জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্ধারিত সীমা ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ভাড়া নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।
গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির একটি সীমা নির্ধারণ করে। নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল দেওয়া যাবে।
এ ছাড়া ডিজেলচালিত পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঈদ উপলক্ষে ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ গ্রামের বাড়িতে যাবেন। এ ছাড়া দেশের এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আরও ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষের যাতায়াত হতে পারে।
সংগঠনটির ধারণা, বিভিন্ন শ্রেণির লঞ্চে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ৩০ লাখ ট্রিপ, হিউম্যান হলারে ৮০ লাখ ট্রিপ, কার ও মাইক্রোবাসে ৬০ হাজার ট্রিপ, দূরপাল্লার বাস ও মিনিবাসে ৩০ লাখ ট্রিপ, ঢাকার সিটিবাসে ৪০ লাখ ট্রিপ এবং রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ট্রিপ হতে পারে।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এত অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থা দেশে নেই। এমন পরিস্থিতিতে পরিবহনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু জ্বালানি সরবরাহে সিলিং পদ্ধতি চালু থাকলে পরিবহনগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
তার মতে, এতে কিছু অসাধু পরিবহন মালিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নিতে পারে। পাশাপাশি যানজট ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বারবার জ্বালানি নিতে যাওয়ার কারণে পরিবহনের নির্ধারিত ট্রিপ বাতিল হয়ে শিডিউলও বিঘ্নিত হতে পারে।
ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়াতে পারে জ্বালানির রেশনিং
ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়াতে পারে জ্বালানির রেশনিং
জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্ধারিত সীমা ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ভাড়া নৈরাজ্যকে উৎসাহিত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।গত শুক্রবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির একটি সীমা নির্ধারণ করে। নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল দেওয়া যাবে।এ ছাড়া ডিজেলচালিত পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার
বাস, ট্রাক, কভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঈদ উপলক্ষে ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ গ্রামের বাড়িতে যাবেন। এ ছাড়া দেশের এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আরও ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষের যাতায়াত হতে পারে।সংগঠনটির ধারণা, বিভিন্ন শ্রেণির লঞ্চে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ৩০ লাখ ট্রিপ, হিউম্যান হলারে ৮০ লাখ ট্রিপ, কার ও মাইক্রোবাসে ৬০ হাজার ট্রিপ, দূরপাল্লার বাস ও মিনিবাসে ৩০ লাখ
ট্রিপ, ঢাকার সিটিবাসে ৪০ লাখ ট্রিপ এবং রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ট্রিপ হতে পারে।মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এত অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থা দেশে নেই। এমন পরিস্থিতিতে পরিবহনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু জ্বালানি সরবরাহে সিলিং পদ্ধতি চালু থাকলে পরিবহনগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।তার মতে, এতে কিছু অসাধু পরিবহন মালিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নিতে পারে। পাশাপাশি যানজট ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বারবার জ্বালানি নিতে যাওয়ার কারণে পরিবহনের নির্ধারিত ট্রিপ বাতিল হয়ে শিডিউলও বিঘ্নিত হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত