উত্তম কুমার মোহন্ত ফুলবাড়ী কুড়িগ্রামঃ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে স্কুলে ক্লাস নেত্তয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষিকা অপর শিক্ষিকা কে জুতা পেটা করে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় অত্র প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠান এলাকার জনমনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে১০(আগষ্ট) বুধবার উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়লই মধ্যেপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে,এঘটনার পর লাঞ্ছিত ওই শিক্ষিকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে জানাগেছে,বুধবার ১০(আগষ্ট) সকাল নয়টার দিকে সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ মাছুমা খাতুন বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেখতে পান তার তিন সহকর্মী মোছাঃ মিলি খাতুনসহ অপর দুই সহকর্মী মোছাঃ রেবেকা সুলতানা ও মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন তিনজনের মধ্যে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি চলছে এক পর্যায়ে অস্রাব্য ভাষায় গালি গালাজও শুরু করে দেয় এসময় ছাত্র,ছাত্রীসহ দুই চারজন অভিভাবকও জরোহতে থাকেন সহকর্মীদের এহেন অবস্থার বেগতিক দেখে মোছাঃ মাছুমা খাতুন সহকর্মী মোছাঃ মিলি খাতুনকে অনুরোধ করেন বাকবিতন্ডা না করার জন্য কিন্তূ মোছাঃ মিলি খাতুন বদ মেজাজি হওয়ায় বিষয়টি কে অন্যভাবে নিয়ে সহকর্মী মাছুমার প্রতি ক্ষিপ্তহয়ে নিজের পায়ের স্যান্ডেল খুলে মাছুমাকে বেদম মারপিট করতে থাকেন মারপিটের এক পর্যায়ে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটেপরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলন সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ মাছুমা খাতুন পরেন।অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী উপস্থিত অভিভাবক বৃন্দ আহত শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন।
লাঞ্ছিতের শিকার ওই শিক্ষিকা বলেন ঘটনার সময় প্রতিষ্ঠান প্রধান মোঃকামরুজ্জামান বকুল স্যার উপস্থিত থেকেও নিরব ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন,প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে ছোট কোমল মতি শিক্ষার্থী অভিভাবক বৃন্দের সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে আমার সাথে এমন নোংরা ঘটনার অবতরণে আমি মনে করি মানহানি সহ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ও অবিভাবকদের কাছে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করেন এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়ে একথা বলেন যে অভিযুক্ত শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী হত্তয়ায়গত-বিশ বছর ধরে অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে সবসময় কারণে অকারণে খারাপ ব্যবহার সহ দাপুটে আচরণের মধ্যে নজরদারি খবরদারি করে থাকেন।
অভিযুক্ত শিক্ষিকা মিলি খাতুনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে কোন সারা পাওয়া যায়নি পরে তার স্বামী মুকুল মিয়ার সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে আমরা অভিভাবক বৃন্দের সাথে কথা বলেছি মিমাংসা করার চেষ্টা চালাচ্ছি।
এব্যাপারে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান(বকুল)ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন সহকর্মীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কে অবহিত করা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আগামী শনিবার প্রতিষ্ঠানে মিটিংয়ের আহ্বান করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আনোয়ারুল হক খন্দকার বলেন ঘটনাটি শোনার পর আমি বিদ্যালয়ে গিয়েছি এবং শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে অপ্রিতিকর ঘটনার নিন্দা জানিয়েছি কারণ শিক্ষার শুরু যেখান থেকে সেইখানে শিক্ষক দের কাছ থেকে এমন নোংরা ঘটনা আমরা
আশাকরি না। শুনেছি আমাদের ভুক্তভোগী শিক্ষিকা উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন এছাড়া আমরাও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য আগামী শনিবার পরিচালনা পর্ষদের মিটিংয়ের আহ্বান করেছি।
এব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহসীন আলী অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন তদন্ত কার্যক্রম চলমান তদন্তশেষে প্রতিবেদন দাখিল করাহবে।
ফুলবাড়ীতে স্কুলে ক্লাস নেত্তয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষিকার হাতাহাতি
ফুলবাড়ীতে স্কুলে ক্লাস নেত্তয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষিকার হাতাহাতি
উত্তম কুমার মোহন্ত ফুলবাড়ী কুড়িগ্রামঃকুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে স্কুলে ক্লাস নেত্তয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষিকা অপর শিক্ষিকা কে জুতা পেটা করে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় অত্র প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠান এলাকার জনমনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে১০(আগষ্ট) বুধবার উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়লই মধ্যেপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে,এঘটনার পর লাঞ্ছিত ওই শিক্ষিকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।অভিযোগে জানাগেছে,বুধবার ১০(আগষ্ট) সকাল নয়টার দিকে সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ মাছুমা খাতুন বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেখতে পান তার তিন সহকর্মী মোছাঃ মিলি খাতুনসহ অপর দুই সহকর্মী মোছাঃ রেবেকা সুলতানা ও মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন তিনজনের মধ্যে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি চলছে এক পর্যায়ে অস্রাব্য ভাষায় গালি গালাজও শুরু করে দেয় এসময় ছাত্র,ছাত্রীসহ দুই চারজন অভিভাবকও জরোহতে থাকেন সহকর্মীদের এহেন অবস্থার বেগতিক দেখে মোছাঃ মাছুমা খাতুন সহকর্মী মোছাঃ মিলি খাতুনকে অনুরোধ করেন বাকবিতন্ডা না করার জন্য কিন্তূ মোছাঃ মিলি খাতুন বদ মেজাজি হওয়ায় বিষয়টি কে অন্যভাবে নিয়ে সহকর্মী মাছুমার প্রতি ক্ষিপ্তহয়ে নিজের পায়ের স্যান্ডেল খুলে
মাছুমাকে বেদম মারপিট করতে থাকেন মারপিটের এক পর্যায়ে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটেপরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলন সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ মাছুমা খাতুন পরেন।অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী উপস্থিত অভিভাবক বৃন্দ আহত শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন।লাঞ্ছিতের শিকার ওই শিক্ষিকা বলেন ঘটনার সময় প্রতিষ্ঠান প্রধান মোঃকামরুজ্জামান বকুল স্যার উপস্থিত থেকেও নিরব ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন,প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে ছোট কোমল মতি শিক্ষার্থী অভিভাবক বৃন্দের সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে আমার সাথে এমন নোংরা ঘটনার অবতরণে আমি মনে করি মানহানি সহ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ও অবিভাবকদের কাছে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করেন এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়ে একথা বলেন যে অভিযুক্ত শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী হত্তয়ায়গত-বিশ বছর ধরে অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে সবসময় কারণে অকারণে খারাপ ব্যবহার সহ দাপুটে আচরণের মধ্যে নজরদারি খবরদারি করে থাকেন।অভিযুক্ত শিক্ষিকা মিলি খাতুনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে কোন সারা পাওয়া যায়নি পরে তার স্বামী মুকুল মিয়ার সাথে ফোনে
যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে আমরা অভিভাবক বৃন্দের সাথে কথা বলেছি মিমাংসা করার চেষ্টা চালাচ্ছি।এব্যাপারে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান(বকুল)ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন সহকর্মীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কে অবহিত করা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আগামী শনিবার প্রতিষ্ঠানে মিটিংয়ের আহ্বান করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আনোয়ারুল হক খন্দকার বলেন ঘটনাটি শোনার পর আমি বিদ্যালয়ে গিয়েছি এবং শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে অপ্রিতিকর ঘটনার নিন্দা জানিয়েছি কারণ শিক্ষার শুরু যেখান থেকে সেইখানে শিক্ষক দের কাছ থেকে এমন নোংরা ঘটনা আমরাআশাকরি না। শুনেছি আমাদের ভুক্তভোগী শিক্ষিকা উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন এছাড়া আমরাও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য আগামী শনিবার পরিচালনা পর্ষদের মিটিংয়ের আহ্বান করেছি।এব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহসীন আলী অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন তদন্ত কার্যক্রম চলমান তদন্তশেষে প্রতিবেদন দাখিল করাহবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত