ঈদের আর মাত্র তিন দিন বাকি। দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চোখে পড়ার মত ছিলো ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পন্টুনে সাথে ফেরি ভিড়ার সাথেই অঘোষিত প্রতিযোগিতা নিয়ে ফেরি থেকে নামছে শত শত ঢাকা ফেরত মানুষ।
বিশেষ করে এই গরমে শিশুসহ নারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এদিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট হতে ঢাকা খুলনা মহাসড়কে প্রায় ৪ কিলোমিটার জুড়ে গণপরিবহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা ফেরত যাত্রী সবুজ মিয়া বলেন, ঢাকায় আমি একটি হোটেল কাজ করি। কাল রাতে আমাদের ছুটি হয়েছে সেই জন্য আমি ভোর রাতে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছি। যাতে করে রোদের গরমে পড়তে না হয়। তার পরও পরিবারের সাথে ঈদ করার জন্য আগে ভাগেই চলে যাচ্ছি। পরিবারের সাথে ঈদ করার মজাই অন্যরকম। যদিও গাড়ি ভাড়া একটু বেশি নিচ্ছে গাড়ি চালকরা।
ঢাকা ফেরত আরেক যাত্রী রহিমা বলেন, আমরা পরিবারসহ ঢাকায় থাকি, পরিবারের সবার সাথে ঈদ করার জন্য গ্রামের বাড়ি মাগুরায় যাচ্ছি। যদিও এই গরমে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করা কষ্টকর তারপর যেতে হচ্ছে ঈদের আনন্দ পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য।
বিআইডাব্লিউটিসির ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সিহাব উদ্দিন বলেন, এই ঈদে যানজট মুক্ত রাখতে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া ফেরি বাড়ানো হয়েছে। এই নৌরুটে ছোট বড় ২১ টি ফেরি চলাচল করছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়
ঈদের আর মাত্র তিন দিন বাকি। দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চোখে পড়ার মত ছিলো ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পন্টুনে সাথে ফেরি ভিড়ার সাথেই অঘোষিত প্রতিযোগিতা নিয়ে ফেরি থেকে নামছে শত শত ঢাকা ফেরত মানুষ।বিশেষ করে এই গরমে শিশুসহ নারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এদিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট
হতে ঢাকা খুলনা মহাসড়কে প্রায় ৪ কিলোমিটার জুড়ে গণপরিবহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে।ঢাকা ফেরত যাত্রী সবুজ মিয়া বলেন, ঢাকায় আমি একটি হোটেল কাজ করি। কাল রাতে আমাদের ছুটি হয়েছে সেই জন্য আমি ভোর রাতে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছি। যাতে করে রোদের গরমে পড়তে না হয়। তার পরও পরিবারের সাথে ঈদ করার জন্য আগে ভাগেই চলে যাচ্ছি। পরিবারের সাথে ঈদ করার মজাই অন্যরকম। যদিও গাড়ি ভাড়া একটু বেশি নিচ্ছে গাড়ি
চালকরা।ঢাকা ফেরত আরেক যাত্রী রহিমা বলেন, আমরা পরিবারসহ ঢাকায় থাকি, পরিবারের সবার সাথে ঈদ করার জন্য গ্রামের বাড়ি মাগুরায় যাচ্ছি। যদিও এই গরমে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করা কষ্টকর তারপর যেতে হচ্ছে ঈদের আনন্দ পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য।বিআইডাব্লিউটিসির ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সিহাব উদ্দিন বলেন, এই ঈদে যানজট মুক্ত রাখতে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া ফেরি বাড়ানো হয়েছে। এই নৌরুটে ছোট বড় ২১ টি ফেরি চলাচল করছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত