মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামে ঋণের চাপে দুই শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে, মায়ের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই শিশুসহ মায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আশা ও ব্যুরো বাংলাদেশসহ ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনের কাছ থেকে ঋণ নেন সায়মা বেগম। সেই ঋণ পরিশোধের চাপ সামাল দিতে না পেরে প্রথমে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে, পরে নিজের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের। স্বজনরা জানান, রবিবার সকালেও ঋণ দেয়া প্রতিষ্ঠান থেকে সায়মার খোঁজে আসেন কয়েকজন। নিহত দুই শিশুর নাম ছাইমুনা ও তাওহীদ। সায়মা বেগমের স্বামী অনেক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকেন।
গৃহবধূ সালমা বেগমের স্বজন রোজিনা আক্তার জানান, সালমা বেগম
বিভিন্ন এনজিও থেকে সুদে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত ছিল। ওই ঋণের কিস্তির টাকা নিতে
রোববার সকাল ৯ টার দিকে এনজিও'র দুইজন লোক বাড়িতে এসেছিল। তারা ঘরের দরজা বন্ধ
দেখে চলে যায়। তারা চলে যাওয়ার পর রোজিনা জানালা দিয়ে দেখেন, সালমা বেগমের মরদেহ
ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আছে আর দুই সন্তান খাটের ওপর পড়ে আছে।
সিরাজদিখান
থানার ওসি মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় ৭ বছর আগে সালমা বেগমের স্বামী ওলি মিয়া ৮
লাখ টাকা ঋণ করে সৌদি আরব যায়। সেই ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ সইতে না পেরে এই ঘটনা
ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
পুলিশ আরো জানায়, ময়না তদন্তের পর বলা যাবে মৃত্যুর আসল কারণ।
দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর ফাঁস নিলেন মা
দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর ফাঁস নিলেন মা
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামে ঋণের চাপে দুই শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে, মায়ের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই শিশুসহ মায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আশা ও ব্যুরো বাংলাদেশসহ ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনের কাছ থেকে ঋণ নেন সায়মা বেগম। সেই ঋণ পরিশোধের চাপ সামাল দিতে না পেরে প্রথমে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে, পরে নিজের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের।
স্বজনরা জানান, রবিবার সকালেও ঋণ দেয়া প্রতিষ্ঠান থেকে সায়মার খোঁজে আসেন কয়েকজন। নিহত দুই শিশুর নাম ছাইমুনা ও তাওহীদ। সায়মা বেগমের স্বামী অনেক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকেন। গৃহবধূ সালমা বেগমের স্বজন রোজিনা আক্তার জানান, সালমা বেগম বিভিন্ন এনজিও থেকে সুদে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত ছিল। ওই ঋণের কিস্তির টাকা নিতে রোববার সকাল ৯ টার দিকে এনজিও'র দুইজন লোক বাড়িতে এসেছিল। তারা ঘরের দরজা বন্ধ দেখে চলে যায়। তারা চলে যাওয়ার
পর রোজিনা জানালা দিয়ে দেখেন, সালমা বেগমের মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আছে আর দুই সন্তান খাটের ওপর পড়ে আছে। সিরাজদিখান থানার ওসি মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় ৭ বছর আগে সালমা বেগমের স্বামী ওলি মিয়া ৮ লাখ টাকা ঋণ করে সৌদি আরব যায়। সেই ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ সইতে না পেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে পুলিশ আরো জানায়, ময়না তদন্তের পর বলা যাবে মৃত্যুর আসল কারণ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত