বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে থাকবেন ২০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী হাকিম)। নির্বাচনী অপরাধের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ভোটের চার দিন আগে থেকে ভোটের দুই দিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন তারা।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠি বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ নির্বাচনী এলাকার শূন্য আসনের
নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ নির্বাচনী এলাকার নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ৪ মার্চ থেকে ভোটগ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯-এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা/নির্বাচনী থানায় অন্যূন ২ জন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী হাকিম) নিয়োগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ভোটগ্রহণের চার দিন পূর্ব থেকে ভোটগ্রহণের দুই দিন পর অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিয়োজিতব্য বিভিন্ন মোবাইল ও 'স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে বিশেষ করে বিজিবির সাথে দায়িত্বপালনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নিয়োগকৃত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় মোট ১০ জন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
এতে আরো বলা হয়েছে, একইসাথে স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা, ওয়ার্ড বিন্যাস ইত্যাদি বিবেচনায় এবং বাস্তবতার নিরিখে রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে মোবাইল-স্ট্রাইকিং ফোর্সের সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি করা হলে তদানুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্যও নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
দুই আসনের ভোটে অপরাধ দমনে মাঠে থাকবেন ২০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
দুই আসনের ভোটে অপরাধ দমনে মাঠে থাকবেন ২০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে থাকবেন ২০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী হাকিম)। নির্বাচনী অপরাধের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ভোটের চার দিন আগে থেকে ভোটের দুই দিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন তারা।এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠি বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ নির্বাচনী
এলাকার শূন্য আসনেরনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ নির্বাচনী এলাকার নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ৪ মার্চ থেকে ভোটগ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯-এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা/নির্বাচনী থানায় অন্যূন ২ জন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী হাকিম) নিয়োগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ভোটগ্রহণের চার দিন পূর্ব থেকে ভোটগ্রহণের দুই দিন পর অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিয়োজিতব্য বিভিন্ন মোবাইল ও 'স্ট্রাইকিং ফোর্সের
সাথে বিশেষ করে বিজিবির সাথে দায়িত্বপালনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নিয়োগকৃত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় মোট ১০ জন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।এতে আরো বলা হয়েছে, একইসাথে স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা, ওয়ার্ড বিন্যাস ইত্যাদি বিবেচনায় এবং বাস্তবতার নিরিখে রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে মোবাইল-স্ট্রাইকিং ফোর্সের সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি করা হলে তদানুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্যও নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত