামি (টাকা) দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে আনিকা আক্তার নামে ৮ বছর বয়সী এক শিশু কে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু আনিকা আক্তার এর মৃতদেহ সোমবার সকালে একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে শাহমখদুম থানা পুলিশ।
ধর্ষণের পর শিশু হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহী নগরীতে।
সোমবার ৩ জুলাই সকালে রাজশাহী নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকার একটি পুকুরের পানি থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করেন শাহমখদুম থানা পুলিশ।
ধর্ষণ ও হত্যার শিকার শিশু আনিকা আক্তার হলেন রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া মহল্লার আজিম উদ্দীন এর মেয়ে।
পুলিশ ও হত্যাকান্ডের শিকার আনিকা আক্তার এর স্বজনরা জানান, গত শনিবার সন্ধার দিক থেকে শিশু আনিকা আক্তার কে পাওয়া যাচ্ছিলো না। এক পর্যায়ে নিখোঁজ শিশু সন্তান আনিকা আক্তার কে পরিবার সহ স্বজন ও প্রতিবেশীরা বিভিন্নভাবে খোঁজাখুজি করেন। তারই ধারাবাহীকতায় এলাকার একটি সিসি ক্যামেরাতে ফুটেজ চেক করে স্বজনরা দেখতে পান শনিবার সন্ধার দিকে পলাশ নামে এক যুবক শিশু আনিকা আক্তারকে সাথে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর ঘটনাটি রবিবার থানা পুলিশ কে লিখিত ভাবে জানালে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দিক-নির্দেশনায় সোমবার ভোর ৪ টায় নাটোর থেকে অভিযুক্ত যুবক পলাশ কে আটক পূর্বক রাজশাহীতে আনার পর অভিযুক্ত যুবকের দেখানো স্থান মতে ঐ পুকুর থেকে শিশু আনিকা আক্তার এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
অভিযুক্ত যুবক পলাশ (২৪) হলেন, রাজশাহী নগরীর বড় বনগ্রাম (ভাড়ালীপাড়া) মহল্লার জৈনক শাহিন এর ছেলে এবং একটি খাবারের হোটেল এর কর্মচারী।
অভিযুক্ত যুবক পলাশ ঘটনার দিন শনিবার সন্ধার দিকে ঈদ সালামী (টাকা) দেওয়ার নাম করে শিশু আনিকা আক্তার কে
ফুসলিয়ে পুকুর পাড় এলাকায় নির্জণ স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর গলাটিপে শিশু আনিকা আক্তারকে হত্যা করেন এবং তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল খুলে নেওয়ার পরই মৃতদেহটি পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। এরপর সে রাজশাহী থেকে পালিয়ে নাটোরে যান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করেছেন আটককৃত পলাশ। আটককৃত পলাশ এর দেওয়া তথ্যমতে আনিকা আক্তারের কানের দুলও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সংবাদ সংগ্রহকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর পক্রিয়া চলমান সহ শাহমখদুম থানায় মামলার পস্তুতি চলছে বলেই জানিয়েছেন নিহতের স্বজন সহ থানা পুলিশ। শিশু আনিকা আক্তার কে ধর্ষণের পর হত্যা ও মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে পরিবার, স্বজন সহ প্রতিবেশী লোকজনের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছাঁয়া। একই সাথে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীর কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন স্বজন সহ স্থানিয়রা
ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত যুবকের তথ্যে পুকুর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার
ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত যুবকের তথ্যে পুকুর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে প্রথমে অভিযুক্ত যুবক কে সনাক্ত। এরপর থানায় অভিযোগ করার পরই থানা পুলিশের একাধীক চৌকস টিম তদন্তে নেমে অভিযুক্ত যুবককে আটক পুলিশ। ঈদ সালামি (টাকা) দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে আনিকা আক্তার নামে ৮ বছর বয়সী এক শিশু কে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু আনিকা আক্তার এর মৃতদেহ সোমবার সকালে একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে শাহমখদুম থানা পুলিশ।ধর্ষণের পর শিশু হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহী নগরীতে।সোমবার ৩ জুলাই সকালে রাজশাহী নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকার একটি পুকুরের পানি থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করেন শাহমখদুম থানা পুলিশ।ধর্ষণ ও হত্যার শিকার শিশু আনিকা আক্তার হলেন রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া মহল্লার আজিম উদ্দীন এর মেয়ে।পুলিশ ও হত্যাকান্ডের শিকার আনিকা আক্তার এর স্বজনরা জানান, গত শনিবার সন্ধার দিক থেকে শিশু আনিকা
আক্তার কে পাওয়া যাচ্ছিলো না। এক পর্যায়ে নিখোঁজ শিশু সন্তান আনিকা আক্তার কে পরিবার সহ স্বজন ও প্রতিবেশীরা বিভিন্নভাবে খোঁজাখুজি করেন। তারই ধারাবাহীকতায় এলাকার একটি সিসি ক্যামেরাতে ফুটেজ চেক করে স্বজনরা দেখতে পান শনিবার সন্ধার দিকে পলাশ নামে এক যুবক শিশু আনিকা আক্তারকে সাথে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর ঘটনাটি রবিবার থানা পুলিশ কে লিখিত ভাবে জানালে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দিক-নির্দেশনায় সোমবার ভোর ৪ টায় নাটোর থেকে অভিযুক্ত যুবক পলাশ কে আটক পূর্বক রাজশাহীতে আনার পর অভিযুক্ত যুবকের দেখানো স্থান মতে ঐ পুকুর থেকে শিশু আনিকা আক্তার এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।অভিযুক্ত যুবক পলাশ (২৪) হলেন, রাজশাহী নগরীর বড় বনগ্রাম (ভাড়ালীপাড়া) মহল্লার জৈনক শাহিন এর ছেলে এবং একটি খাবারের হোটেল এর কর্মচারী।অভিযুক্ত যুবক পলাশ ঘটনার দিন শনিবার সন্ধার দিকে ঈদ সালামী (টাকা) দেওয়ার নাম করে শিশু আনিকা আক্তার
কেফুসলিয়ে পুকুর পাড় এলাকায় নির্জণ স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর গলাটিপে শিশু আনিকা আক্তারকে হত্যা করেন এবং তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল খুলে নেওয়ার পরই মৃতদেহটি পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। এরপর সে রাজশাহী থেকে পালিয়ে নাটোরে যান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করেছেন আটককৃত পলাশ। আটককৃত পলাশ এর দেওয়া তথ্যমতে আনিকা আক্তারের কানের দুলও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সংবাদ সংগ্রহকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর পক্রিয়া চলমান সহ শাহমখদুম থানায় মামলার পস্তুতি চলছে বলেই জানিয়েছেন নিহতের স্বজন সহ থানা পুলিশ। শিশু আনিকা আক্তার কে ধর্ষণের পর হত্যা ও মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে পরিবার, স্বজন সহ প্রতিবেশী লোকজনের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছাঁয়া। একই সাথে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীর কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন স্বজন সহ স্থানিয়রা
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত