স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। পূজা সামনে রেখে খারাপ কোনো কিছু যাতে না ঘটে, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে নারায়ণগঞ্জের মিশনপাড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে পূজার প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
গতবারের চেয়ে এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন ভালো উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এবার সারা দেশে ৩৩ হাজারের মতো পূজামণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে যাতে পূজা উদ্যাপন করা যায়, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পূজা উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭ জন স্বেচ্ছাসেবী, ৮ জন আনসার সদস্য ছাড়াও পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। এবারের পূজায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী রাখা হচ্ছে। তাই এবার পূজায় কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। পূজামণ্ডপের সামনে দোকান থাকলেও মেলা থাকতে পারবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, জেলা সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রবীর কুমার সাহা, রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের মহারাজ একতানন্দসহ জেলা ও মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতারা।
পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পূজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অংশ নেন।
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার শঙ্কা নেই
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার শঙ্কা নেই
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। পূজা সামনে রেখে খারাপ কোনো কিছু যাতে না ঘটে, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে নারায়ণগঞ্জের মিশনপাড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে পূজার প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।গতবারের চেয়ে এবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন ভালো উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এবার সারা দেশে ৩৩ হাজারের মতো
পূজামণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে যাতে পূজা উদ্যাপন করা যায়, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পূজা উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭ জন স্বেচ্ছাসেবী, ৮ জন আনসার সদস্য ছাড়াও পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। এবারের পূজায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী রাখা হচ্ছে। তাই এবার পূজায় কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। পূজামণ্ডপের সামনে দোকান থাকলেও মেলা
থাকতে পারবে না।এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, জেলা সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রবীর কুমার সাহা, রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের মহারাজ একতানন্দসহ জেলা ও মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতারা।পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পূজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অংশ নেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত