রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এবং যানজট নিরসনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এবং গুলিস্তানের জিপিও লিংক রোড এলাকায় পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও অবৈধ কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সায়েদাবাদে বড় আকারের অভিযানঃ
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০০টি অবৈধ বাস কাউন্টার সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনাগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ নগর ভবনে ডিএসসিসি, ডিএমপি এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সায়েদাবাদ টার্মিনালের বাইরের সব অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং টার্মিনালের ভেতরে সুশৃঙ্খলভাবে কাউন্টার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। আজকের অভিযান সেই সিদ্ধান্তের সফল বাস্তবায়ন।
গুলিস্তানে ফুটপাত পুনরুদ্ধারঃ
অন্য এক অভিযানে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দক্ষিণ পাশে জিপিও লিংক রোডের উভয় পাশের রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ফুটপাত দখল করে থাকা অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করার ফলে পথচারী চলাচলের পথ পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি ও গণবিজ্ঞপ্তি জারিঃ
নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আজ ডিএসসিসি’র পক্ষ থেকে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়:
★ডিএসসিসি’র আওতাধীন সকল শপিংমল ও মার্কেটের সামনের ফুটপাতে কোনো প্রকার মালামাল রাখা যাবে না।
★দখলদারদের নিজ উদ্যোগে অবিলম্বে সকল মালামাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
★নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স বাতিলসহ বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনস্বার্থে ডিএসসিসি’র এই উচ্ছেদ ও তদারকি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা
রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এবং যানজট নিরসনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এবং গুলিস্তানের জিপিও লিংক রোড এলাকায় পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও অবৈধ কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।সায়েদাবাদে বড় আকারের অভিযানঃসায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০০টি অবৈধ বাস কাউন্টার সিলগালা করা হয়। একইসঙ্গে ফুটপাত দখল করে
গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের অবৈধ স্থাপনাগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ নগর ভবনে ডিএসসিসি, ডিএমপি এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সায়েদাবাদ টার্মিনালের বাইরের সব অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং টার্মিনালের ভেতরে সুশৃঙ্খলভাবে কাউন্টার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। আজকের অভিযান সেই সিদ্ধান্তের সফল বাস্তবায়ন।গুলিস্তানে ফুটপাত পুনরুদ্ধারঃঅন্য এক অভিযানে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের দক্ষিণ পাশে জিপিও লিংক রোডের উভয় পাশের রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ফুটপাত দখল করে থাকা অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করার ফলে পথচারী চলাচলের পথ
পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি ও গণবিজ্ঞপ্তি জারিঃনগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আজ ডিএসসিসি’র পক্ষ থেকে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়:★ডিএসসিসি’র আওতাধীন সকল শপিংমল ও মার্কেটের সামনের ফুটপাতে কোনো প্রকার মালামাল রাখা যাবে না।★দখলদারদের নিজ উদ্যোগে অবিলম্বে সকল মালামাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।★নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স বাতিলসহ বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জনস্বার্থে ডিএসসিসি’র এই উচ্ছেদ ও তদারকি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত