রাজধানীতে ঈদের প্রথম দিন অতিবাহিত করে গ্রামের পথ ধরেছেন
অনেকেই। যানজট আর ভিড় এড়াতে ঈদের আগে যাননি, কেউবা রাজধানীতে কোরবানি দিয়ে মাংস নিয়ে
যাচ্ছেন স্বজনদের জন্য। কেউ আবার মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস এবং উপার্জন
নিয়ে ফিরছেন।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই গাবতলী
বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার যাত্রীদের চাপ রয়েছে। বিকেল নাগাদ এ চাপ আরো বাড়তে
পারে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।
গাবতলী বাস টার্মিনালের সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার
মো. আসিফ খান জানান,
আজ দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ছেড়েছেন তারা। সকল গাড়ি পরিপূর্ণ যাত্রী
নিয়েই ছেড়ে গেছে।
আসিফ বলেন, যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে
টিকেট নিতে পারছেন,
টিকেট ও গাড়ি এভেলেবেল আছে।
হানিফ পরিবহন, রাবেয়া পরিবহন, রাজধানী
এক্সপ্রেস, সুবর্ণ পরিবহন, সেবা গ্রীন
লাইন, রয়েল, ঈগলসহ গাবতলী টার্মিনালের
সকল পরিবহনেই যাত্রীর চাপ দেখা গেছে।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের ছুটি কাটাতে পরদিন
গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন তারা।
সপরিবারে নাটোরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন বেলায়েত হোসেন।
তিনি প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ‘এখন যানজট হবেনা, ভিড় নাই। তাই আজ যাচ্ছি।
ঢাকায় কোরবানি দিয়েছি। বাড়িতে মাংস নিয়ে যাচ্ছি।
মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করেছেন রিকশাচালক রিপন মিয়া। এবার
পরিবার নিয়ে বাড়ির পথ ধরেছেন। গাবতলী বাস টার্মিনালে প্রতিদিনের সংবাদের সঙ্গে
আলাপকালে তিনি বলেন,
‘আমরা তো কোরবানি দিতে পারি
না। অন্য মানুষের গরু কাইটা দিছি। কিছু মাংস পাইছি। এখন বাড়িত যাই।
ঈদের পরদিনও ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী
ঈদের পরদিনও ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী
রাজধানীতে ঈদের প্রথম দিন অতিবাহিত করে গ্রামের পথ ধরেছেন অনেকেই। যানজট আর ভিড় এড়াতে ঈদের আগে যাননি, কেউবা রাজধানীতে কোরবানি দিয়ে মাংস নিয়ে যাচ্ছেন স্বজনদের জন্য। কেউ আবার মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস এবং উপার্জন নিয়ে ফিরছেন।পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই গাবতলী বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার যাত্রীদের চাপ রয়েছে। বিকেল নাগাদ এ চাপ আরো বাড়তে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।গাবতলী বাস টার্মিনালের সোহাগ পরিবহনের
কাউন্টার মাস্টার মো. আসিফ খান জানান, আজ দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ছেড়েছেন তারা। সকল গাড়ি পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়েই ছেড়ে গেছে।আসিফ বলেন, যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে টিকেট নিতে পারছেন, টিকেট ও গাড়ি এভেলেবেল আছে।হানিফ পরিবহন, রাবেয়া পরিবহন, রাজধানী এক্সপ্রেস, সুবর্ণ পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, রয়েল, ঈগলসহ গাবতলী টার্মিনালের সকল পরিবহনেই যাত্রীর চাপ দেখা গেছে।যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের ছুটি কাটাতে পরদিন গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন তারা।সপরিবারে নাটোরের
উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন বেলায়েত হোসেন। তিনি প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ‘এখন যানজট হবেনা, ভিড় নাই। তাই আজ যাচ্ছি। ঢাকায় কোরবানি দিয়েছি। বাড়িতে মাংস নিয়ে যাচ্ছি। মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করেছেন রিকশাচালক রিপন মিয়া। এবার পরিবার নিয়ে বাড়ির পথ ধরেছেন। গাবতলী বাস টার্মিনালে প্রতিদিনের সংবাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা তো কোরবানি দিতে পারি না। অন্য মানুষের গরু কাইটা দিছি। কিছু মাংস পাইছি। এখন বাড়িত যাই।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত