এ বছর পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বিষয়ে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
এবারের পহেলা বৈশাখে উদযাপনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশের পাশাপাশি বিএনসিসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে।’
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই জাদুঘরে কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো শেষ করলেই শিগগিরই চালু হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ১৯৮৯ সালে বের হওয়া প্রথম শোভাযাত্রার নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে এই শোভাযাত্রা নতুন অর্থ পায়। অশুভের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং শুভ শক্তির আহ্বান- এই বার্তা ধারণ করেই এর নাম হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। এরপর ধীরে ধীরে এটি শুধু উৎসব নয়, বরং প্রতীকী সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়।
২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করলে এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরো সুদৃঢ় হয়।
পহেলা বৈশাখের সকালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই শোভাযাত্রা। নানা সাজে বিভিন্ন বয়সি মানুষ তাতে অংশ নিতেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামকরণ করা হয়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মঙ্গল ও আনন্দ দুটি শব্দই বাদ দিয়ে নতুন নামে শোভাযাত্রা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এবার নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
এবার নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
এ বছর পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বিষয়ে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না।’মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল
নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’এবারের পহেলা বৈশাখে উদযাপনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশের পাশাপাশি বিএনসিসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে।’জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই জাদুঘরে কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো শেষ করলেই শিগগিরই চালু হবে।’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ১৯৮৯ সালে বের হওয়া প্রথম শোভাযাত্রার নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে এই শোভাযাত্রা নতুন অর্থ পায়। অশুভের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং শুভ শক্তির আহ্বান- এই বার্তা ধারণ করেই এর নাম হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। এরপর ধীরে ধীরে
এটি শুধু উৎসব নয়, বরং প্রতীকী সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়।২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করলে এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরো সুদৃঢ় হয়।পহেলা বৈশাখের সকালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই শোভাযাত্রা। নানা সাজে বিভিন্ন বয়সি মানুষ তাতে অংশ নিতেন।আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামকরণ করা হয়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মঙ্গল ও আনন্দ দুটি শব্দই বাদ দিয়ে নতুন নামে শোভাযাত্রা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত