জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট
ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে দুই সপ্তাহ পর অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে।
নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) শীতাতপ যন্ত্রের কারিগরি ত্রুটি সারিয়ে এবং
জীবাণুমুক্ত করার কাজ শেষে এটি চালু করা হলো।
হাসপাতালের
কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. একেএম মনজুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত
করছেন। তিনি বলেন, সব কাজ শেষ করে মঙ্গলবার অস্ত্রোপচার কক্ষের তালা খুলে দেওয়া হয়। আইসিইউর
এসি মেরামত করা ও জীবাণুমুক্ত করতে এটি বন্ধ রাখা হয়।
খোঁজ
নিয়ে দেখা যায়, ঈদের আগে হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের আইসিইউ ইউনিটের এসি দিয়ে
পানি পড়ায় অনেক রোগীর সংক্রমণ বাড়তে থাকে। গত ১৮ এপ্রিল এক রোগীর সংক্রমণ বাড়লে
তাকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বন্ধ করে রাখা হয় ২৯ শয্যার আইসিইউ
ইউনিটটি। সবশেষ এ ইউনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত মরিয়ম বেগমের অস্ত্রোপচার করা হয়।
তবে
হাসপাতালের আইসিইউ প্রস্তুত হলেও এখনো হাসপাতালটির সিসিইউ কক্ষের এসি চালু হয়নি।
দায়িত্বরত কর্মকর্তারা একাধিকবার হাসপাতালটির পরিচালকের কাছে এ ব্যাপারে চিঠি
দিলেও কোনো লাভ হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং এসির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা
গণপূর্ত অধিদপ্তরের (পিডব্লিউডি) মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে এ অচলাবস্থা আরও
দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে
থাকে। তাই ৮০ শতাংশ রোগীই লাগে সিসিইউ সুবিধা। রোগীর শরীরে যাতে ঘাম না আসে,
এ জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়। এখন তীব্র গরমে অনেকের
শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
দুই সপ্তাহ পর হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে অস্ত্রোপচার শুরু
দুই সপ্তাহ পর হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে অস্ত্রোপচার শুরু
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে দুই সপ্তাহ পর অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) শীতাতপ যন্ত্রের কারিগরি ত্রুটি সারিয়ে এবং জীবাণুমুক্ত করার কাজ শেষে এটি চালু করা হলো। হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. একেএম মনজুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন। তিনি বলেন, সব কাজ শেষ করে মঙ্গলবার অস্ত্রোপচার কক্ষের তালা খুলে দেওয়া হয়। আইসিইউর এসি মেরামত করা ও জীবাণুমুক্ত করতে এটি বন্ধ
রাখা হয়।খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ঈদের আগে হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের আইসিইউ ইউনিটের এসি দিয়ে পানি পড়ায় অনেক রোগীর সংক্রমণ বাড়তে থাকে। গত ১৮ এপ্রিল এক রোগীর সংক্রমণ বাড়লে তাকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বন্ধ করে রাখা হয় ২৯ শয্যার আইসিইউ ইউনিটটি। সবশেষ এ ইউনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত মরিয়ম বেগমের অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে হাসপাতালের আইসিইউ প্রস্তুত হলেও এখনো হাসপাতালটির সিসিইউ কক্ষের এসি চালু হয়নি। দায়িত্বরত কর্মকর্তারা
একাধিকবার হাসপাতালটির পরিচালকের কাছে এ ব্যাপারে চিঠি দিলেও কোনো লাভ হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং এসির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের (পিডব্লিউডি) মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে এ অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে। তাই ৮০ শতাংশ রোগীই লাগে সিসিইউ সুবিধা। রোগীর শরীরে যাতে ঘাম না আসে, এ জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়। এখন তীব্র গরমে অনেকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত