মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা, পটুয়াখালী :
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তেতুলিয়া নদীপাড়ের গোলখালী গ্রামের।মোসা.ফাতেমা বেগম (৪৯)। স্বামী পরিত্যাক্তা ফাতেমা বেগম ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৪) এবং শাররীক প্রতিবন্ধী মেয়ে তাছলিমাকে (১২) নিয়ে একটি কবরস্থানের পাশে ভাঙা পরিত্যাক্ত ঘরে বসবাস করছেন। ফাতেমা বেগম বলেন, মুজিববর্ষের ঘর পাননি তিনি। এছাড়া কোন রকম সরকারী সহায়তাও পাননা। প্রতিবন্ধী মেয়ে থাকায় কেউ কাজ দেয়না, তাই অভাবের তাড়নায় তার ছেলেকে তেতুলিয়া নদীতে জেলে নৌকায় দৈনিক ১৫০ টাকা মজুরীতে মাছ ধরার কাজে দিয়েছেন কিন্তু নদীতে মাছ না পাওয়া গেলে মজুরীর টাকা দেয়না তারা।তাই কোনদিন খাবার জোটে আবার কোনদিন না খেয়েই কেটে যায় দিন।আমার ভাঙা ঘরে কনকনে শীতের ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে আমাদের শরীরে কাপন ধরেযায়। ছেড়া পুরনো কাথা কাপড় শরীরে জড়িয়ে জুবুথুবু হয়ে কাটাচ্ছেন শীতের রাত, অভাবের তাড়নায় জীবন যেন আর চলছে না।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, অসহায় ফাতেমা বেগম মুজিববর্ষের ঘর বরাদ্দ পায়নি কিন্তু অনেক স্বচ্ছল পরিবার ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। তিনি ফাতেমা বেগমকে সহয়তা করার আশ্বাস দেন। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন বলেন, ফাতেমা বেগমকে ভিজিডি সুবিধার আওতায় আনা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ফাতেমা বেগমের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে তার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
দশমিনায় কনকনে শীতে পুরনো কাপড়েই চলছে জীবন
দশমিনায় কনকনে শীতে পুরনো কাপড়েই চলছে জীবন
মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা, পটুয়াখালী :পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তেতুলিয়া নদীপাড়ের গোলখালী গ্রামের।মোসা.ফাতেমা বেগম (৪৯)। স্বামী পরিত্যাক্তা ফাতেমা বেগম ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৪) এবং শাররীক প্রতিবন্ধী মেয়ে তাছলিমাকে (১২) নিয়ে একটি কবরস্থানের পাশে ভাঙা পরিত্যাক্ত ঘরে বসবাস করছেন। ফাতেমা বেগম বলেন, মুজিববর্ষের ঘর পাননি তিনি। এছাড়া কোন রকম সরকারী সহায়তাও পাননা। প্রতিবন্ধী মেয়ে থাকায় কেউ কাজ দেয়না, তাই অভাবের তাড়নায় তার
ছেলেকে তেতুলিয়া নদীতে জেলে নৌকায় দৈনিক ১৫০ টাকা মজুরীতে মাছ ধরার কাজে দিয়েছেন কিন্তু নদীতে মাছ না পাওয়া গেলে মজুরীর টাকা দেয়না তারা।তাই কোনদিন খাবার জোটে আবার কোনদিন না খেয়েই কেটে যায় দিন।আমার ভাঙা ঘরে কনকনে শীতের ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে আমাদের শরীরে কাপন ধরেযায়। ছেড়া পুরনো কাথা কাপড় শরীরে জড়িয়ে জুবুথুবু হয়ে কাটাচ্ছেন শীতের রাত, অভাবের তাড়নায় জীবন যেন আর চলছে না।স্থানীয় ইউপি
সদস্য মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, অসহায় ফাতেমা বেগম মুজিববর্ষের ঘর বরাদ্দ পায়নি কিন্তু অনেক স্বচ্ছল পরিবার ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। তিনি ফাতেমা বেগমকে সহয়তা করার আশ্বাস দেন। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন বলেন, ফাতেমা বেগমকে ভিজিডি সুবিধার আওতায় আনা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ফাতেমা বেগমের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে তার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত