অদিত্য রাসেলঃ মহামারী ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর নানা আয়োজনে
আবারও বর্ষবরণের উচ্ছ্বাসে মেতেছে সিরাজগঞ্জবাসী।
বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসন
কার্যালয়ের সামনে থেকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা ‘এসো হে
বৈশাখ, এসো এসো’ গানে গানে বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালী শহরের প্রধান প্রধান
সড়ক প্রদক্ষিন শেষে র্যালীটি শেষ হয়।
সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামাখন্দ) আসনের সংসদ্য সদস্য অধ্যাপক ডা: মো. হাবিবে
মিল্লাত মুন্না, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি
বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. কে, এম, হোসেন আলী হাসান, সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ
সুর্য্য, এ্যাড. বিমল কুমার দাস, ইসহাক আলী, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ
মুক্তা, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনির হোসেন, সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন রামপদ
রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি ফারহানা ইয়াসমিন, সদর উপজেলা
চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সদর
সার্কেল মো. জসিম উদ্দীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুল মতিন মুক্তা, সদর থানার
ওসি মো. নজরুল ইসলামসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ বলেন, গত দুই বছর বন্ধ ছিল নববর্ষ বরণের
উৎসব। তবে এবার রোজার কারণে সংক্ষিপ্ত পরিসরে উৎসব চলছে।
সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ্য সদস্য অধ্যাপক ডা: হাবিবে
মিল্লাত মুন্না বলেন, বৈশাখের বিষয়টি হচ্ছে আমরা বাঙালি হিসেবে বরাবরই
একে অপরের কাছে আসতে ভালোবাসি। বাঙালির প্রাণের উৎসব হচ্ছে এই পহেলা
বৈশাখ। ধর্মীয় ক্ষেত্রে উৎসব পালনে একটি ভেদাভেদ থাকে কিন্তু এই উৎসব
পালনে কোন ভেদাভেদ নেই। এই উৎসব হয়ে উঠে সকল বাঙালির।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের সাথে অন্য কোন কিছুরই তুলনা হয়না এবং সেটা
অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ভিন্ন পরিচয় এসব
কিছুই ধারণ করে। জেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষেরা বরাবরই এক্ষেত্রে
অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং এখনো করছে।
দুই বছর পরে বর্ষবরণে মেতেছে সিরাজগঞ্জবাসী
দুই বছর পরে বর্ষবরণে মেতেছে সিরাজগঞ্জবাসী
অদিত্য রাসেলঃ মহামারী ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর নানা আয়োজনেআবারও বর্ষবরণের উচ্ছ্বাসে মেতেছে সিরাজগঞ্জবাসী।বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসনকার্যালয়ের সামনে থেকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা ‘এসো হেবৈশাখ, এসো এসো’ গানে গানে বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালী শহরের প্রধান প্রধানসড়ক প্রদক্ষিন শেষে র্যালীটি শেষ হয়।সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামাখন্দ) আসনের সংসদ্য সদস্য অধ্যাপক ডা: মো. হাবিবেমিল্লাত মুন্না, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিবীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. কে, এম, হোসেন আলী হাসান, সহ-সভাপতি আবু ইউসুফসুর্য্য, এ্যাড. বিমল কুমার দাস, ইসহাক
আলী, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফমুক্তা, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, অতিরিক্তজেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনির হোসেন, সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন রামপদরায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি ফারহানা ইয়াসমিন, সদর উপজেলাচেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সদরসার্কেল মো. জসিম উদ্দীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুল মতিন মুক্তা, সদর থানারওসি মো. নজরুল ইসলামসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ বলেন, গত দুই বছর বন্ধ ছিল নববর্ষ বরণেরউৎসব। তবে এবার রোজার কারণে সংক্ষিপ্ত পরিসরে উৎসব চলছে।সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ্য সদস্য অধ্যাপক ডা:
হাবিবেমিল্লাত মুন্না বলেন, বৈশাখের বিষয়টি হচ্ছে আমরা বাঙালি হিসেবে বরাবরইএকে অপরের কাছে আসতে ভালোবাসি। বাঙালির প্রাণের উৎসব হচ্ছে এই পহেলাবৈশাখ। ধর্মীয় ক্ষেত্রে উৎসব পালনে একটি ভেদাভেদ থাকে কিন্তু এই উৎসবপালনে কোন ভেদাভেদ নেই। এই উৎসব হয়ে উঠে সকল বাঙালির।তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের সাথে অন্য কোন কিছুরই তুলনা হয়না এবং সেটাঅনেক ক্ষেত্রেই আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ভিন্ন পরিচয় এসবকিছুই ধারণ করে। জেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষেরা বরাবরই এক্ষেত্রেঅগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং এখনো করছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত