ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। ওজন
বেড়ে একসময় ১০৫ কেজি হয়েছিল। এক বছরের ব্যবধানে ৩৯ কেজি ওজন কমিয়ে নিজেকে
ঝরঝরে করে ফেলেছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
এই পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন রুনা খান। নানা প্রশ্নের মাঝে অভিনেত্রীর
কাছে জানতে চাওয়া হয়, নিজেকে নতুনরূপে উপস্থাপনের ভাবনা এলো কখন?
জবাবে রুনা খান বলেন, নাটক, ওটিটি কনটেন্ট
বা সিনেমার কাজের জন্য নয়; নিজে শারীরিকভাবে সুস্থতার জন্য ফিট থাকার
চেষ্টা করছি। অনেক অনেক চেষ্টা করেও পারিনি। গত বছর পেরেছি। ৫০ বার ব্যর্থ
হয়েছি, কিন্তু হাল ছেড়ে দিইনি। এই গল্প কেউ জানে না।
তবে এ নিয়ে মিডিয়ার মাতামাতিতে বেশ বিব্রত
উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, আমার এই চেষ্টা যদি কারও ভালো লাগে, কাউকে
অনুপ্রাণিত করে, তা হলে আমি আনন্দিত হব। তবে এখানে একটি কথা বলতে হয়— আমার
এই পরিবর্তন নিয়ে এত মাতামাতি হয়েছে, যা ভালো লাগেনি। শুধু আমাদের দেশে নয়,
কলকাতার গণমাধ্যমেও এ নিয়ে কথা হয়েছে। আমি বিব্রত।
এর আগে ওজন কমানোর বিষয়ে রুনা বলেছিলেন, ওজন
কমানোর জার্নিটা আসলে এক বছরের। এক বছরে আমি একটি পয়সাও ওজন কমানোর পেছনে
খরচ করিনি। আমার বাড়িতে প্রতিদিন যে স্বাভাবিক খাবার রান্না হয়, সেখান থেকে
পরিমিত খাবার খেয়েছি। সপ্তাহে একদিন পোলাও অথবা তেহারি খাই। খুব ভালো
লাগে। পছন্দের খাবার। একবেলা এসব খাবার খেলেও বাকি দুই বেলা রুটিনের খাবারই
থাকে। আর আমি আমার বাসার শোবারঘর থেকে ড্রয়িংরুম পর্যন্ত প্রতিদিন নিয়ম
করে এক ঘণ্টা হাঁটতাম।
তিনি বলেন, রাতে এক ঘণ্টা ইয়োগা করি। রাত
১২টা কিংবা ১টার মধ্যে ঘুমিয়ে যাই, কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাই। গত ১০ বছরে
এসব পারিনি। আমার কাছে পৃথিবীর একদম সহজ উপায়। সহজ কাজটা গত এক বছর ধরে
করতে পেরেছি। গত বুধবার পর্যন্ত ৩৯ কেজি ওজন কমাতে পেরেছি।
এত মাতামাতি কেন: রুনা খান
এত মাতামাতি কেন: রুনা খান
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। ওজন বেড়ে একসময় ১০৫ কেজি হয়েছিল। এক বছরের ব্যবধানে ৩৯ কেজি ওজন কমিয়ে নিজেকে ঝরঝরে করে ফেলেছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন রুনা খান। নানা প্রশ্নের মাঝে অভিনেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, নিজেকে নতুনরূপে উপস্থাপনের ভাবনা এলো কখন? জবাবে রুনা খান বলেন, নাটক, ওটিটি কনটেন্ট বা সিনেমার কাজের জন্য নয়; নিজে শারীরিকভাবে সুস্থতার জন্য ফিট থাকার চেষ্টা করছি। অনেক অনেক চেষ্টা করেও পারিনি। গত বছর পেরেছি। ৫০ বার ব্যর্থ হয়েছি, কিন্তু হাল ছেড়ে দিইনি। এই গল্প কেউ
জানে না। তবে এ নিয়ে মিডিয়ার মাতামাতিতে বেশ বিব্রত উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, আমার এই চেষ্টা যদি কারও ভালো লাগে, কাউকে অনুপ্রাণিত করে, তা হলে আমি আনন্দিত হব। তবে এখানে একটি কথা বলতে হয়— আমার এই পরিবর্তন নিয়ে এত মাতামাতি হয়েছে, যা ভালো লাগেনি। শুধু আমাদের দেশে নয়, কলকাতার গণমাধ্যমেও এ নিয়ে কথা হয়েছে। আমি বিব্রত। এর আগে ওজন কমানোর বিষয়ে রুনা বলেছিলেন, ওজন কমানোর জার্নিটা আসলে এক বছরের। এক বছরে আমি একটি পয়সাও ওজন কমানোর পেছনে খরচ করিনি। আমার বাড়িতে প্রতিদিন যে স্বাভাবিক খাবার রান্না হয়, সেখান
থেকে পরিমিত খাবার খেয়েছি। সপ্তাহে একদিন পোলাও অথবা তেহারি খাই। খুব ভালো লাগে। পছন্দের খাবার। একবেলা এসব খাবার খেলেও বাকি দুই বেলা রুটিনের খাবারই থাকে। আর আমি আমার বাসার শোবারঘর থেকে ড্রয়িংরুম পর্যন্ত প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা হাঁটতাম। তিনি বলেন, রাতে এক ঘণ্টা ইয়োগা করি। রাত ১২টা কিংবা ১টার মধ্যে ঘুমিয়ে যাই, কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাই। গত ১০ বছরে এসব পারিনি। আমার কাছে পৃথিবীর একদম সহজ উপায়। সহজ কাজটা গত এক বছর ধরে করতে পেরেছি। গত বুধবার পর্যন্ত ৩৯ কেজি ওজন কমাতে পেরেছি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত