রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করে ওপরে নিয়ে আসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। বুধবার বাস ওঠানো পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মধ্যরাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২৩ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করে ওপরে নিয়ে আসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। বুধবার বাস ওঠানো পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মধ্যরাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২৩ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিখোঁজদের স্বজনরা ফেরিঘাট এলাকায় আহাজারি করছেন।
দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন বলেন, ‘বিকাল ৫টার কিছু পর সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে আসে। এ সময় ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে না পারায় অপর ফেরির জন্য বাসটি অপেক্ষা করছিল। সোয়া ৫টার দিকে ওই ঘাটে ‘হাসনা হেনা’ নামক একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে সজোরে পন্টুনে আঘাত করে। ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।’
এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন।