গাজীপুরে বেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক
আন্দোলনের নবম দিন বুধবারেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় শিল্প কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ
ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় এদিন আন্দোলনরতদের তাণ্ডব তেমন একটা
চোখে পড়েনি। এদিন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কয়েকটি কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। বিক্ষুব্ধ
শ্রমিকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ
টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।
বুধবার গাজীপুর মহানগরের বাসন এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভোগড়া বাইপাস এলাকায়
বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ
মহাসড়ক ও ঢাকা বাইপাস (নাওজোর-ভুলতা) সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনরতদের মহাসড়কের ওপর থেকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের
চেষ্টা করলে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। একপর্যায়ে
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সকালে স্থানীয় রুয়া ফ্যাশন নামের গার্মেন্টস কারখানায় হামলা
চালিয়ে ভাঙচুর করতে থাকে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে আন্দোলনরতদের ছত্রভঙ্গ করে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ কর্মরত শ্রমিকদের কারখানা থেকে
বের করে দিয়ে ছুটি ঘোষণা করে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকরা খণ্ড খণ্ড
মিছিল নিয়ে বিক্ষোভ করলেও তেমন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি।
এদিকে ধ্বংসাত্মক আন্দোলন পরিহার করে সকলকে কাজে ফিরে যাওয়ার জন্য গাজীপুর মেট্রো
চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মো:
জাহাঙ্গীর আলমের মঙ্গলবারের আহ্বানের প্রেক্ষিতে গত কয়েক দিনের তুলনায় বুধবার
শ্রমিকদের আন্দোলন অনেকটা প্রশমিত হয়। ওই আহ্বানের পর এদিন স্বল্প সংখ্যক শ্রমিকরা
তাদের দাইবর সমর্থনে আন্দোলনে মাঠে নামে। বুধবার সকাল থেকেই পুলিশ, র্যাব ও
বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
সন্ধ্যার পর পর্যন্ত তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে কাজ করতে
দেখা গেছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল
পুলিশ-২-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক জানান, গত ২৩ অক্টোবর থেকে বেতন
বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করে বিভিন্ন শিল্প কারখানার শ্রমিকেরা। সপ্তম
দিনের মতো সোমবারও শ্রমিকরা আন্দোলন বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করে। তারা উত্তেজিত
হয়ে গাড়ি ভাঙচুর ও ইটপাটকেল ছুঁড়ে। পরে টিয়ার সেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত
গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত
গাজীপুরে বেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনের নবম দিন বুধবারেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় শিল্প কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় এদিন আন্দোলনরতদের তাণ্ডব তেমন একটা চোখে পড়েনি। এদিন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কয়েকটি কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। বুধবার গাজীপুর মহানগরের বাসন এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও ঢাকা বাইপাস (নাওজোর-ভুলতা) সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনরতদের মহাসড়কের ওপর থেকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের
চেষ্টা করলে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সকালে স্থানীয় রুয়া ফ্যাশন নামের গার্মেন্টস কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করতে থাকে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে আন্দোলনরতদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ কর্মরত শ্রমিকদের কারখানা থেকে বের করে দিয়ে ছুটি ঘোষণা করে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিক্ষোভ করলেও তেমন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। এদিকে ধ্বংসাত্মক আন্দোলন পরিহার করে সকলকে কাজে ফিরে যাওয়ার জন্য গাজীপুর মেট্রো চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মো: জাহাঙ্গীর আলমের মঙ্গলবারের আহ্বানের প্রেক্ষিতে গত কয়েক দিনের তুলনায় বুধবার শ্রমিকদের আন্দোলন অনেকটা প্রশমিত
হয়। ওই আহ্বানের পর এদিন স্বল্প সংখ্যক শ্রমিকরা তাদের দাইবর সমর্থনে আন্দোলনে মাঠে নামে। বুধবার সকাল থেকেই পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সন্ধ্যার পর পর্যন্ত তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে কাজ করতে দেখা গেছে।গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক জানান, গত ২৩ অক্টোবর থেকে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করে বিভিন্ন শিল্প কারখানার শ্রমিকেরা। সপ্তম দিনের মতো সোমবারও শ্রমিকরা আন্দোলন বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করে। তারা উত্তেজিত হয়ে গাড়ি ভাঙচুর ও ইটপাটকেল ছুঁড়ে। পরে টিয়ার সেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত