কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও মেয়রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।
মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জনগণ ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে জানিয়ে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ভোটাররা সবাই ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। ইভিএম বা অন্য কোনো সমস্যা নয়, ভোট দিতে পারবে কিনা এ আশঙ্কাই করছেন সবাই। সবার প্রশ্ন— আমরা ভোট দিতে যেতে পারব কিনা। কিন্তু এ দায়িত্ব তো আমার না। এটা সিইসি, ডিসি ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। আমি বারবার অনুরোধ করছি— জনগণের এ বিশ্বাসটুকু রাখেন। যাকেই দিক, মানুষ যেন এবার অন্তত নিজের ভোটটা দিতে পারে।
নির্বাচন কমিশনকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে সাক্কু বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের যে পরিবেশ তা সন্তোষজনক। আমি বারবারই বলছি— এবার আমাদের চেয়ে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষার বিষয়টি মূল। এ কমিশনের অধীনে এটা প্রথম নির্বাচন। তারা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারে, মানুষ কিন্তু এখন বেকুব না। সবই বুঝে, কিছু বলে না এর মানে এই নয় যে, কিছু বোঝে না তা নয়। তাই আমি সিইসিকে বলব— এবার জনগণের আস্থা অর্জন করুণ, নইলে আপনারা থাকতে পারবেন না।
এবারের নির্বাচনে ২৭ ওয়ার্ড এবং ১০৫ কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। সব কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে সাধারণ মানুষ বেছে নেবেন তাদের পছন্দের প্রার্থী। নির্বাচিত করবেন গোমতী নদীপারের শহর কুমিল্লার নতুন নগরপিতা। আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ।
ইসি জানিয়েছে, বিগত ২০১৭ সালের কুসিক নির্বাচনে ভোটার ছিল দুই লাখ সাত হাজার ৫৬৬ জন। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন ও পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন।
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুজন। সেই হিসাবে গত নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার বেড়েছে ২২ হাজার ৩৫৪ জন, যাদের প্রায় সবাই তরুণ। এ ছাড়া এখানে পুরুষ থেকে নারী ভোটার বেশি। আর সংখ্যালঘু ভোটারও প্রায় ৩৫ হাজার। তাই যে মেয়রপ্রার্থী সিটির নারী, তরুণ ও সংখ্যালঘু ভোট নিজের দিকে টানতে পারবেন তিনিই হাসবেন শেষ হাসি।
দ্বিগুণ ভোটে জিতবেন তিনি, সাক্কু
দ্বিগুণ ভোটে জিতবেন তিনি, সাক্কু
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও মেয়রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।জনগণ ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে জানিয়ে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ভোটাররা সবাই ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। ইভিএম বা অন্য কোনো সমস্যা নয়, ভোট দিতে পারবে কিনা এ আশঙ্কাই করছেন সবাই। সবার প্রশ্ন— আমরা ভোট দিতে যেতে পারব কিনা। কিন্তু এ দায়িত্ব তো আমার না। এটা সিইসি, ডিসি ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। আমি বারবার অনুরোধ করছি— জনগণের এ বিশ্বাসটুকু রাখেন। যাকেই দিক, মানুষ যেন এবার অন্তত নিজের ভোটটা দিতে পারে।নির্বাচন কমিশনকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান
জানিয়ে সাক্কু বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের যে পরিবেশ তা সন্তোষজনক। আমি বারবারই বলছি— এবার আমাদের চেয়ে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষার বিষয়টি মূল। এ কমিশনের অধীনে এটা প্রথম নির্বাচন। তারা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারে, মানুষ কিন্তু এখন বেকুব না। সবই বুঝে, কিছু বলে না এর মানে এই নয় যে, কিছু বোঝে না তা নয়। তাই আমি সিইসিকে বলব— এবার জনগণের আস্থা অর্জন করুণ, নইলে আপনারা থাকতে পারবেন না।এবারের নির্বাচনে ২৭ ওয়ার্ড এবং ১০৫ কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। সব কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে সাধারণ মানুষ বেছে নেবেন তাদের পছন্দের প্রার্থী। নির্বাচিত করবেন গোমতী নদীপারের শহর কুমিল্লার নতুন নগরপিতা। আগামীকাল বুধবার
সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ।ইসি জানিয়েছে, বিগত ২০১৭ সালের কুসিক নির্বাচনে ভোটার ছিল দুই লাখ সাত হাজার ৫৬৬ জন। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন ও পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন।তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুজন। সেই হিসাবে গত নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার বেড়েছে ২২ হাজার ৩৫৪ জন, যাদের প্রায় সবাই তরুণ। এ ছাড়া এখানে পুরুষ থেকে নারী ভোটার বেশি। আর সংখ্যালঘু ভোটারও প্রায় ৩৫ হাজার। তাই যে মেয়রপ্রার্থী সিটির নারী, তরুণ ও সংখ্যালঘু ভোট নিজের দিকে টানতে পারবেন তিনিই হাসবেন শেষ হাসি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত