রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর দুদিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

দুদিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

আতোয়ার রহমান মনির, লক্ষ্মীপুর :

লক্ষ্মীপুরে গত দুদিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে নিম্নাঞ্চল। ফলে ফের বন্যার আশঙ্কা করছে জেলাবাসী। জেলার রামগতিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। সিনিয়র আবহাওয়া অবজারভার সোহরাব হোসেন

শনিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে শনিবার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত ৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। তিনি আরো জানান, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ায় ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত চলছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে । আগামী রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

বন্যার পানির নিচে তলিয়ে ছিল, গত কয়েকদিন ধরে ওইসব এলাকার পানি নামতে শুরু করে। কোনো কোনো এলাকা থেকে পানি নেমেও যায়। তবে শুক্র ও শনিবার ভারী বৃষ্টিতে আবারও কোথাও কোথাও পানি উঠে গেছে। তলিয়ে গেছে চলাচলের রাস্তা। যেসব এলাকা এখনও পানির নিচে, সেখানে পানির উচ্চতা আবারও বেড়েছে। খালে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকায় ঠিকমতো পানি নামতে পারছে না। এখনো জেলার ২০ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১০ ওয়ার্ডের প্রায় ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। দুর্ভোগের শেষ নেই। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

এদিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রাজাপুর ও জামির তলী গ্রামের তিন হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দী রয়েছে। তারা ত্রানসহায়তাসহ আর্থিক তেমন সুবিধা পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন। ওই এলাকায় চলাচলের রাস্থায় পানি থাকায় যাতায়াতে বিগ্নঘটছে। নতুন করে বৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ছে বন্যায় কবলিত এলাকাবাসীর। 

রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহসিন মিয়া জানান, বন্যার পানি শেষ না হতেই গত দুদিন ধরে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে বন্যার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ-উজ-জামান বলেন, নদীতে পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। জোয়ার এলে পানি বাড়ে। আবার ভাটা পড়লে পানি কমে যায়। এ ছাড়া বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। যেসব জায়গায় এখনো পানিবন্দী মানুষ রয়েছেন ওইসব এলাকার খালগুলো দিয়ে দ্রুত পানি সরানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে মেঘনায় পানি বাড়ায় ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে।

খুঁজুন