ফ্রান্সে অভাব-অনটন ও দারিদ্র্য বাড়ছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য নিয়ে বিভিন্ন শঙ্কার কথা জানিয়েছে একটি এনজিও। বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা জানায়, ফ্রান্সে দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। খবর তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের।
ক্যাথলিক রিলিফ নামের একটি এনজিও তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফ্রান্সে ২০২১ সালে এ সংস্থার কাছে যারা সাহায্য চেয়েছিল, তাদের ৪৮ শতাংশ পরিবার এতই গরিব ছিল যে, তাদের নিজেদের খাওয়ার মতো কোনো অর্থ বা বাজেট ছিল না।
বিভিন্ন বিল পরিশোধ ও অনিবার্য খরচ চালানোর পর প্রতি দুই পরিবারের একজনের কাছে মাস শেষ করার জন্য ৩০৫.২ মার্কিন ডলার অর্থ ছিল। এটা ওই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য জনপ্রতি প্রতিদিন ৫.১৭ মার্কিন ডলার অর্থের নিশ্চয়তা দিচ্ছিল। অথচ এ সংস্থাটি বলছে, ফ্রান্সে একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অন্তত ৭.২৪ মার্কিন ডলারের খাদ্য দরকার।
বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা ক্যাথলিক রিলিফের কাছে যারা সাহায্য নিচ্ছে, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নতুন। এর আগে অভাবগ্রস্ত ছিল না। ২০২২ সালের জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ এনজিওটির শঙ্কা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।
ফ্রান্সে দারিদ্র্য বাড়ছে
ফ্রান্সে দারিদ্র্য বাড়ছে
ফ্রান্সে অভাব-অনটন ও দারিদ্র্য বাড়ছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য নিয়ে বিভিন্ন শঙ্কার কথা জানিয়েছে একটি এনজিও। বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা জানায়, ফ্রান্সে দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। খবর তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের।ক্যাথলিক রিলিফ নামের একটি এনজিও তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফ্রান্সে ২০২১ সালে এ সংস্থার কাছে যারা সাহায্য চেয়েছিল, তাদের ৪৮ শতাংশ পরিবার এতই গরিব
ছিল যে, তাদের নিজেদের খাওয়ার মতো কোনো অর্থ বা বাজেট ছিল না।বিভিন্ন বিল পরিশোধ ও অনিবার্য খরচ চালানোর পর প্রতি দুই পরিবারের একজনের কাছে মাস শেষ করার জন্য ৩০৫.২ মার্কিন ডলার অর্থ ছিল। এটা ওই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য জনপ্রতি প্রতিদিন ৫.১৭ মার্কিন ডলার অর্থের নিশ্চয়তা দিচ্ছিল। অথচ এ সংস্থাটি বলছে, ফ্রান্সে একজন
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অন্তত ৭.২৪ মার্কিন ডলারের খাদ্য দরকার।বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা ক্যাথলিক রিলিফের কাছে যারা সাহায্য নিচ্ছে, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নতুন। এর আগে অভাবগ্রস্ত ছিল না। ২০২২ সালের জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ এনজিওটির শঙ্কা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত