জুন মাসের
প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রায় ১১৫ কোটি (১১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স
পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার ৩০ কোটি
টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। আজ রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে
এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে জুন মাসের ১৪ দিন পর্যন্ত
মোট ২৮ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৮৬৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স
এসেছে দেশে, যা তার আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার বেশি
এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৩০২ কোটি ডলার বা ২৩
দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স।
প্রতি
ঈদের আগেই প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠায়। ঈদুল ফিতরের আগে রোজার শুরু থেকে
বেশি বেশি প্রবাসী আয় পাঠান প্রবাসীরা। ঈদুল ফিতরের পর প্রবাসী আয় কিছুটা কমে।
পরের মাসেই আবার আগের বাড়তি ধারাতে ফিরে যায়। একইভাবে ঈদুল আজহার আগে বেশি
রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা, আবার ঈদের পরে তা কিছুটা কমে। সে হিসাবে এবার কিছুটা
কমেছে। জুনের শেষের দিকে আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের
প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার , আগস্টে
এসেছে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ,
অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে এসেছে ২২০ কোটি ডলার,
ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে
২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে আসে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
এবং সবশেষ মে মাসে এসেছে ২৯৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।
দুই সপ্তাহে এল ১৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
দুই সপ্তাহে এল ১৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
জুন মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রায় ১১৫ কোটি (১১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার ৩০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। আজ রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে জুন মাসের ১৪ দিন পর্যন্ত মোট ২৮ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৮৬৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা তার আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায়
৫ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৩০২ কোটি ডলার বা ২৩ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স।প্রতি ঈদের আগেই প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠায়। ঈদুল ফিতরের আগে রোজার শুরু থেকে বেশি বেশি প্রবাসী আয় পাঠান প্রবাসীরা। ঈদুল ফিতরের পর প্রবাসী আয় কিছুটা কমে। পরের মাসেই আবার আগের বাড়তি ধারাতে ফিরে যায়। একইভাবে ঈদুল আজহার আগে বেশি রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা, আবার ঈদের পরে তা কিছুটা কমে। সে হিসাবে এবার কিছুটা কমেছে। জুনের শেষের দিকে আবার বাড়ার
সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার , আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে এসেছে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে আসে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এবং সবশেষ মে মাসে এসেছে ২৯৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত