গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েল সমর্থিত সর্বশেষ প্রস্তাবে অবস্থান জানাতে হামাসকে সময় বেধে দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবশ্য, এ ‘রেডলাইন’- নতুন বা পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী কার্যকর হবে, হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে তা স্পষ্ট করা হয়নি।
ফক্স নিউজের আমেরিকা’স নিউজরুম অনুষ্ঠানে, প্রস্তাব হামাস গ্রহণ করেছি কি করেনি, তা কখন বিবেচনা করা হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিয়াভিট বলেন, এটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকেই এই রেডলাইন টানা হবে। আমি নিশ্চিত তিনি তা করবেন। প্রেসিডেন্ট ও তার দল ২০ দফার একটি বিস্তৃত ও বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করেছেন, যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।
ফক্স নিউজের আমেরিকা’স নিউজরুম অনুষ্ঠানে, প্রস্তাব হামাস গ্রহণ করেছি কি করেনি, তা কখন বিবেচনা করা হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিয়াভিট বলেন, এটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকেই এই রেডলাইন টানা হবে। আমি নিশ্চিত তিনি তা করবেন। প্রেসিডেন্ট ও তার দল ২০ দফার একটি বিস্তৃত ও বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করেছেন, যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি হামাসকে ২০ দফা প্রস্তাব গ্রহণের জন্য তিন থেকে চার দিন সময় দেবেন। ওই প্রস্তাবে হামাসকে নিরস্ত্র হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে—যা এর আগে সংগঠনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। হামাস বর্তমানে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে বলে বুধবার সংগঠনের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে।
ওই অনুষ্ঠানে লিয়াভিট আরও বলেন, এটি একটি গ্রহণযোগ্য পরিকল্পনা। আমাদের আশা এবং প্রত্যাশা, হামাস এই পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।
সর্বশেষ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে। এছাড়া, হামাসের হাতে থাকা সব জিম্মিকে মুক্ত করে ইসরায়েলে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময় করা হবে।
প্রস্তাবে আরও রয়েছে, ধাপে ধাপে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল, হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হবে।
গত দুই বছরে প্রস্তাবিত বহু যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে এই ২০ দফার বক্তব্যগুলো বিভিন্ন সময় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে সেসব প্রস্তাব বিভিন্ন পর্যায়ে ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই কখনও গ্রহণ করেছে, আবার পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যানও করেছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স