শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু

গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত সাতদিনে পাগলা কুকুড়ের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত রয়েছেন নারী ও শিশুসহ আরও ৮ জন। নিহতেদের মধ্যে তিনজন নারী ও দুইজন পুরুষ রয়েছেন।

নিহতরা হলেন- কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ধুবনী বাজার এলাকার মতিয়ার রহমানের স্ত্রী আফরুজা বেগম (৪০), কঞ্চিবাড়ি গ্রামের খোকা রামের স্ত্রী নন্দ রানী (৫৫), একই গ্রামের নাইব উদ্দিনের ছেলে ফুলু মিয়া (৫২), ধুবনী বাজার এলাকার আব্দুস সালামের স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৯) ও ছাপরহাটী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খোকা বর্মণের ছেলেরতনেশ্বর বর্মণ (৪২)। নিহতদের মধ্যে সুলতানা বেগম বুধবার দুপুরে নিজ বাড়িতে মারা যান। কুকুরের কামরে মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মানুষজন।

এছাড়া আহতরা হলেন, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বজরা কঞ্চিবাড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের স্ত্রী ফজিতন নেছা, আশরাফুল আনন্দের স্ত্রী রুমিনা বেগম, লাল মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম, মৃত উমিতুল্লাহ ব্যাপারীর ছেলে হামিদুল ইসলাম, জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী গোলেনুর বেগম, মনসুর আলীর মেয়ে মিতু আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে আতিকুর মিয়া, খাইরুল ইসলামের মেয়ে লাবন্য আক্তার ও আনিছুর রহমানের ছেলে বিজয় হোসেন।

গাইবান্ধা জেলার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান বলেন, কুকুরের বিষয়টি ঠেকানোর দায়িত্ব প্রাণিসম্পদের। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরে কামড়ের পর কেউই চিকিৎসা নিতে যাননি। সেখানে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা ছিল।

গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এসব ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পৌরসভা করবে। যেসব এলাকায় এমন ঘটনা ঘটবে, সেখানে কুকুরকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। আমাদেরতো ভ্যাকসিন নেই।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল সকালে বজরা কঞ্চিবাড়ি গ্রামে আকস্মিক একটি কুকুর হামলা চালায়। এদিন অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক ১৩ জনকে কামড় দিয়ে গুরুতর আহত করে। অধিকাংশের মুখমন্ডলে কামড়ের গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। আহতরা সবাই বিভিন্নস্থান থেকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। এরপর কারো কারো অবস্থা গুরতর হলে তাদের চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়া হয়।

খুঁজুন