প্রাকৃতিক দুর্যোগে লাইন বেঁকে
যাওয়া, পুরাতন সেতু মেরামতের দীর্ঘসূত্রিতার মতো জটিলতা এড়িয়ে পহেলা ডিসেম্বর চালু
হচ্ছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন। ওইদিন সকালে রাজধানী ঢাকা
থেকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন পৌঁছাবে পর্যটন শহর কক্সবাজারে।
ভাড়া ৫১৫ থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৩৬ টাকা। ৭ নভেম্বর ট্রায়াল রানের পর ১১
নভেম্বর এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের
দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত একশো কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন এখন দৃশ্যমান। সে
সঙ্গে দৃশ্যমান হয়েছে যাত্রাপথের স্টেশনগুলোও। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় বেঁকে
যাওয়া রেল লাইন এরইমধ্যে ঠিক করা হয়েছে। দ্রুতগতিতে চলছে কালুরঘাট সেতুর মেরামত
কাজ। ট্রায়াল রানের জন্য ইঞ্জিনসহ ৬টি বগি প্রস্তুত রাখা হয়েছে দোহাজারী স্টেশনে।
আগামী ৭ নভেম্বর শুরু
হবে ট্রায়াল রান। এরপর ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।
তবে যাত্রীবাহী ট্রেনে চড়তে অপেক্ষা করতে হবে পহেলা ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এ রুটে চলাচলকারী
ট্রেনের জন্য প্রবাল, হিমছড়ি, কক্সবাজার, ইনানী, লাবনী এবং সেন্টমার্টিন নামে ৬টি
নামও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
রেলমন্ত্রী নুরুল
ইসলাম সুজন বলেন, ‘কয়টি ট্রেন এ রুটে যাতায়াত করবে তা
এখন পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। তবে উদ্বোধনের পর দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং
কক্সবাজারের এই রেললাইন খুলে দিচ্ছে পর্যটন শিল্পের নতুন দিগন্ত। প্রথম পর্যায়ে
রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে প্রথম ট্রেনটি। এটি চট্টগ্রাম হয়ে সকাল
সাড়ে ৬টায় পৌঁছাবে কক্সবাজার। পরবর্তীতে দুপুর ১টায় একই ট্রেন চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকার
উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ছেড়ে যাবে। রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে পৌঁছাবে রাজধানীতে।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি
মাহবুবুল আলম বলেন, ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা গেলে পর্যটন
শিল্পের উন্নয়ন ঘটবে। বিশেষত বিদেশি পর্যটক সমাগত আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
যাত্রীবাহী ট্রেন
ছাড়াও পণ্যবাহী ট্রেন চালু হলে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের পণ্য আনা-নেয়া সহজ
হবে। আবার দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ কক্সবাজারে নানা ধরণের শিল্প কারখানা গড়ে তুলতেও
সহায়ক হবে।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস
ফোরামের চেয়ারম্যান এস এম আবু তৈয়ব বলেন, ‘এ রেল রুট যোগাযোগে আমূল পরিবর্তন
নিয়ে আসবে। আর যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। যখন পরিবহনে
খরচ ও সময় কমছে, তখন শিল্প কারাখানা গড়ে ওঠা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
প্রায় ১৮ হাজার কোটি
টাকা খরচ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই রেলপথ। ভাড়া প্রস্তাব করা হয়েছে: ঢাকা থেকে
নন এসি শোভন চেয়ার ৫১৫ টাকা, এসি সিট ৯৪৮ টাকা, এসি কেবিন ১ হাজার ৩৬৩ টাকা এবং
এসি বার্থ ২ হাজার ৩৬ টাকা।
ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ
ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ
প্রাকৃতিক দুর্যোগে লাইন বেঁকে যাওয়া, পুরাতন সেতু মেরামতের দীর্ঘসূত্রিতার মতো জটিলতা এড়িয়ে পহেলা ডিসেম্বর চালু হচ্ছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন। ওইদিন সকালে রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন পৌঁছাবে পর্যটন শহর কক্সবাজারে। ভাড়া ৫১৫ থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৩৬ টাকা। ৭ নভেম্বর ট্রায়াল রানের পর ১১ নভেম্বর এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।দক্ষিণ চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত একশো কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন এখন দৃশ্যমান। সে সঙ্গে দৃশ্যমান হয়েছে যাত্রাপথের স্টেশনগুলোও। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় বেঁকে যাওয়া রেল লাইন এরইমধ্যে ঠিক করা হয়েছে। দ্রুতগতিতে চলছে কালুরঘাট সেতুর মেরামত কাজ। ট্রায়াল রানের জন্য ইঞ্জিনসহ ৬টি বগি প্রস্তুত রাখা হয়েছে দোহাজারী স্টেশনে।আগামী ৭ নভেম্বর শুরু হবে ট্রায়াল রান। এরপর ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।
তবে যাত্রীবাহী ট্রেনে চড়তে অপেক্ষা করতে হবে পহেলা ডিসেম্বর পর্যন্ত।এ রুটে চলাচলকারী ট্রেনের জন্য প্রবাল, হিমছড়ি, কক্সবাজার, ইনানী, লাবনী এবং সেন্টমার্টিন নামে ৬টি নামও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘কয়টি ট্রেন এ রুটে যাতায়াত করবে তা এখন পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। তবে উদ্বোধনের পর দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের এই রেললাইন খুলে দিচ্ছে পর্যটন শিল্পের নতুন দিগন্ত। প্রথম পর্যায়ে রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে প্রথম ট্রেনটি। এটি চট্টগ্রাম হয়ে সকাল সাড়ে ৬টায় পৌঁছাবে কক্সবাজার। পরবর্তীতে দুপুর ১টায় একই ট্রেন চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ছেড়ে যাবে। রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে পৌঁছাবে রাজধানীতে।এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা গেলে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ঘটবে। বিশেষত বিদেশি
পর্যটক সমাগত আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।যাত্রীবাহী ট্রেন ছাড়াও পণ্যবাহী ট্রেন চালু হলে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের পণ্য আনা-নেয়া সহজ হবে। আবার দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ কক্সবাজারে নানা ধরণের শিল্প কারখানা গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের চেয়ারম্যান এস এম আবু তৈয়ব বলেন, ‘এ রেল রুট যোগাযোগে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আর যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। যখন পরিবহনে খরচ ও সময় কমছে, তখন শিল্প কারাখানা গড়ে ওঠা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই রেলপথ। ভাড়া প্রস্তাব করা হয়েছে: ঢাকা থেকে নন এসি শোভন চেয়ার ৫১৫ টাকা, এসি সিট ৯৪৮ টাকা, এসি কেবিন ১ হাজার ৩৬৩ টাকা এবং এসি বার্থ ২ হাজার ৩৬ টাকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত