ঊর্ধ্বমুখী দর নিয়ন্ত্রণে অবশেষে
আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৩০ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক
খুদে-বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
খুদে-বার্তায় বলা
হয়েছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজারে আলু সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজারদর
স্থিতিশীল রাখতে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এ জন্য আগ্রহী আমদানিকারকদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে দফায় দফায় দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর জরুরি তিনটি পণ্যের দাম
নির্ধারণ করে দেয় সরকার। এরমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের আলোকে আলুর সর্বোচ্চ
খুচরা মূল্য ৩৫-৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু দিন দিন আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের
বাইরে চলে যায়। বর্তমানে খুচরা বাজারে আলু প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা
গেছে, বর্তমানের হিমাগারগুলোতে যা আলু আছে বেশিরভাগই ব্যবসায়ীদের।
ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে চাষিরা জমি থেকে আলু বিক্রি করেছেন ১০-১৫ টাকা কেজি দরে।
যা প্রতি কেজি উৎপাদন করতে কৃষকের খরচ পড়ে ৮-৯ টাকা। তবে কৃষক শুধু বীজের জন্য
সামান্য আলু হিমাগারে রাখেন।
গত মার্চে ব্যবসায়ীরা
৫০ কেজির বস্তায় ভরে আলু হিমাগারে রেখেছেন। বস্তা খরচ, হিমাগার ভাড়া, শ্রমিকসহ
পরিবহন খরচ সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীদের খরচ হয়েছে ২২-২৩ টাকার মতো। তবে বর্তমানে সেই
আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি দামে।
এবার আলু আমদানি করছে সরকার
এবার আলু আমদানি করছে সরকার
ঊর্ধ্বমুখী দর নিয়ন্ত্রণে অবশেষে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৩০ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক খুদে-বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।খুদে-বার্তায় বলা হয়েছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজারে আলু সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য আগ্রহী আমদানিকারকদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে দফায় দফায় দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর জরুরি
তিনটি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। এরমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের আলোকে আলুর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩৫-৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু দিন দিন আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বর্তমানে খুচরা বাজারে আলু প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানের হিমাগারগুলোতে যা আলু আছে বেশিরভাগই ব্যবসায়ীদের। ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে চাষিরা জমি থেকে আলু বিক্রি করেছেন ১০-১৫ টাকা
কেজি দরে। যা প্রতি কেজি উৎপাদন করতে কৃষকের খরচ পড়ে ৮-৯ টাকা। তবে কৃষক শুধু বীজের জন্য সামান্য আলু হিমাগারে রাখেন। গত মার্চে ব্যবসায়ীরা ৫০ কেজির বস্তায় ভরে আলু হিমাগারে রেখেছেন। বস্তা খরচ, হিমাগার ভাড়া, শ্রমিকসহ পরিবহন খরচ সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীদের খরচ হয়েছে ২২-২৩ টাকার মতো। তবে বর্তমানে সেই আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি দামে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত