মানবিক সাহায্য নিয়ে গাজার দিকে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ এখন উপত্যকা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ১ অক্টোবর ফ্লোটিলার কর্মীরা এই ঘোষণা দিলেও ইসরায়েলি নৌবাহিনী এই নৌবহরকে জোরপূর্বক আটক করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
ইতোমধ্যেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফ্লোটিলার নেতাদের কাছে স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছে যে, তাদের গাজা উপকূলে পৌঁছাতে দেওয়া হবে না। এর জবাবে ফ্লোটিলার কর্মীরা ত্রাণ নিয়ে সরাসরি গাজায় পৌঁছানোর বিষয়ে দৃঢ়তা দেখাচ্ছে এবং ইসরায়েলের সমস্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসরায়েলি ইয়নত নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, সামরিক ও নৌবাহিনী জোরপূর্বক নৌবহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। নৌবহরটিকে বন্দরে আনার জন্য ইতোমধ্যে আশদোদ বন্দরে প্রায় ৬০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে মোতায়েন করা হয়েছে।
ফ্লোটিলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা একটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছেন এবং তাদের জাহাজের উপরে ড্রোনের তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ ভোরেও ইসরায়েলি নৌবাহিনীর একটি কৌশল ব্যর্থ হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
ইসরায়েলি বাহিনী জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গ, আইনজীবী এবং বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যসহ ফ্লোটিলার নেতাদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে বিকল্প পথ দিয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, যদি তারা মানবিক সাহায্য পৌঁছে দিতে চান, তবে তারা আশদোদ বন্দরে নোঙর করতে পারেন। সেখানে পণ্য খালাস হলে ইসরায়েল তা গাজায় স্থানান্তর করবে। তবে ফ্লোটিলার কর্মীরা এই বিকল্প প্রস্তাবে রাজি হননি।
প্রসঙ্গত, ৫০টি জাহাজ এবং প্রায় ৫০০ জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে গঠিত বর্তমান এই ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ পূর্বের ত্রাণবাহী নৌবহরগুলোর চেয়ে অনেক বড়।
গাজার কাছাকাছি গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলা
গাজার কাছাকাছি গ্লোবাল সমুদ ফ্লোটিলা
মানবিক সাহায্য নিয়ে গাজার দিকে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ এখন উপত্যকা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ১ অক্টোবর ফ্লোটিলার কর্মীরা এই ঘোষণা দিলেও ইসরায়েলি নৌবাহিনী এই নৌবহরকে জোরপূর্বক আটক করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।ইতোমধ্যেই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফ্লোটিলার নেতাদের কাছে স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছে যে, তাদের গাজা উপকূলে পৌঁছাতে দেওয়া হবে না। এর জবাবে ফ্লোটিলার কর্মীরা ত্রাণ নিয়ে সরাসরি গাজায় পৌঁছানোর বিষয়ে দৃঢ়তা দেখাচ্ছে এবং ইসরায়েলের সমস্ত
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।ইসরায়েলি ইয়নত নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, সামরিক ও নৌবাহিনী জোরপূর্বক নৌবহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। নৌবহরটিকে বন্দরে আনার জন্য ইতোমধ্যে আশদোদ বন্দরে প্রায় ৬০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে মোতায়েন করা হয়েছে।ফ্লোটিলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা একটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছেন এবং তাদের জাহাজের উপরে ড্রোনের তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ ভোরেও ইসরায়েলি নৌবাহিনীর একটি কৌশল ব্যর্থ হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।ইসরায়েলি বাহিনী জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গ, আইনজীবী এবং
বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যসহ ফ্লোটিলার নেতাদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে বিকল্প পথ দিয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, যদি তারা মানবিক সাহায্য পৌঁছে দিতে চান, তবে তারা আশদোদ বন্দরে নোঙর করতে পারেন। সেখানে পণ্য খালাস হলে ইসরায়েল তা গাজায় স্থানান্তর করবে। তবে ফ্লোটিলার কর্মীরা এই বিকল্প প্রস্তাবে রাজি হননি।প্রসঙ্গত, ৫০টি জাহাজ এবং প্রায় ৫০০ জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে গঠিত বর্তমান এই ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ পূর্বের ত্রাণবাহী নৌবহরগুলোর চেয়ে অনেক বড়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত