উত্তম কুমার মোহন্ত ফুলবাড়ী কুড়িগ্রামঃ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি গ্রামের মৃত ডারকি মামুদের ছেলে, মোঃ শমসের আলী এক সময় ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান নিয়ে ছোট সুখের সংসার ছিল তার বিধাতার নির্মম পরিহাস হঠাৎ ষ্ট্রোক করে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোট সুখের সংসার।
জানাযায়, দীর্ঘ নয়/দশ বছর আগে হঠাৎ ষ্ট্রোক করার পর হাত,পা অচল হয়েযায় কথাও বলতে পারে না। টানা ছয় বছর চিকিৎসা করার পর সামর্থ্য হারিয়ে ফেলন পরিবার। অতঃপর বন্ধ হয়ে যায় শমসের আলীর চিকিৎসা হাঁটা চলার অক্ষমতায় সেই থেকে বিছানায় শুইয়ে শুইয়ে কাঁদেন। একাধারে বিছানায় শুইয়ে থাকতে থাকতে পিঠে ঘা হয়ে পচন ধরার মতো অবস্থা।
তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বিছানার উপর একটি পলিথিন বিছিয়ে অসুস্থ শমসের আলী কে শুইয়ে রেখে স্ত্রী শিউলি বেগম বাড়ির কাজ করছেন। জানা গেল দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসার পেছনে অনেক টাকা-পয়সা ব্যয় হয়েছে কোন উন্নতি হয় নাই।টাকা-পয়সার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে,সহায় সম্বল বলতে নয় শতাংশ ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নাই। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটির অসুস্থতায় দুমরে মুচড়ে পরেছে পরিবারটি। তাদের ঘরে একমাত্র মেয়ে অভাবের কারণে পড়ালেখা করাতে পারেন নি অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছেন। এখন অসুস্থ স্বামী শমসের আলীকে নিয়ে দুঃখ কষ্টের মাঝে দিন পার করছেন শিউলি বেগম।
শিউলি বেগম প্রতিবেদকে বলেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করতে হচ্ছে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না প্রতিবেশী ও বিভিন্ন জনের কাছে সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে কোনমতে দিনযাপন করছি। বাড়িতে আর কোন লোক না থাকায় অসুস্থ স্বামীকে একা,একা অনেক কষ্টে ঘড় বাহির করতে হয়।মাঝে মধ্যে খুবকষ্ট করে বাড়ি থেকে আড়াইশ তিনশত গজদুরে নদীর পাড়ে নিয়ে যাই গোসল করার জন্য যদি একটা হুইল চেয়ার থাকতো তাহলে কষ্ট কিছুটা লাঘব হতো।সমাজের কেউ যদি একটা হুইলচেয়ার দিয়ে সহায়তা করতো তাহলে খুব উপকৃত হতাম।
প্রতিবেশী মোঃ রমজান আলী (৪৩) বলেন, শমসেরের স্ত্রী শিউলি বেগম অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন।বর্তমান যুগে একজন মহিলা মানুষ অসুস্থ স্বামীর খেদমত করে অনেক কষ্টে ঘড় সংসার করছেন এ জন্য আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া শিউলির মতো মেয়ে যেন ঘড়ে ঘড়ে জন্মায়। তাদের এই কষ্টে যদি কোনো সরকারি বেসরকারি সংস্থা বা সমাজের হৃদয়বান, দানশীল ব্যক্তি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতো তাহলে এই অভাবি পরিবাব টির অনেক উপকার হতো।
সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃসহিদুল ইসলাম বলেন, শমসের আলী দীর্ঘ দিন ধরে শয্যাশায়ি হয়ে গড়ে পরে আছেন,পরিবারটিতে উপার্জন করার মতো আর কেউ নাই। প্রতিবেশী,আত্বীয় স্বজনদের একটু সহযোগিতায় টিকে আছে। একজন মেয়ে মানুষ হয়ে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন। সমাজের হৃদয়বান ও দান শীল ব্যক্তি বর্গরা যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতো তাহলে অসহায় পরিবারটির খুব উপকার হতো।
এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব হাছেন আলী বলেন,শমসের আলীর অসুস্থতার ব্যাপারটা আমি জানি, ইউনিয়ন পরিষদে কোন সুযোগ সুবিধা আসলে আমরা দেওয়ার চেষ্টা করবো, কিন্তূ সেটাতো চাহিদার তুলনায় অনেক নগন্য,তবে আমি তার বাড়িতে গিয়ে জেনেছি, বর্তমানে তার একটি হুইল চেয়ারের বিশেষ প্রয়োজন আপাতত হুইলচেয়ার টি পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেছি।
ফুলবাড়িতে শমসের আলী বিত্তবানদের কাছে সহায়তার আকুতি
ফুলবাড়িতে শমসের আলী বিত্তবানদের কাছে সহায়তার আকুতি
উত্তম কুমার মোহন্ত ফুলবাড়ী কুড়িগ্রামঃকুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি গ্রামের মৃত ডারকি মামুদের ছেলে, মোঃ শমসের আলী এক সময় ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান নিয়ে ছোট সুখের সংসার ছিল তার বিধাতার নির্মম পরিহাস হঠাৎ ষ্ট্রোক করে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোট সুখের সংসার।জানাযায়, দীর্ঘ নয়/দশ বছর আগে হঠাৎ ষ্ট্রোক করার পর হাত,পা অচল হয়েযায় কথাও বলতে পারে না। টানা ছয় বছর চিকিৎসা করার পর সামর্থ্য হারিয়ে ফেলন পরিবার। অতঃপর বন্ধ হয়ে যায় শমসের আলীর চিকিৎসা হাঁটা চলার অক্ষমতায় সেই থেকে বিছানায় শুইয়ে শুইয়ে কাঁদেন। একাধারে বিছানায় শুইয়ে থাকতে থাকতে পিঠে ঘা হয়ে পচন ধরার মতো অবস্থা।তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বিছানার উপর একটি পলিথিন বিছিয়ে অসুস্থ শমসের আলী কে শুইয়ে রেখে স্ত্রী শিউলি বেগম বাড়ির কাজ করছেন। জানা গেল দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসার পেছনে অনেক টাকা-পয়সা ব্যয় হয়েছে কোন উন্নতি হয় নাই।টাকা-পয়সার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে,সহায় সম্বল বলতে নয় শতাংশ ভিটেমাটি ছাড়া আর
কিছুই নাই। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটির অসুস্থতায় দুমরে মুচড়ে পরেছে পরিবারটি। তাদের ঘরে একমাত্র মেয়ে অভাবের কারণে পড়ালেখা করাতে পারেন নি অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছেন। এখন অসুস্থ স্বামী শমসের আলীকে নিয়ে দুঃখ কষ্টের মাঝে দিন পার করছেন শিউলি বেগম।শিউলি বেগম প্রতিবেদকে বলেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করতে হচ্ছে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না প্রতিবেশী ও বিভিন্ন জনের কাছে সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে কোনমতে দিনযাপন করছি। বাড়িতে আর কোন লোক না থাকায় অসুস্থ স্বামীকে একা,একা অনেক কষ্টে ঘড় বাহির করতে হয়।মাঝে মধ্যে খুবকষ্ট করে বাড়ি থেকে আড়াইশ তিনশত গজদুরে নদীর পাড়ে নিয়ে যাই গোসল করার জন্য যদি একটা হুইল চেয়ার থাকতো তাহলে কষ্ট কিছুটা লাঘব হতো।সমাজের কেউ যদি একটা হুইলচেয়ার দিয়ে সহায়তা করতো তাহলে খুব উপকৃত হতাম।প্রতিবেশী মোঃ রমজান আলী (৪৩) বলেন, শমসেরের স্ত্রী শিউলি বেগম অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন।বর্তমান যুগে একজন মহিলা মানুষ অসুস্থ স্বামীর খেদমত করে অনেক কষ্টে ঘড় সংসার করছেন
এ জন্য আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া শিউলির মতো মেয়ে যেন ঘড়ে ঘড়ে জন্মায়। তাদের এই কষ্টে যদি কোনো সরকারি বেসরকারি সংস্থা বা সমাজের হৃদয়বান, দানশীল ব্যক্তি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতো তাহলে এই অভাবি পরিবাব টির অনেক উপকার হতো।সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃসহিদুল ইসলাম বলেন, শমসের আলী দীর্ঘ দিন ধরে শয্যাশায়ি হয়ে গড়ে পরে আছেন,পরিবারটিতে উপার্জন করার মতো আর কেউ নাই। প্রতিবেশী,আত্বীয় স্বজনদের একটু সহযোগিতায় টিকে আছে। একজন মেয়ে মানুষ হয়ে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন। সমাজের হৃদয়বান ও দান শীল ব্যক্তি বর্গরা যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতো তাহলে অসহায় পরিবারটির খুব উপকার হতো।এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব হাছেন আলী বলেন,শমসের আলীর অসুস্থতার ব্যাপারটা আমি জানি, ইউনিয়ন পরিষদে কোন সুযোগ সুবিধা আসলে আমরা দেওয়ার চেষ্টা করবো, কিন্তূ সেটাতো চাহিদার তুলনায় অনেক নগন্য,তবে আমি তার বাড়িতে গিয়ে জেনেছি, বর্তমানে তার একটি হুইল চেয়ারের বিশেষ প্রয়োজন আপাতত হুইলচেয়ার টি পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেছি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত