পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে দ্বিতীয় কর্মদিবসে রাজধানীতে এখনও ফেরেনি কর্মজীবী মানুষ। কেউ কেউ কাজে যোগ দিলেও তাদের সংখ্যা নগণ্য। সকাল থেকে তাই রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে নেই কোনো যানজট।
মঙ্গলবার (১২ জুলাই) থেকে অফিস-আদালত খোলা হলেও সাধারণ মানুষের মাঝে ছুটির আমেজ লক্ষ করা গেছে।
রাজধানীতে ফেরার প্রধান প্রবেশমুখ গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান ও সদরঘাটে মানুষ ও গাড়ির চাপ কম দেখা গেছে।
দৈনিক প্রতিদিনের দেশবাংলা কর্মরত এবাদত হোসেন বলেন, সকালে ফরিদপুর থেকে এসে সায়েদাবাদ নামলাম রাস্তা পুরাই ফাঁকা।
রাজধানীর গুলিস্তান, রায় সাহেব বাজার, টিকাটুলি এসব এলাকায় সবসময় যানজট লেগেই থাকে। কিন্তু আজ ওইসব এলাকা পুরোই ফাঁকা।
এখানকার ৮ নম্বর বাসের ড্রাইভার রাতুল বলেন, যাত্রী নাই। শনিবার থেকে যাত্রী কমে গেছে। আজকেও রাস্তা ফাঁকা। যাত্রী নাই। যাত্রাবাড়ী থেকে আসাদগেট এসে বাস থেকে নেমেছেন মো. সুমন।
তিনি বলেন, সকালে গোপালগঞ্জ থেকে যাত্রাবাড়ী এসে নামি। যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ হয়ে আসলাম। রাস্তা ফাঁকা। অল্প সময়ে চলে আসছি।
ভিড় নেই লঞ্চ ঘাটেও। এখনো ঈদের আমেজ কাটেনি সদরঘাটে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের গেটম্যান আলাউদ্দিন মঞ্জুর বলেন, এখনও ঢাকায় ফিরতে মানুষের চাপ শুরু হয়নি। মনে হয় কাল-পরশু থেকে চাপ আস্তে আস্তে বাড়বে। আজকে যে পরিমাণ যাত্রী সদরঘাটে নেমেছে, অন্যান্য সাধারণ দিনেও তার চেয়ে বেশি থাকে।
রাজধানীর মিরপুর সড়কেও নেই ভিড়। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ মো. মোদাব্বের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তিনি বলেন, সকাল থেকে রাস্তায় গাড়ি, মানুষ দুইটাই কম। মিরপুর রোড ফাঁকা। ফার্মগেটেও একই অবস্থা। মনে হচ্ছে রোববার থেকে আগের রূপে ফিরবে ঢাকা।
দ্বিতীয় কর্মদিবসে ফাঁকা রাজধানী
দ্বিতীয় কর্মদিবসে ফাঁকা রাজধানী
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে দ্বিতীয় কর্মদিবসে রাজধানীতে এখনও ফেরেনি কর্মজীবী মানুষ। কেউ কেউ কাজে যোগ দিলেও তাদের সংখ্যা নগণ্য। সকাল থেকে তাই রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে নেই কোনো যানজট।মঙ্গলবার (১২ জুলাই) থেকে অফিস-আদালত খোলা হলেও সাধারণ মানুষের মাঝে ছুটির আমেজ লক্ষ করা গেছে।রাজধানীতে ফেরার প্রধান প্রবেশমুখ গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান ও সদরঘাটে মানুষ ও গাড়ির চাপ কম দেখা গেছে।দৈনিক প্রতিদিনের দেশবাংলা কর্মরত এবাদত হোসেন বলেন, সকালে ফরিদপুর থেকে এসে সায়েদাবাদ নামলাম রাস্তা
পুরাই ফাঁকা। রাজধানীর গুলিস্তান, রায় সাহেব বাজার, টিকাটুলি এসব এলাকায় সবসময় যানজট লেগেই থাকে। কিন্তু আজ ওইসব এলাকা পুরোই ফাঁকা।এখানকার ৮ নম্বর বাসের ড্রাইভার রাতুল বলেন, যাত্রী নাই। শনিবার থেকে যাত্রী কমে গেছে। আজকেও রাস্তা ফাঁকা। যাত্রী নাই। যাত্রাবাড়ী থেকে আসাদগেট এসে বাস থেকে নেমেছেন মো. সুমন।তিনি বলেন, সকালে গোপালগঞ্জ থেকে যাত্রাবাড়ী এসে নামি। যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ হয়ে আসলাম। রাস্তা ফাঁকা। অল্প সময়ে চলে আসছি।ভিড় নেই লঞ্চ ঘাটেও। এখনো ঈদের আমেজ কাটেনি সদরঘাটে।সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের
গেটম্যান আলাউদ্দিন মঞ্জুর বলেন, এখনও ঢাকায় ফিরতে মানুষের চাপ শুরু হয়নি। মনে হয় কাল-পরশু থেকে চাপ আস্তে আস্তে বাড়বে। আজকে যে পরিমাণ যাত্রী সদরঘাটে নেমেছে, অন্যান্য সাধারণ দিনেও তার চেয়ে বেশি থাকে।রাজধানীর মিরপুর সড়কেও নেই ভিড়। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ মো. মোদাব্বের দায়িত্ব পালন করছিলেন।তিনি বলেন, সকাল থেকে রাস্তায় গাড়ি, মানুষ দুইটাই কম। মিরপুর রোড ফাঁকা। ফার্মগেটেও একই অবস্থা। মনে হচ্ছে রোববার থেকে আগের রূপে ফিরবে ঢাকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত